SIR: জ্ঞানেশ ভারতীর নেতৃত্বে রাজ্যে আজ কমিশনের টিম, রাজারহাট-গোপালপুর-নিউটাউন নিয়ে আলাদা বৈঠক – Bengali News | Sir Commission team led by Gyanesh Bharti in the state today, separate meeting on Rajarhat Gopalpur Newtown
রাজ্যে কমিশনের বিশেষ টিমImage Credit: TV9 Bangla
কলকাতা: রাজ্যে জোর কদমে SIR-এর প্রস্তুতি নির্বাচন কমিশনের। SIR এর কাজ খতিয়ে দেখতে বাংলায় নির্বাচন কমিশনের বিশেষ টিম। কমিশনের এই বিশেষ দলের নেতৃত্বে ডেপুটি নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ ভারতী। বুধবার CEOকে সঙ্গে নিয়ে দক্ষিণবঙ্গের সব জেলাশাসক, অতিরিক্ত জেলাশাসক ও অনান্য প্রশাসনিক আধিকারিকদের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠক রয়েছে তাঁদের।
ইতিমধ্যেই একটি বৈঠক শুরু হয়ে দিয়েছে। যেখানে সমস্ত প্রশাসনিক আধিকারিকরা রয়েছেন। যেহেতু সম্প্রতি উত্তরবঙ্গে এখন চরম বিপর্যয়। তাই আপাতত উত্তরবঙ্গকে বাদ রেখে বাকি সমস্ত জেলার জেলাশাসকদের সঙ্গে এই মুহূর্তে বৈঠক করছেন টিমের সদস্যরা।
এই বৈঠক শেষেই টিমের সদস্যরা চলে যাবেন রাজারহাট-গোপালপুরে। একেবারে বুথ স্তরের সকলের সঙ্গে, মূলত বিএলও-দের সঙ্গে বৈঠক করবেন। কারণ এই বিএলও-দের ভূমিকা নিয়েই সবচেয়ে বেশি প্রশ্ন তুলেছেন বিরোধীরা। সেক্ষেত্রে সরকারি কর্মীদের দিয়েই কি বিএলও-রা কাজ করবেন? বাকিরা কাজ করবেন না? সেই বিষয়টি নিয়েই আলোচনা করবে। এদিকে, রাজারহাট-গোপালপুরের ERO-কে নিয়েও ইতিমধ্যেই অভিযোগ করেছে কমিশন। সেই বিষয়টিও খতিয়ে দেখতে যাবে এই টিম। তারপর সেখান থেকে যাবে বারাসত।
আগামিকাল অর্থাৎ বৃহস্পতিবারও বৈঠক করবে এই টিম। মূলত তিনটি জেলা, পূর্ব মেদিনীপুর, বাঁকুড়া ও ঝাড়গ্রামের জেলাশাসকদের জেলাশাসক, অতিরিক্ত জেলাশাসক, ERO, AERO-দের সঙ্গে বৈঠক করবেন টিমের সদস্যরা। অত্য়ন্ত তাৎপর্যপূর্ণ, বাঁকুড়া। কারণ এই জেলায় ২০০২-এর ভোটার তালিকার সঙ্গে ২০২৫ সালের ভোটার তালিকায় বিস্তর ফারাক রয়েছে। অর্থাৎ, যাঁদের ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম ছিল, তাঁদের অনেকেই ২০২৫ সালের ভোটার তালিকায় নাম খুঁজে পাচ্ছেন না। এরকম একাধিক জেলার ক্ষেত্রে এই অভিযোগ উঠলেও, বাঁকুড়ার ক্ষেত্রে এই সংখ্যাটা অত্যন্ত বেশি। যে রিজিয়নগুলোতে বেশি অভিযোগ উঠছে, তাতেই সব থেকে বেশি নজর দিচ্ছে টিম।
এই নিয়ে বিজেপি নেতা জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “২০১১-২০১৫ সাল পর্যন্ত ভোটার তালিকা খতিয়ে দেখলে রাজারহাট নিউটাউনে সব চেয়ে বেশি ভোটার বেড়েছে, ৭৪ হাজার ভোটার বেড়েছে। অভিযোগ উঠছে, এই রাজারহাট গোপালপুরেই সবচেয়ে বেশি বাংলাদেশি, রোহিঙ্গার বাস। এখানে জনসংখ্যা যত হওয়া উচিত, তার থেকে আধার কার্ডের সংখ্যা সবথেকে বেশি। ধরুন ১০০ জনের বাস হলে, ১৫০ জন আধার কার্ড পাওয়া যাচ্ছে। স্বাভাবিকভাবেই এগুলো খতিয়ে দেখবে টিম।”