Gig Workers: চাই পানীয় জল, বিশ্রাম নেওয়ার ব্রেক! এই গরমে কাতর আর্জি Zomato-Swiggy কর্মীদের - Bengali News | Gig workers seek drinking water, rest breaks amid scorching heat demands raised to Centre - 24 Ghanta Bangla News
Home

Gig Workers: চাই পানীয় জল, বিশ্রাম নেওয়ার ব্রেক! এই গরমে কাতর আর্জি Zomato-Swiggy কর্মীদের – Bengali News | Gig workers seek drinking water, rest breaks amid scorching heat demands raised to Centre

Spread the love

নয়া দিল্লি : সকালে গুমোট গরম (Summer)। বেলা বাড়লেই চড়চড়িয়ে রোদ। তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি করা হয়েছে একাধিক রাজ্যে। দিল্লি-সহ একাধিক রাজ্যে তাপপ্রবাহে পুড়ছে। গরম আরও বাড়বে। ইতিমধ্যে বিভিন্ন জায়গায় তাপমাত্রা ৪৩ ডিগ্রি ছাড়িয়েছে। লু বইছে। তবে, গরম হোক বা জল-ঝড় রেহাই নেই গিগ কর্মীদের (Gig Workers)। রোদে পুড়েই খাবার বা আপনার অর্ডার করা বিশেষ জিনিসপত্র ডেলিভারি করছেন। আবার আপনাকে গরমের মধ্যেই গন্তব্যে পৌঁছে দিচ্ছেন। গরমকালে ডেলিভারি (Delivery App) করতে গিয়েই অনেক সময় হিট স্ট্রোকেও মৃত্যু হয় গিগ কর্মীদের। এবার কেন্দ্রীয় সরকারকে গরমে সুরক্ষা ব্যবস্থা চালুর আর্জি জানিয়েছেন গিগ কর্মীরা।

কেন্দ্রীয় শ্রমমন্ত্রককে একটি চিঠি লিখেছে ইন্ডিয়ান ফেডারেশন অফ অ্যাপ-বেসড ট্রান্সপোর্ট ওয়ার্কার্স। এই সংগঠনে রয়েছে বিভিন্ন ফুড ডেলিভারি সংস্থার কর্মীরা (জ্যোমাটো, ব্লিঙ্কিট, জোম্যাটো, সুইগি), অ্যাপ ক্যাব সংস্থা (উবের, ওলা, ব়্যাপিডো), হোম সার্ভিস অ্যাপ (আরবান, স্ন্যাবিট)। সংগঠন চিঠি দিয়ে জানিয়েছে, ২০২০ সালের সামাজিক সুরক্ষা কোডের আওতায় গিগ কর্মীদের জন্য তাপপ্রবাহ সুরক্ষা নিশ্চিত করা হোক।

কী কী দাবি জানিয়েছেন গিগ কর্মীরা?

  • তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া দফতর। অনেক জায়গায় কমলা ও লাল সতর্কতাও জারি করা হয়েছে। গিগ কর্মীদের দাবি, এই ধরনের সতর্কতা জারি করলে সবেতন বিরতি দিতে হবে। যাকে তাঁরা বলছেন কুলিং ব্রেক। অর্থাৎ গরমে জিরিয়ে ঠান্ডা হওয়ার জন্য বিরতি দিতে হবে। ওই বিরতির জন্য বেতন যেন না কাটা হয়।
  • পানীয় জল, ওআরএস-এর জোগান পর্যাপ্ত দিতে হবে। শীতল বিশ্রাম কক্ষের আয়োজনও করতে হবে।
  • গরমে জরুরি অবস্থায় চিকিৎসা-সংক্রান্ত পর্যাপ্ত সহায়তা প্রদানের দাবিও করা হয়েছে।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, দক্ষিণ কোরিয়া, সিঙ্গাপুর, ফ্রান্স, জাপান এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহী-সহ বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন দেশ ইতিমধ্যেই তীব্র গরম থেকে সুরক্ষার জন্য কার্যকর ব্যবস্থা চালু করেছে।

সংগঠনের তরফে দাবি করা হয়েছে, ভারতকে এখনই পদক্ষেপ করতে হবে। গরমে সুরক্ষা প্রদান কোনও বিশেষ সুবিধা নয়। এটি শ্রমিকের অধিকার, জনস্বাস্থ্যের জন্য অপরিহার্য।

একইসঙ্গে দিল্লিতে তাপপ্রবাহের মধ্যে দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৩টার মধ্যে কাজ বন্ধ রাখার প্রস্তাব দিয়েছে সংগঠন। যখন গরম সবচেয়ে তীব্র থাকে। অন্যদিকে, তেলাঙ্গানা গিগ অ্যান্ড প্ল্যাটফর্ম ওয়ার্কার্স ইউনিয়ন (টিজিপিডব্লিউইউ) গ্রাহকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে, ডেলিভারি কর্মীদের যেন এক গ্লাস জল দেওয়া হয়। যাঁরা প্রতিদিন অন্তত আট ঘণ্টা প্রখর রোদের মধ্যে নিরাপদে খাবার বা পণ্য পৌঁছে দিচ্ছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *