Narendra Modi Campaign: সকালে মতুয়াগড়ে, সন্ধ্যায় পুজো দিলেন ঠনঠনিয়া কালীবাড়িতে! শেষবেলায় বাঙালি আবেগে শান মোদীর – Bengali News | PM Narendra Modi’s Final Bengal Push: Thakurnagar Outreach, Matua Citizenship Assurance, Kolkata
বাঁদিকে ঠাকুরবাড়িতে মোদী, ডান দিকে ঠনঠনিয়া কালীবাড়িতে মোদীImage Credit: TV9 Bangla
কলকাতা: ভোটবঙ্গে শেষ রবিবাসরীয় প্রচারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। শেষ বেলায় কার্পেট বম্বিংয়ে মতুয়াদের গড়ে মোদী। নিজের এক্স হ্যান্ডেলে মতুয়াদের ‘বড় মা’ বীনাপাণি দেবীর সঙ্গে একটি ছবি শেয়ার করেন তিনি। পুজো দেন ঠনঠনিয়া কালীবাড়িতেও তারপর করেন রোড শো। এসআইআর নিয়ে যখন বিজেপির বিরুদ্ধে ঘুঁটি সাজিয়েছে তৃণমূল, সেই আবহে দাঁড়িয়ে মোদীর সেখানে যাওয়া ও মতুয়াদের নাগরিকত্বের আশ্বাস দেওয়া রাজনৈতিক দিক থেকেই বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ।
আজ, মতুয়া ঠাকুর মন্দিরে থাকার সময়, এই মন্দিরে আমার কয়েক বছর আগের সফরের কথা মনে পড়ল, যখন আমি বড়মা বীণাপাণি ঠাকুরের আশীর্বাদ পেয়েছিলাম। সেই সফরের একটি ছবিও এখানে রইল… pic.twitter.com/yZR3oHGWrC
— Narendra Modi (@narendramodi) April 26, 2026
রবিবার সকালে ঠাকুরনগরে প্রচারে যান মোদী। মঞ্চে তাঁর এক পাশে শান্তনু ঠাকুর ও সুব্রত ঠাকুর। এসআইআর-এ মতুয়াদের অনেকের নাম বাদ গিয়েছে, ঠিক এই বিষয়টিকে হাতিয়ার করেই তৃণমূলের বিরুদ্ধে প্রচারে নেমেছে তৃণমূল। ঠিক সেই প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (CAA) কার্যকর করার প্রতিশ্রুতি, তাঁদের নাগরিকত্বের গ্যারান্টি দেওয়া, মতুয়াদের কাছে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
আজ মতুয়া ঠাকুরবাড়িতে প্রার্থনা করলাম। শ্রী শ্রী হরিচাঁদ ঠাকুর জি এবং শ্রী শ্রী গুরুচাঁদ ঠাকুর জি-র আদর্শ আমাদের সমাজকে ক্রমাগত আলোকিত করে চলেছে। pic.twitter.com/ACc1AvmPYf
— Narendra Modi (@narendramodi) April 26, 2026
পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে ‘মতুয়া ভোট’ একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং নির্ণায়ক শক্তি। মতুয়া রাজনীতির বর্তমান কেন্দ্রবিন্দু হলো নাগরিকত্ব। মতুয়া সম্প্রদায়ের বড় অংশের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল ভারতের নাগরিকত্ব পাওয়া। উত্তর ২৪ পরগনা, নদিয়া, এবং সীমান্ত লাগোয়া জেলাগুলোতে মতুয়াদের প্রভাব বিরাট। মোদীর এই সংযোগ একদিকে যেমন মতুয়াদের সামাজিক ও আর্থিক উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, অন্যদিকে এটা তৃণমূলকেও চ্যালেঞ্জ।
এদিকে এদিন বিকালেই আবার কলকাতার বুকে ঠনঠনিয়া কালীবাড়িতে পুজো দেন মোদী। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এটা অনেকটাই তাৎপর্যপূর্ণ। কলকাতার অত্যন্ত প্রাচীন এবং ঐতিহ্যবাহী ঠনঠনিয়া কালীবাড়িতে মোদীর পরিদর্শন রাজ্যের শাসকদলকে এই বার্তা দিচ্ছে, কীভাবে বাংলার সংস্কৃতি, ইতিহাস এবং আবেগ সম্পর্কে সচেতন দেশের প্রধানমন্ত্রী। এই মন্দিরের ভৌগোলিক অবস্থান দেখলে বোঝা যায়, কেবল সেখানে বাঙালিরাই হয়, হিন্দিভাষীদেরও বাস। ফলে তাঁদের কাছে এই একটা বড় বার্তা।
পাশাপাশি ঠনঠনিয়া কালীবাড়িতে পুজোর দেওয়ার নেপথ্যে একটা বড় বার্তাও দিলেন মোদী। ঠনঠনিয়া কালীবাড়িতে সাধারণত আমিষ প্রসাদ দেওয়া হয়। সেখানে পুজো দেওয়াও ‘মাছে-ভাতে’ বাঙালির উদ্দেশে বড় বার্তা। প্যারা মিষ্টি দিয়ে মন্দিরে পুজো দেন মোদী।