ASHA Worker Protest: রাজ্যজুড়ে 'ধিক্কার দিবস', 'আমরা ৮০ হাজার...', ভোটে দেখে নেওয়ার হুঁশিয়ারি আশা কর্মীদের - Bengali News | ASHA Workers Intensify Protests in West Bengal, Announce ‘Dikkar Diwas’ as Standoff with State Government Continues - 24 Ghanta Bangla News
Home

ASHA Worker Protest: রাজ্যজুড়ে ‘ধিক্কার দিবস’, ‘আমরা ৮০ হাজার…’, ভোটে দেখে নেওয়ার হুঁশিয়ারি আশা কর্মীদের – Bengali News | ASHA Workers Intensify Protests in West Bengal, Announce ‘Dikkar Diwas’ as Standoff with State Government Continues

Spread the love

শহরজুড়ে প্রতিবাদImage Credit: নিজস্ব চিত্র

কলকাতা: আজকের মতো এতটাই। রাস্তায় রাত্রিবাস তাঁরা করছেন না। কিন্তু বিদ্র্রোহও এখানেই থামাচ্ছেন না। সকাল থেকে দফায় দফায় রাজ্য়জুড়ে ‘বেগুনি বিদ্রোহ’ দেখেছে বঙ্গবাসী। যার প্রাণকেন্দ্র থেকেছে শহর কলকাতা। স্বাস্থ্য ভবনে এই নিয়ে ১৫ জনের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠকও হয়েছে। কিন্তু তারপরেও জট কাটেনি। উল্টে আন্দোলনকে আরও জোড়াল করে আগামিকাল পালন হতে চলেছে ধিক্কার দিবস। পাশাপাশি ২৯ দিন পরেও সব দাবি পূরণ হওয়া না-পর্যন্ত কর্মবিরতি চলবে বলেই জানিয়েছেন আশা কর্মীরা।

বুধবার সকালে পথে নামেন আশা কর্মীরা। তাঁদের স্বাস্থ্যভবন অভিযান ঘিরে তৈরি হয় উত্তাল পরিস্থিতি। বাড়িয়ে দেওয়া হয় পুলিশের পরিমাণ। জেলা থেকে আসা আশা কর্মীদের আন্দোলনে জুড়তে বাধা দিতে হাওড়া স্টেশন-সহ একাধিক জায়গায় মোতায়েন হয় পুলিশ। চলে ধরপাকড়। ফলত ‘অধিকারের দাবিতে’ পথে নেমে আরও চটে যান আন্দোলনকারীরা। রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে রীতিমতো ক্ষোভ প্রকাশ করেন তাঁরা।

এদিন পশ্চিমবঙ্গ আশা কর্মী ইউনিয়নের রাজ্য সম্পাদক ইশমতআরা খাতুন বলেন, ‘রাস্তায় শুয়ে পড়ে আন্দোলন চালিয়েছি। আমাকে কাল রাত থেকে ঘরবন্দি করার চেষ্টা করেছে। আশা কর্মীদের আজ হয়রান করা হয়েছে, বিক্ষোভকারীদের পিছনে পুলিশকে লেলিয়া দেওয়া হয়েছে, হেনস্থা করা হয়েছে। যে আগুন তারা (রাজ্য সরকার) জ্বালিয়েছে, তাতে তাদেরই পুড়তে হবে।’

আশা কর্মীদের এই আন্দোলনকে ‘রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে দাগিয়েছেন রাজ্য়ের স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। তাঁর সাফ কথা, ‘রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য আপনারা হয়তো তাঁদের কিছু চাঁদাও দেন বলে শুনেছি। সঠিক জানি না। শুনেছি। চাঁদা দিতেই পারেন। গণতন্ত্রে তো বাধা নেই। কিন্তু আপনাদের নিয়ে নিজেদের স্বার্থ চরিতার্থ করার যে চেষ্টা করা হচ্ছে। রাজ্য সরকার এতকিছু দেওয়ার পরেও সরকারের বিরুদ্ধে আওয়াজ তোলা হচ্ছে। কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে আওয়াজ নেই কেন?’

কিন্তু এই দাবিকে সম্পূর্ণভাবে খণ্ডন করেছেন আশা কর্মী ইউনিয়নের রাজ্য সম্পাদক। তাঁর কথায়, ‘ন্যায় সঙ্গত দাবিকে যখন অস্বীকার করতে হয়, আশা কর্মীদের কর্মবিরতির দায়কে এড়িয়ে যাওয়ার জন্য এই আন্দোলনের সঙ্গে রাজনীতি জুড়ে দেওয়া হচ্ছে।’ রাজ্যের ‘কেন্দ্রীয় যুক্তি’ নিয়েও মুখ খুলেছেন তিনি। ইশমতআরা খাতুনের কথায়, ‘কেন্দ্র যে টাকা দেয় না, তা আমরা কীভাবে বুঝব? আমরা দেখেছি, রাজ্য বিভিন্ন কেন্দ্রীয় প্রকল্পের টাকা নিজেদের নামে অন্য খাতে ব্যবহার করেন। আর মুখ্যমন্ত্রী তো বলেছিলেন, কেন্দ্র টাকা না দিলেও রাজ্য় আমাদের দায়িত্ব নেবে।’ আর এক বিক্ষুদ্ধ আশা কর্মী যেমন গোটা ব্যাপারটাকেই নির্বাচন অবধি নিয়ে চলে গিয়েছেন। পুলিশ তাঁকে আটক করতে তিনি বলেন, ‘রাজ্যজুড়ে ৮০ হাজার আশা কর্মী, ২০২৬-এ আমরা আপনাদের দেখে নেব।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *