MiG 29 Fighter Jet: বাড়ছে যুদ্ধ বিমানের ক্ষমতা, এবার নতুন মিসাইল যুক্ত হচ্ছে মিগ ২৯-এ! – Bengali News | MiG 29 Fighter Jet: The capabilities of the fighter jet are increasing; the MiG 29 is now being equipped with the new Medium Range Anti Ship Missile (NASM MR)!
প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে আত্মনির্ভরতার পথে আরও একধাপ এগিয়ে গেল আমাদের দেশ। এবার নৌসেনার হাতে থাকা মিগ ২৯-কে যুদ্ধবিমানে সফলভাবে মিডিয়াম রেঞ্জ অ্যান্টি শিপ মিসাইল বা NASM-MR ব্যবহার করা যাবে। সফল ভাবে সেই প্রযুক্তির তৈরি হয়ে গিয়েছে। এই ইন্টিগ্রেশন পরীক্ষায় প্রমাণ হয়েছে বিমানের সঙ্গে এই ক্ষেপণাস্ত্রের যান্ত্রিক, বৈদ্যুতিক ও সফটওয়্যারের সংযুক্তকরণ সম্পূর্ণ ভাবে কাজ করছে।
এই সাফল্যের পর ২০২৬ সালের প্রথম ত্রৈমাসিকে আকাশ থেকে এই ক্ষেপণাস্ত্রের উৎক্ষেপণের ট্রায়াল শুরু হবে। তার আগে এই মিসাইলের গ্রাউন্ড ও ক্যারেজ ট্রায়াল সম্পন্ন হয়েছে। NASM-MR বলতে ভারতের হাতে থাকা একটি মাত্র ক্ষেপনাস্ত্রের কথা বোঝায় না। উল্টে, এর মাধ্যমে একাধিক ক্ষেপণাত্রের একটি পরিবারকে বোঝায়।
NASM-MR-এর আকাশ থেকে উৎক্ষেপণ করা যায়, এমন ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা প্রায় ২৯০ কিলোমিটার। যে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়তে হয় জাহাজ থেকে তার পাল্লা প্রায় ৩৫০ কিলোমিটার। এ ছাড়াও সাবমেরিন থেকে ছোড়ার মতো ক্ষেপণাস্ত্রও রয়েছে এর মধে।
দেশীয় প্রযুক্তিতে নির্মিত এই ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি ও সেই ক্ষেপণাস্ত্রের মান উন্নয়নে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছে ডিআরডিও বা ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন। এ ছাড়াও এই ক্ষেপণাত্র তৈরিতে সহায়তা করেছে একাধিক দেশীয় সংস্থাও। এই ক্ষেপণাস্ত্রে ব্যবহার করা হয়েছে ডুয়াল-পালস সলিড রকেট মোটর, অ্যাক্টিভ রেডার সিকার ও ইলেকট্রনিক জ্যামিং প্রতিরোধী ব্যবস্থা।
আইএনএস বিক্রান্ত মিগ ২৯ যুদ্ধবিমান বহন করে। আর সেই মিগ যুদ্ধবিমানে এই ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র যুক্ত হলে তার ক্ষমতা বেড়ে যাবে কয়েকগুণ। এখনও কিছু পরীক্ষা বাকি রয়েছে। সেই সব পরীক্ষায় সফল হলে ২০২৭ সালের মধ্যে নৌবাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত হবে NASM-MR ক্ষেপণাস্ত্র।