Paschim Medinipur: 'দলের গদ্দারদের সঙ্গে ভোটের পর কী যে হিসাব হবে...', হুঁশিয়ারি তৃণমূল নেতার - Bengali News | 'We will not spare traitors of our party after 2026 assembly election', warns TMC leader in Paschim Medinipur - 24 Ghanta Bangla News
Home

Paschim Medinipur: ‘দলের গদ্দারদের সঙ্গে ভোটের পর কী যে হিসাব হবে…’, হুঁশিয়ারি তৃণমূল নেতার – Bengali News | ‘We will not spare traitors of our party after 2026 assembly election’, warns TMC leader in Paschim Medinipur

Spread the love

কী বললেন তৃণমূল নেতা অষ্টম প্রামাণিক?Image Credit: TV9 Bangla

পিংলা: তৃণমূল ছেড়ে অন্য দলে যাওয়া নেতাদের অনেক সময়ই ‘গদ্দার’ বলে নিশানা করেন শাসকদলের নেতারা। কিন্তু, দলে থাকা একাংশ নেতাকে এবার গদ্দার বলে আক্রমণ করে হুঁশিয়ারি দিলেন পশ্চিম মেদিনীপুরের পিংলার এক তৃণমূল নেতা। তাঁর হুঙ্কার, বিধানসভা নির্বাচনের পর ওই সব ‘গদ্দারদের’ হিসাব হবে। সংযত হওয়ার বার্তাও দিলেন। তৃণমূল নেতার এই বক্তব্য ভাইরাল হতেই কটাক্ষ করল বিজেপি।

পিংলা ব্লকের তৃণমূল নেতা অষ্টম প্রামাণিকের একটি বক্তব্য ভাইরাল হয়েছে। ভাইরাল ভিডিয়োতে তাঁকে বলতে শোনা যায়, “এখানে কিছু লোক আগে সিপিএম করত। এখন বিজেপির দালালি করছে। আবার একসময় যাঁরা আমাদের দলের নেতা ছিলেন, তাঁরা সিপিএমের লোকজনকে ফুসফুস কথা বলে ভোট কাটানোর চেষ্টা করছেন।” এরপরই নাম না করে তৃণমূলের একাংশকে আক্রমণ করে তিনি বলেন, “আমি কথা দিয়ে যাচ্ছি, যারা আমাদের দলের খেয়ে, দলের পরে গদ্দারি করবে, তাদের কিন্তু ২০২৬ সালের ভোটের পর কী যে হিসাব হবে, তা একমাত্র ভগবান জানেন। আমি দ্ব্যর্থহীন ভাষায় একথা বলছি।” তাঁর এই কথা শুনে অনেকে হাততালি দেন।

তিনি আরও বলেন, “আমি মার খেয়েছি, আমার ছেলে মার খেয়েছে। কিন্তু, আমরা তৃণমূল ছেড়ে যাইনি। কখনও দলের বিরুদ্ধে বেফাঁস কথা বলিনি। কিন্তু, আমাদেরই দলের কিছু গদ্দার দলের সঙ্গে বেইমানি করছে। তাদের সঙ্গে হিসাব হবে ভোটের পরে। আমি এখনও বলছি, আপনারা সংযত হয়ে যান।” সিপিএম, বিজেপি কর্মীদের তৃণমূলের ছাতার তলায় আসার আহ্বান জানান। পিংলা থেকে ফের মানস ভুঁইয়াকে জয়ী করার ডাক দেন তৃণমূল এই নেতা।

তৃণমূল নেতার হুঁশিয়ারি নিয়ে কটাক্ষ করেছে গেরুয়া শিবির। বিজেপির ঘাটাল সাংগঠনিক জেলার সভাপতি তন্ময় দাস বলেন, “তৃণমূলের সব জায়গায় গোষ্ঠীকোন্দল চরমে। গাছ কেটে চুরি, বালি খাদানের অধিকার, রাস্তায় ঢালাইয়ের টাকা চুরি, এই নিয়েই গোষ্ঠীকোন্দল। মূলত টাকা তোলা নিয়েই গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। ভোট যত এগিয়ে আসছে, তত গোষ্ঠীকোন্দল বাড়ছে তৃণমূলে। তৃণমূলের কেউ ভালো লোক নয়। গোষ্ঠীকোন্দল তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ ব্যাপার। কিন্তু, সাধারণ মানুষকে যেন হয়রানি করা না হয়।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *