West Bengal Election 2026: প্রত্যেক বুথে বুথে AI ক্যামেরা, লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির মত মেসেজ পাঠাবে না তো?

কলকাতা: ভোটের বাকি আর এক মাসেরও কম সময়। কোমর বাঁধছে কমিশন। তৈরি করা হচ্ছে সুরক্ষার চক্রব্যূহ। বুথে অশান্তি দেখলেই অ্য়াকশন। ভোটের প্রতিটা ধাপে থাকবে কমিশনের সতর্ক চোখ। প্রতিটি বুথে নজরদারির জন্য মাঠে নামছে AI. ওয়েবকাস্টিংয়ের জন্য প্রতিটা ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে কমিশনের চোখ হয়ে ঘুরবে AI চালিত ৩৬০ ডিগ্রি ঘুরবে ক্যামেরা। একসঙ্গে অনেকে বুথে ঢুকলেই ধরা পড়বে ক্যামেরায়। প্রতি বুথে থাকবে ২টি থেকে ৩টি ক্যামেরা। কোনওরকম অসঙ্গতি, অশান্তির ছবি দেখা গেলেই কমিশনে জানিয়ে দেবে এআই। সব জেলায় থাকবে কন্ট্রোল রুম।
এবারে বাংলার ভোট-অশান্তি ঠেকাতে যে কমিশন বদ্ধপরিকর, তা বারবার বলছেন ইসি-র কর্তারা। বলছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। সূত্রের খবর, এবার ওয়েব কাস্টিংয়ে চার ধাপে চলবে নজরদারি। প্রথম ধাপে থাকছেন রিটার্নিং অফিসার। তারপর থাকছেন জেলা নির্বাচনী আধিকারিক, তারপরে সিইও। দিল্লির নির্বাচন সদন থেকেও প্রতি মুহূর্তে চলবে নজরদারি। সূত্রের খবর, ৬৬০টি টিভিতে নজরদারি চালাবে ইসি।
সিইও অফিস থেকে ফ্লাইং স্কোয়াডের গাড়িতে ক্যামেরাতেও চলবে নজরদারি। ভোটকক্ষের দরজায় থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান। সিইও মনোজ আগরওয়াল বলছেন, “বুথের ভিতরে চার ভোটারের থেকে কখনও ঢোকা যাবে না। ঢুকলেই আমাদের এআই চালিত ক্যামেরা জানিয়ে দেব। বেশি লোক ঢুকলেই আমরা জানতে পেরে যাব।”
কিন্তু এখন এআই নির্ভর ক্যামেরা যে ‘মেসেজ’ পাঠাবে তা নিয়ে সন্দিহান হয়ে পড়েছে রাজনৈতিক দলগুলি। প্রসঙ্গত, এবারের এসআইআর পর্বে কোটির উপরে মানুষের কাছে গিয়েছে লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির নোটিস। নেপথ্য কারিগর হিসাবে বারবার উঠে এসেছে সেই AI. কারও নামের বানান ভুল। কারও আবার পদবি নিয়ে ঝামেলা। অভিযোগ, চিনতে পারেনি চ্যাটার্জি-চট্টোপাধ্যায়ের পার্থক্য। যা নিয়ে চাপানউতোর কম হয়নি। তাতে শুধু কমিশনেরই কালঘাম ছোটেনি, চরম সমস্যার মুখে পড়েছেন লক্ষ লক্ষ মানুষ। সাধারণ মানুষের হেনস্থা নিয়ে সুর চড়িয়েছে তৃণমূল। এবার ভোটের ময়দানেও এআই নামতে স্বভাবতই তা নিয়ে শুরু হয়েছে চর্চা।