Rafale New Missile: আতঙ্কে China-Pakistan, এবার আরও শক্তিশালী হবে ভারতের রাফাল যুদ্ধবিমান! – Bengali News | Rafale Missile: China Pakistan in panic, this time India’s Rafale fighter jet will be even more powerful!
নয়া ক্ষেপণাস্ত্রে আরও বিধ্বংসী হবে রাফাল!Image Credit: PTI
আকাশপথে যুদ্ধক্ষমতা আরও কয়েক গুণ বাড়তে চলেছে আমাদের দেশের। সৌজন্যে নতুন ‘এয়ার-টু-এয়ার’ মিসাইল ‘মিটিয়র’। ফ্রান্সের তৈরি দাসো রাফাল যুদ্ধবিমানের জন্য নতুন করে এই ক্ষেপনাস্ত্র কিনতে চলেছে ভারতীয় বায়ুসেনা। জানা গিয়েছে, প্রায় ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকার এই প্রস্তাব খুব শীঘ্রই প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের অনুমোদন পেতে পারে।
ভারতীয় বায়ুসেনার হাতে থাকা একাধিক যুদ্ধবিমানের মধ্যে শুধুমাত্র রাফালই পারে এই মিটিয়র ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়তে। ইউরোপীয় সংস্থা MBDA নির্মিত এই মিটিয়র ক্ষেপণাস্ত্রটির পাল্লা প্রায় ২০০ কিলোমিটার।
কেন জরুরি এই বিপুল অস্ত্রভান্ডার?
এই নতুন ক্ষেপণাস্ত্র কেনার উদ্যোগ এসেছে চলতি বছরের মে মাসে হওয়া ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর অভিজ্ঞতার পর। সেই অভিযানে ভারতীয় যুদ্ধবিমানগুলো দূরপাল্লার ‘স্ট্যান্ডঅফ’ অস্ত্র ব্যবহার করে সফলভাবে পাকিস্তানি সামরিক ও জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংস করেছিল।
উল্টে দিকে পাল্টা হামলা করতে গিয়েও ব্যর্থ হয়েছিল পাকিস্তানি এয়ার ফোর্স। তারা চিনা পিএল ১৫ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেও কোনও সাফল্য পায়নি। সূত্র বলছে, পাকিস্তান এই পিএল ১৫ ক্ষেপণাস্ত্র বিপুল পরিমাণে সংগ্রহ করছে। আর সেই প্রেক্ষাপটেই ভারতের এই পাল্টা অস্ত্র-সজ্জা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
দেশি অস্ত্র তৈরিতেও জোর
তবে, কেবল বিদেশি অস্ত্র আমদানি নয়, দেশীয় বিয়ন্ড ভিজ্যুয়াল রেঞ্জ মিসাইল বা যে ক্ষেপণাস্ত্র দৃষ্টি সীমার বাইরের যে কোনও লক্ষ্যবস্তুকে আঘাত করতে পারে তা তৈরিতেও জোর দিয়েছে ভারত। প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা বা DRDO-এর তৈরি প্রায় ৭০০টি এই ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র যার নাম ‘অস্ত্র মার্ক ২’ তা কেনারও পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এগুলির পাল্লাও ২০০ কিলোমিটারের বেশি হবে এবং তা সুখোই ৩০ ও এলসিএ তেজস যুদ্ধবিমানগুলিতে যুক্ত করা হবে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই মিটিয়র ক্ষেপণাস্ত্রের নতুন ব্যাচ রাফালকে আকাশযুদ্ধে এক অপ্রতিরোধ্য ক্ষমতা দেবে। ভবিষ্যতে রাফাল স্কোয়্যাড্রনে একটি দেশীয় অ্যান্টি-রেডিয়েশন ক্ষেপণাস্ত্রও যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। নিঃসন্দেহে, ভারতীয় উপমহাদেশের আকাশে ভারতের আধিপত্য বজায় রাখার এটি এক সুদূরপ্রসারী কৌশল।