Baba Ramdev: ওষুধ নয়, এই উপায়েই গরম থাকুন শীতের রাতে! – Bengali News | Patanjali founder Baba Ramdev: Not medicine, but stay warm on winter nights with Baba Ramdev’s method!
আমাদের বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের কোনও পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ছাড়াই আমাদের সুস্থ রাখতে পারে আয়ুর্বেদ। আর সেই পথেরই দিশারি পতঞ্জলির প্রতিষ্ঠাতা বাবা রামদেব। তিনি বলছেন শুধু আয়ুর্বেদ নয়, এর পাশাপাশি যোগব্যায়ামও সুস্থ রাখে আমাদের শরীর। লড়াই করে বয়সের সঙ্গেও। আরও একটা সমস্যা আমরা দেখতে পাই। যখন বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের আক্রমণ করে ঠান্ডা। এই শীতকাল আমাদের জন্য অনেক চ্যালেঞ্জ নিয়ে আসে। এই সময়টায় শুধুমাত্র ঠান্ডার হাত থেকে বাঁচা নয়, শরীরকে ভিতর থেকে গরম রাখাও এই ঋতুতে একটা বিরাট চ্যালেঞ্জ।
একটি ভিডিয়োতে বাবা রামদেব জানিয়েছেন প্রাকৃতিক কোন কোন উপায়ে আমাদের শরীরকে উষ্ণ রাখা যায়। তাঁর মতে আয়ুর্বেদের এই পদ্ধতিগুলো শুধুমাত্র আমাদের শরীরকে উষ্ণ রাখে এমন নয়। উল্টে আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়িয়ে দেয়। আর তা আমাদের সর্দি-কাশি ও ফ্লু এড়াতে সাহায্য করে। বাবা রামদেব হলুদ থেকে শিলাজিৎ ও যোগব্যায়ামের মাধ্যমে শরীরকে সুস্থ রাখার একাধিক পদ্ধতি বর্ণনা করেছেন।
- হলুদ ও আদা: সকালে ঘুম থেকে উঠে হালকা গরম হলুদ ও আদা জল পান করার কথা বলছেন বাবা রামদেব। এতে শরীর ভেতর থেকে উষ্ণ হয় এবং সর্দি-কাশি কমে।
- কালো মরিচ ও বাদাম: প্রতিদিন ৫টি বাদাম ও ৫টি কালো মরিচ চিবিয়ে খাওয়ার কথা বলছেন বাবা রামদেব। এতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।
- হলুদের দুধ ও মধু: হলুদ দুধ বা গরম জলে সামান্য মধু মিশিয়ে পান করলে ঠান্ডার প্রভাব কমে, বলছেন রামদেব।
- জাফরান: প্রতিদিন ১–২টি জাফরানের পাপড়ি মুখে রাখলে শরীর দ্রুত উষ্ণ হয়, পরামর্শ রামদেবের।
- খাঁটি ঘি: যাঁদের ঠান্ডা বেশি লাগে, সকালে তাঁদের খাঁটি ঘি খেতে পরামর্শ দেন বাবা রামদেব। এতে শরীর শক্তিশালী হয়।
- মিছরি: সকালে মিছরির সঙ্গে ১০০ গ্রাম বাদাম ও ২০ গ্রাম কালো মরিচ চিবিয়ে খেলে শক্তি বাড়ে, বলছেন বাবা রামদেব।
- শ্বাস-প্রশ্বাস: গভীর ও দীর্ঘ শ্বাস-প্রশ্বাস নিন। এতে শরীরের ভেতরের তাপ বৃদ্ধি পায়।
- যোগব্যায়াম ও সূর্য নমস্কার: রোজ যোগাভ্যাস করলে দারুণ উপকার পাওয়া যায়। এ ছাড়াও পাওয়ার যোগা, সূর্য নমস্কার ও সিট-আপ করলে শরীর সক্রিয় থাকে ও শক্তিশালী হয় পেশিগুলো।
- ভস্ত্রিকা প্রাণায়াম: ৫ মিনিট ভস্ত্রিকা প্রাণায়াম ফুসফুস মজবুত করে।
- কপালভাতি ও অনুলোম-বিলোম: প্রতিদিন ৫ মিনিট কপালভাতি ও ৫ মিনিট অনুলোম-বিলোম করলে সর্দি-কাশি কমে।