Bhangar: নওশাদ ‘ঘনিষ্ঠ’ নেতার বিরুদ্ধে তোলা আদায়ের অভিযোগ – Bengali News | Bhangar: Accusations of extortion against naushad siddiqui ‘close’ leader
অভিযুক্তের সঙ্গে নওশাদ সিদ্দিকের ছবিImage Credit: TV9 Bangla
দক্ষিণ ২৪ পরগনা: এবার এক আইএসএফ নেতার বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগ প্রকাশ্যে এল ভাঙড়ে। ভাঙড়ের পাগলাহাটে একটি দোকান রিপিয়ারিংয়ের পারমিশন করিয়ে দেওয়ার নাম করে টাকা নেওয়ার অভিযোগ। অভিযোগ ভাঙড় ১ এর আইএসএফ নেতা রাহুল মোল্লার বিরুদ্ধে। কলকাতা পুলিশের চন্দনেশ্বর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
রাহুল ভাঙড়ের বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকীর ঘনিষ্ঠ হিসাবে পরিচিত। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে খবর, ভাঙড়ের চালতাবেড়িয়া এলাকার বাসিন্দা তানবির মল্লিক পাগলাহাটে তার দোকান রিপিয়ারিংয়ের প্রয়োজন ছিল। পুলিশের অনুমতি পাওয়ার জন্য এলাকার আইএসএফ নেতা রাহুল মোল্লার সঙ্গে যোগাযোগ হয়। রাহুল পুলিশের পারমিশন করিয়ে দেওয়ার জন্য তানবীরের থেকে টাকাও নেয়। তাঁর দাবি, টাকা যে নিয়েছে তার প্রমাণও মেলে ও ফোনের হিস্ট্রিতে রয়েছে। তানবিরের বক্তব্য, “ও তো পুলিশের নাম করে আমার কাছ থেকে টাকা নিয়েছে। কিন্তু সেই টাকা ওদের কাছে পৌঁছয়নি। এখন আর আমার ফোনও তুলছে না। নওশাদ সিদ্দিকি আমাদের এলাকায় ভাইজান বলেই পরিচিত। তাঁর কাছে আমার আবেদন, তাঁর দলের যে লোকগুলো এভাবে মানুষকে বিভ্রান্ত করছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করুন।”
এমনকি রাহুল ও তানবিরের কথপোকথনের অডিয়ো বেশ কিছু সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল। টাকার অঙ্ক কম হলেও সুযোগ নষ্ট করতে নারাজ রাজনৈতিক নেতারা।সমালোচনার মঞ্চে নামেন ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক শওকত মোল্লা। তিনি বলেন, “রাহুল একজন মস্ত সমাজবিরোধী নেতা। ওর নামে কতগুলো খুনের কেস আছে ঠিক নেই। এদেরকে নওশাদ সিদ্দিকদের হাতে রাখতেই হবে। কারণ এদের থেকে তোলা না তুললে প্রতিদিন ২৭ হাজার টাকা পোড়বে কীভাবে ও।” অন্যদিকে অভিযুক্ত আইএসএফ নেতা তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
আইএসএফ জেলা সভাপতি মালেক মোল্লা বলেন, “অভিযোগ ভিত্তিহীন, তবুও আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখবো।। পুলিশকে নিরপেক্ষ তদন্ত করার জন্য অনুরোধ করব।” যদিও এই নিয়ে নওশাদ সিদ্দিকির কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।