Recruitment Scam: সিবিআইয়ের চোখে ‘দাগি’ শিক্ষক অঙ্কিতা, আদালতে বললেন, ‘আমরা নির্দোষ…’! শুরু বিচারপ্রক্রিয়া – Bengali News | Paresh and Ankita Adhikari Move Court Seeking Discharge from Recruitment Scam Case
দাগি অঙ্কিতা অধিকারীImage Credit: নিজস্ব চিত্র
কলকাতা: দাগি তালিকায় জ্বলজ্বল করছিল তার নাম। তাও তিনি নাকি ‘নির্দোষ’। আদালতে পরেশ অধিকারী ও তার কন্যা অঙ্কিতা অধিকারীর মুখে শোনা গেল এই কথাটাই। বৃহস্পতিবার এই প্রথমবার সিবিআইয়ের কোনও মামলায় চার্জ গঠন করা হল। এদিন আলিপুরে সিবিআইয়ের বিশেষ আদালতে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়-সহ মোট ২১ জনের বিরুদ্ধে এই চার্জ গঠন করলেন বিচারক বিশ্বরূপ শেঠ। সেই চার্জে নাম রয়েছে প্রাক্তন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পরেশ অধিকারী ও তার কন্যা অঙ্কিতা অধিকারীরও। শীঘ্রই শুরু হবে বিচারপ্রক্রিয়া।
ওএমআর শিটে ‘প্রভাব খাটানো’ বা ‘ম্যানিপুুলেশনের’ অভিযোগ তাদের বিরুদ্ধে। কিন্তু বাবা-মেয়ের দাবি, তারা নির্দোষ। সম্পূর্ণ ভাবে নির্দোষ। এও সম্ভব? সেই প্রশ্নই তুলছেন একাংশ। কারণ, একদিকে একাদশ-দ্বাদশ নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সিবিআইয়ের পেশ করা চার্জশিটে রয়েছেন এই অভিযুক্ত বাবা-মেয়ে। দিন কতক আগে আত্মসমর্পণও করেছেন। আর অন্য়দিকে, সম্প্রতি প্রকাশিত এসএসসি-র দাগির তালিকাতেও রয়েছেন অঙ্কিতা। কিন্তু তারপরেও সিবিআইয়ের চোখে ‘অভিযুক্ত’ অঙ্কিতা আদালতে নিজেকে দাবি করলেন ‘নির্দোষ’ হিসাবে।
প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালে এসএসসি দিয়ে একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণিতে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে শিক্ষকতার চাকরি পেয়েছিলেন অঙ্কিতা। পরবর্তী সেই চাকরির বৈধতা নিয়ে তৈরি হওয়া প্রশ্ন বাংলায় প্রকাশ্য়ে এনেছিল শিক্ষায় দুর্নীতির জাল। অঙ্কিতার বিরুদ্ধে মামলা করে সেই চাকরি পেয়েছিলেন ববিতা সরকার নামে আরও এক চাকরিপ্রার্থী। কিন্তু ওই একটি পদ ঘিরে যেন জমে রয়েছে ‘কালো-ছায়া’। নম্বরের মূল্যায়ন ভ্রান্ত বলে অভিযোগ তুলে, ওই চাকরি পান অনামিকা রায় নামে অন্য আরেক চাকরিপ্রার্থী। কিন্তু তার চাকরিও এখন আর নেই। কারণ, গতবছর সুপ্রিম রায়ে বাতিল হয়েছে ২০১৬ সালের গোটা প্যানেল। চাকরি হারিয়েছেন অনামিকাও।