Suvendu Adhikari: ‘প্রত্যেক মাসে ৬০ হাজার টাকা স্থানীয় বিধায়কের প্রতিনিধিকে দিতেন গোডাউন মালিক’, জতুগৃহ নিয়ে বিস্ফোরক তথ্য দিলেন শুভেন্দু – Bengali News | Godown owner used to give Rs. 60,000 to local MLA’s representative every month: Suvendu Adhikari
নাজিরাবাদের পথে শুভেন্দু অধিকারীImage Credit: TV9 Bangla
কলকাতা: আনন্দপুরের ‘জতুগৃহ’ গোডাউন প্রতি মাসে দেড় লক্ষ টাকায় ভাড়া দেওয়া হত। আর ভাড়ার টাকার ৬০ হাজার টাকা যেত স্থানীয় বিধায়কের কাছে। বিস্ফোরক দাবি করলেন শুভেন্দু অধিকারী। আদালত থেকে অনুমতি নিয়ে নাজিরাবাদে গেলেন রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। যাওয়ার আগে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, “কলকাতার এক এক জায়গায় জতুগৃহ তৈরি হয়েছে, এগুলোর জন্য স্থানীয় থানা ও স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব দায়ী। গোডাউনটা দেড় লক্ষ টাকায় ভাড়া দেওয়া হয়েছে। তার মধ্যে ৬০ হাজার টাকা, স্থানীয় বিধায়কের প্রতিনিধির হাতে মালিক দিয়ে দেন। লাইসেন্স নেই, অগ্নি নির্বাপক ব্যবস্থাও নেই। সরকার নিরুত্তাপ।”
ইতিমধ্যেই গোডাউনের মালিক গঙ্গাধর দাসকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।অভিযোগ উঠেছে, ওই গোডাউন জলাভূমি বুজিয়ে তৈরি করা হয়েছিল। গোডাউনে ছিল না কোনও অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থাও। ফরেন্সিক রিপোর্টেও স্পষ্ট হয়েছে, আগুন লাগে গোডাউনের পাশের তিন তলা বিল্ডিংয়ে। সেখান থেকে পর পর দুটি গুদামে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। ভিতরে আটকে পড়েন অন্ততপক্ষে ৪০ জন। এই নিয়ে শুভেন্দু বলেন, “ধারণা ৩৫-৪০ জনের মতো মৃতের সংখ্যা হতে পারে। অশোক দিন্দা প্রথম থেকে রয়েছেন। অধিকাংশই মেদিনীপুরের লোক, আমরা যতটা পেরেছি পাশে থাকার চেষ্টা করছি। ক্রেডিট নিতে চাই না, দুর্ভাগ্য এটাই, এটা মুখ্য়মন্ত্রীর ভোটব্যাঙ্ক নয় বলে, রাজধর্ম পালন করেননি। মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ি এখান থেকে ১০ কিমি দূরে। ওনার আসা উচিত ছিল।”
নাজিরাবাদে তিন দিন পর জারি করা হয়েছে ১৬৩ ধারা। আর এদিন যাওয়ার কথা ছিল শুভেন্দু অধিকারীর। কিন্তু নরেন্দ্রপুর থানা তাঁকে অনুমতি দেয়নি। তাহলে কি বিরোধী দলনেতা যাবেন বলেই আগে থেকে জারি করা হল ১৬৩ ধারা? খোদ এই প্রশ্ন তোলেন শুভেন্দু নিজেই। তিনি বলেন, “ফিরহাদ হাকিম, অরূপ বিশ্বাস, সুজিত বসুরা এসেছে, কাউকে বাধা দেয়নি। আমি আসার আগেই ১৬৩ ধারা করে দেওয়া হল। আমাদের আটকানোর জন্য। পুলিশকে চালানো হচ্ছে।” হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন শুভেন্দু। বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ তাঁকে নরেন্দ্রপুর যাওয়ার অনুমতি দেন। কোন পথে মিছিল হবে, সেই রুটও নির্ধারিত করে দেওয়া হয়। শুভেন্দু জানান, অকুস্থলের ১০০ মিটার দূর থেকে পরিস্থিতি দেখার চেষ্টা করবেন তাঁরা। হাইকোর্টের নির্দেশিত পথে আমাদের মিছিল হবে। ১২টার সময়ে মিছিল শুরু হবে। থানা থেকে ২০০ মিটার দূরে মিছিল পৌঁছবে, সেখানে প্রতিবাদ সভা হবে।