Dabgram-Phulbari: ডাবগ্রাম-ফুলবাড়িতে ‘মা-ছেলে’-র লড়াই, বিজেপির শিখার আশীর্বাদ নিয়েই প্রচারে নামবেন তৃণমূলের রঞ্জন - 24 Ghanta Bangla News
Home

Dabgram-Phulbari: ডাবগ্রাম-ফুলবাড়িতে ‘মা-ছেলে’-র লড়াই, বিজেপির শিখার আশীর্বাদ নিয়েই প্রচারে নামবেন তৃণমূলের রঞ্জন

Spread the love

Dabgram-Phulbari: ডাবগ্রাম-ফুলবাড়িতে ‘মা-ছেলে’-র লড়াই, বিজেপির শিখার আশীর্বাদ নিয়েই প্রচারে নামবেন তৃণমূলের রঞ্জন

শিলিগুড়ি: একই পরিবারের দুই সদস্য ভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা-নেত্রী। এই ছবি অনেকসময়ই দেখা যায়। কিন্তু, ছোটবেলা থেকে যাঁর কাছে কার্যত মানুষ, যাঁর হাত ধরে রাজনীতিতে প্রবেশ, ভোট ময়দানে তিনিই যদি প্রতিপক্ষ হন? অস্বস্তিতে কি পড়বেন দু’জনই? এই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে ডাবগ্রাম-ফুলবাড়িতে। কারণ, এখানকার বিজেপি ও তৃণমূল প্রার্থী ‘মা-ছেলে’। ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ির তৃণমূল প্রার্থী রঞ্জনশীল শর্মা মা বলেই ডাকেন বিজেপি প্রার্থী শিখা চট্টোপাধ্যায়কে। তৃণমূলের টিকিট পাওয়ার পরই তিনি জানিয়ে দিলেন, মা শিখা চট্টোপাধ্যায়ের আশীর্বাদ নিয়েই প্রচারে নামবেন।

জানা গিয়েছে, খুব ছোটবেলায় বাবাকে হারান রঞ্জন। এরপর শিখা চট্টোপাধ্যায়ের কাছে ছোট রঞ্জনকে নিয়ে গিয়েছিলেন তাঁর মা। শিখাকে অনুরোধ করেন, ছেলেকে দেখভাল করার জন্য। তারপর রঞ্জনের মা-ও মারা যান। কার্যত ছোটবেলা থেকে রঞ্জনকে মানুষ করেছেন শিখা। তাঁকে মা বলেই ডাকেন রঞ্জন। শুধু বড় করা নয়, রঞ্জনের রাজনীতিতেও প্রবেশ শিখা চট্টোপাধ্য়য়ের হাত ধরে। শিখাও একসময় তৃণমূলই করতেন। কিন্তু, দলে মনোমালিন্য হওয়ায় ফুল বদলান তিনি। পদ্ম শিবিরে চলে যান। মা দল বদলালেও রঞ্জন তৃণমূলেই থেকে যান। এই মুহূর্তে শিলিগুড়ি পৌরনিগমের ৩৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর রঞ্জন। দার্জিলিং তৃণমূল কংগ্রেসের সমতলের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে রয়েছেন।

একুশের বিধানসভা নির্বাচনে ডাবগ্রাম-ফুলবাড়িতে শিখাকে প্রার্থী করে বিজেপি। ওই আসনে তৃণমূলের প্রার্থী হন গৌতম দেব। যিনি আবার ওই কেন্দ্রের ২ বারের বিধায়ক। কিন্তু, শিখা ২৭ হাজারের বেশি ভোটে গৌতম দেবকে হারিয়ে দেন। একুশের বিধানসভা নির্বাচনের সময় শিখার বিরুদ্ধে ব্যক্তিগতভাবে রঞ্জন প্রচার করেননি বলে স্থানীয় নেতাদের দাবি।

এবারও ডাবগ্রাম-ফুলবাড়িতে শিখাকে প্রার্থী করেছে বিজেপি। আর মঙ্গলবার ওই আসনে রঞ্জনের নাম ঘোষণা করেছে তৃণমূল। ফলে মা-ছেলের লড়াই হতে চলেছে এই কেন্দ্রে। কী হবে এবার? মা শিখার বিরুদ্ধে কীভাবে প্রচার করবেন ছেলে রঞ্জন? ভোটের টিকিট পাওয়ার পরই রঞ্জন বলেন, “বৃহস্পতিবার মা শিখা চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে যাব। মায়ের পায়ে ধরে আশীর্বাদ নিয়ে প্রচারে নামব।” জয়লাভের জন্য আশীর্বাদ চাইবেন তিনি। কী করবেন বিজেপির শিখা? ছেলের বিরুদ্ধে তাঁর প্রচারের হাতিয়ার কী হবে? এই নিয়ে এখনও কিছু বলেননি বিজেপির বিদায়ী বিধায়ক। পরস্পরের বিরুদ্ধে তাঁরা কী প্রচার করেন, সেটাই এখন দেখার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *