Aniket Mahato:'আমার মেয়ের নামে ও টাকা চাইবে কেন?', এবার অনিকেতের টাকা তোলা নিয়ে বিস্ফোরক তিলোত্তমার বাবা-মা - Bengali News | Aniket mahato why would he ask for money in my daughters name tilottamas parents are now explosive about aniket mahatos money withdrawal - 24 Ghanta Bangla News
Home

Aniket Mahato:’আমার মেয়ের নামে ও টাকা চাইবে কেন?’, এবার অনিকেতের টাকা তোলা নিয়ে বিস্ফোরক তিলোত্তমার বাবা-মা – Bengali News | Aniket mahato why would he ask for money in my daughters name tilottamas parents are now explosive about aniket mahatos money withdrawal

Spread the love

উত্তর ২৪ পরগনা: এবার আরজি কর আন্দোলনের নেতা অনিকেত মাহাতোকে নিয়ে বিস্ফোরক তিলোত্তমার বাবা-মা। অনিকেত মাহাতোকে আর মেয়ের সহানুভূতি নিয়ে ব্যক্তিগত কাজে লাগানোর সুযোগ দিতে চান না তিলোত্তমার বাবা-মা।  পরিস্কার জানিয়ে দিলেন, অনিকেতের ডাকে  CGO কমপ্লেক্স অভিযানে যাবেন না তাঁরা। অনিকেত মাহাতোকে নিয়ে ক্ষোভ উগড়ে দিলেন তিনি। কিন্তু কেন?

তিলোত্তমার মা বলেন, “অনিকেত যেটা করছে, সেটা আমরা একেবারেই সাপোর্ট করছি না। কারণ ও লড়াই করে আরজি করেই পোস্টিং পেয়েছিল। লড়াই জিতেছি, সেই আনন্দ থেকে বলল আরজি কর নেব না। আরজি কর ছেড়ে দিয়ে মানুষের কাছে বলল, এই সিট ছাড়ার জন্য টাকার দরকার।” তাঁর বিস্ফোরক দাবি, “ও ব্যক্তিগতভাবে আমার মেয়ের নামে টাকা চাইবে কেন? এটার তীব্র বিরোধিতা করছি। সিজিও অফিস পরে যাব। অনিকেতের নেতৃত্বে আমরা যাব না।”

পাশাপাশি অনিকেতের বাবাও বললেন, “ওই SR শিপ ছাড়বে, সেটা ওর ব্যক্তিগত ব্যাপার। ও তো কেসে জিতেই আরজি করে SR শিপ পেয়েছিল। আমার মেয়ের নাম নিয়ে সহানুভূতি কুড়োতে চাইছে।”

আরজি করে পোস্টিং নিয়ে রাজ্যে সরকারের বিরুদ্ধে আইনি লড়াইয়ে নামেন অনিকেত। আদালতের নির্দেশ তাঁর পক্ষেই যায়। কোর্ট স্পষ্ট করেছিল, ১৪ দিনের মধ্যে পোস্টিং দিতে হবে অনিকেতকে। সেই সময় অতিক্রম হয়ে যায়, তার পোস্টিং এখনও হয়নি বলে অভিযোগ।

সম্প্রতি তিনি WBJDF-এর নতুন এক্সিকিউটিভ কমিটি তৈরি করা নিয়ে মতপার্থক্য হয়। তাই তিনি বেরিয়ে এসেছেন। তিনি আরজি কর থেকে SR শিপ ছেড়ে দিতে চান অনিকেত। কিন্তু সেক্ষেত্রে তাঁকে বন্ড পোস্টিং থেকে বেরিয়ে আসার জন্য ৩০ লক্ষ টাকা সরকারকে দিতে হবে। সেই টাকা দেওয়ার জন্য আর্থিক সহযোগিতা চান তিনি। সাংবাদিক বৈঠকে তিনি বলেন, “সমাজের সকল শুভানুধ্যায়ী মানুষের কাছে আমি সাহায্য চাইছি।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *