Kultali: আচমকা বিদ্যুৎ চলে গেল, দোকানে ঢুকে পরপর গুলি, শোরগোল কুলতলিতে – Bengali News | One injured in bombing and firing in Kultali
কী বলছেন প্রত্যক্ষদর্শী?Image Credit: TV9 Bangla
কুলতলি: দোকানে ছিলেন। আচমকা বিদ্যুৎ চলে যায়। অন্ধকারে এক চা বিক্রেতাকে লক্ষ্য করে চার রাউন্ড গুলি চালানো হল। ছোড়া হল বোমাও। গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর জখম হয়েছেন সেলিম খান নামে ওই চা বিক্রেতা। ঘটনাটি দক্ষিণ ২৪ পরগনার কুলতলির। তৃণমূলের দাবি, আক্রান্ত ব্যক্তি তাদের দলের সক্রিয় কর্মী। এখনও কেউ ধরা পড়েনি। ঘটনাকে কেন্দ্র করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে এলাকায়।
কুলতলি থানার বৃন্দাবনের খেয়া ঘাটে সেলিম খানের চা দোকান রয়েছে। রবিবার রাতে সেখানে দোকানদারি করার সময় আচমকাই বিদ্যুৎ চলে যায়। সেই সুযোগে দুষ্কৃতীরা সেলিমের উপর হামলা চালায়। চার রাউন্ড গুলি চালায় ও তিনটি বোমা ছোড়ে। গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য জামতলায় জয়নগর-কুলতলি গ্রামীণ হাসপাতালে আনা হয়। শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকায় দ্রুত তাঁকে কলকাতার হাসপাতালে স্থানান্তরিত করে দেওয়া হয়। এদিকে ঘটনার খবর পেয়ে এলাকায় যায় কুলতলি থানার পুলিশ।
ওই দোকানে ছিলেন সেলিমের আত্মীয় পিয়ার গাজি। তিনি বলেন, “সেলিম ও আমি দোকানে ছিলাম। আচমকা কারেন্ট চলে যায়। আমি একটু বাড়ির ভিতরে গিয়েছিলাম। হঠাৎ শব্দ শুনতে পাই। ছুটে আসি। সেলিম বাবারে বলে একবার শব্দ করে। চারটে গুলি চালিয়েছিল। দুটো গুলি লাগে।” তিনি কাউকে চিনতে পারেননি জানিয়ে পিয়ার গাজি বলেন, “অন্ধকার ছিল। কাউকে ঠিকমতো দেখতে পাইনি।”
সেলিমকে নিজেদের দলের সক্রিয় কর্মী বলে দাবি করে জালাবেড়িয়া ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল প্রধান অসীম হালদার বলেন, “উনি তৃণমূলের সক্রিয় কর্মী। কেন তাঁকে গুলি করা হল, আমরা বুঝতে পারছি না। প্রশাসন তদন্ত করে দেখুক। আমরা তাঁকে এখন কলকাতায় পাঠাচ্ছি। তাঁর অবস্থা খুবই খারাপ।” ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।