SIR: বিধায়কের হাত থেকে ফর্ম সেভেন কেড়ে ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ, উত্তপ্ত বনগাঁ SDO অফিস – Bengali News | Allegations of snatching Form Seven from MLA’s hand, heated up in Bangaon SDO office
এসডিও অফিসের বাইরে বিক্ষোভ Image Credit: TV9 Bangla
উত্তর ২৪ পরগনা: বিধায়কের হাত থেকে ফর্ম ছিনিয়ে ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ। ঘটনাকে ঘিরে উত্তপ্ত বনগাঁ উত্তর SDO অফিসের সামনে। অভিযোগ, বনগাঁ উত্তরের বিজেপি বিধায়ক অশোক কীর্তনিয়ার হাত থেকে ‘ফর্ম সেভেন’ ছিনিয়ে নেন তৃণমূলের কর্মীদের অভিযোগ। ফর্ম সেভেন জমা দিতে বাধা দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ। অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল। তৃণমূলের দাবি, সাধারণ মানুষ ফর্ম ছিঁড়ে দিয়েছে। বনগাঁ এসডিও অফিসে ব্যাপক উত্তেজনা।
ফর্ম সেভেনের মাধ্যমে নাম বাদ দেওয়া হয়। মৃত বা স্থানান্তরিতদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার জন্য ফর্ম-৭ পূরণ করা হয়। সেক্ষেত্রে কমিশন জানিয়েছে, এক জন ব্যক্তি অন্য যে কোনও ভোটারের ফর্ম সেভেন জমা করতে পারেন। তবে কোনও ভোটার যদি পাঁচ জনের বেশি নাম বাদ দেওয়ার আবেদন করেন, সেক্ষেত্রে ইআরও তাঁর আবেদনগুলো খতিয়ে দেখবেন।
কিন্তু এই ফর্ম সেভেন ঘিরেই বাংলার এসআইআর আবহে শুরু হয়েছে নতুন করে বিতর্ক। এদিন বিজেপি বিধায়ক ফর্ম সেভেন নিয়ে গিয়েছিলেন। অভিযোগ, তাঁর হাত থেকে সেই ফর্ম ছিনিয়ে নিয়ে ছিঁড়ে ফেলা হয়। এসডিও অফিসের সামনেই বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন তৃণমূল কর্মী সমর্থকরা।
এক বিক্ষোভকারী তৃণমূল কর্মী বলেন, “যতদিন পশ্চিমবঙ্গে একটা ফর্ম সেভেন বাকি থাকবে, ততদিন আমরা বিক্ষোভ চালিয়ে যাব। আমরা তালিকা বার করতে দেব না। আমাদের আন্দোলন জারি থাকবে।”
এদিনের ঘটনা প্রসঙ্গে তৃণমূলের মুখপাত্র তন্ময় ঘোষ বলেন, “হাজার হাজার ফর্ম সেভেন নিয়ে ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া ও নতুন ভোটারদের নাম ঢোকানোর চেষ্টা করছে। এটা বিরাট ষড়যন্ত্র। আমি যতদূর জানি, একজন এক দিনে ৭০ টা ফর্ম জমা দিতে পারেন। হাজার হাজার ফর্ম ছাপানো হচ্ছে। ওরা যে কোনও মূল্যেই কিছু একটা করতেই চাইছে। তাই মানুষের ধৈর্য্যের বাঁধ ভেঙেছে।”