Jewellery shop owner’s murder: নিউটাউনের বাড়িতে স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে মারধর করেছিলেন বিডিও, জেরায় স্বীকার ধৃতদের: সূত্র – Bengali News | During interrogation two arrested persons says police that BDO beat jewellery shop owner: source
রাজগঞ্জের বিডিও প্রশান্ত বর্মণ (ডানদিকে)Image Credit: TV9 Bangla
কলকাতা: সল্টলেকের দত্তাবাদের স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে অপহরণ করে খুনের ঘটনায় কি আরও চাপে পড়লেন জলপাইগুড়ির রাজগঞ্জের বিডিও প্রশান্ত বর্মণ? ওই খুনের মামলায় ধৃত ২ জনকে জেরা করে বিস্ফোরক তথ্য পাওয়া গিয়েছে বলে সূত্রের খবর। নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার পর ধৃত রাজু ঢালি ও তুফান থাপাকে দফায় দফায় জেরা করে পুলিশ। সূত্রের খবর, সেই জেরায় ধৃতরা জানিয়েছেন, স্বর্ণ ব্যবসায়ী স্বপন কামিল্যাকে অপহরণের পর নিউটাউনে প্রশান্ত বর্মণের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সেখানে ওই স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে মারধর করেন স্বয়ং বিডিও। ঘুষি, লাথি, চড় মেরেছিলেন বলে জেরায় জানিয়েছেন ধৃতরা। এদিকে, এদিন প্রশান্ত বর্মণ দাবি করেন, তাঁর বিরুদ্ধে চক্রান্ত চলছে।
গত ২৮ অক্টোবর নিউটাউনের যাত্রাগাছির খালধার থেকে স্বর্ণ ব্যবসায়ী স্বপন কামিল্যার দেহ উদ্ধার হয়। তাঁর বাড়ি পশ্চিম মেদিনীপুরের মোহনপুর থানার দিলমাটিয়া গ্রামে। ওই স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে খুনের ঘটনায় নাম জড়ায় রাজগঞ্জের বিডিও-র। ঘটনার তদন্তে নেমে সিসিটিভি ফুটেজ দেখে রাজু ঢালি ও তুফান থাপাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। প্রশান্ত বর্মণ কলকাতায় এলে তাঁর গাড়ি চালাতেন রাজু। আর তুফান থাপার সঙ্গেও প্রশান্ত বর্মণের ঘনিষ্ঠতা রয়েছে বলে অভিযোগ।
ধৃত ২ জনকে গতকাল বিধাননগর আদালতে তোলা হলে ১২ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক। সূত্রের খবর, নিজেদের হেফাজতে নিয়ে ধৃতদের দফায় দফায় জেরা করে পুলিশ। আর সেই জেরাতেই ধৃতরা জানান, ওই স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে নিউটাউনের বাড়িতে নিয়ে গিয়ে মারধর করেছিলেন বিডিও।
এদিকে, এদিন তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ নিয়ে বিডিও প্রশান্ত বর্মণ বলেন, “এটা ষড়যন্ত্র চলছে। চক্রান্ত চলছে। তবে ষড়যন্ত্রকারীরা বেশি দূর এগোতে পারবে না। কারণ, বিচার ব্যবস্থা রয়েছে। আমাকে ষড়যন্ত্রকারীরা কখনও কালিমালিপ্ত করতে পারবে না। কারণ আমি সৎ। সত্যের জয় হবে।” ধৃত ২ জনের সঙ্গে তাঁর পরিচয় নিয়ে তিনি বলেন, “এটা বিচারাধীন বিষয়। এই বিষয়ে আমি কিছু বলব না।” একইসঙ্গে তাঁর দাবি, “আমিই প্রথম রাজবংশী প্রার্থী, নিয়োগ পরীক্ষায় এক নম্বর ব়্যাঙ্ক করেছিলাম। তখন থেকেই আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চলছে। এখনও চলছে। আমার মৃত্যু পর্যন্ত তা চলবে।” তদন্তের জন্য পুলিশ তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল কি না, জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, “আমার সঙ্গে পুলিশ একদিন যোগাযোগ করেছিল। তারপর করেনি। করলে সহযোগিতা করব।” এদিকে, বিধাননগর দক্ষিণ থানার কাছ থেকে স্বপন কামিল্যা খুনের তদন্তভার নিল বিধাননগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ।