নিউটাউনের পর আনন্দপুর, পটনার সরকারি হাসপাতালে গ্যাংস্টার খুনে আরও ৫ গ্রেফতার বাংলায়, বাংলার মুখ - 24 Ghanta Bangla News
Home

নিউটাউনের পর আনন্দপুর, পটনার সরকারি হাসপাতালে গ্যাংস্টার খুনে আরও ৫ গ্রেফতার বাংলায়, বাংলার মুখ

Spread the love

সম্প্রতি পটনার এক সরকারি হাসপাতালের আইসিইউতে ঢুকে এক দুষ্কৃতীকে গুলি করে খুন করা হয়েছিল। সেই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত বেশ কয়েকজনকে ১৯ জুলাই নিউ টাউন থেকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। ১৯ জুলাই সকালে এই হত্যাকাণ্ডর সঙ্গে জড়িত সন্দেহে পাঁচ অভিযুক্তকে ধরেছিল পুলিশ। আর ১৯ জুলাই রাতেই দক্ষিণ কলকাতার আনন্দপুর এলাকা থেকে এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত আরও ৫ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এই আবহে এই মামলায় মোট ধৃতের সংখ্যা বেড়ে ১১ হয়েছে। মূল অভিযুক্ত তৌসিফ রাজাকে আগেই পাটনা থেকে ধরা হয়েছিল। আর বাংলা থেকে ধরা পড়ল আরও ১০। (আরও পড়ুন: IIM ধর্ষণ কাণ্ডে নয়া মোড়, ধোঁয়াশা বাড়ছে অভিযোগ ঘিরে, জামিন অভিযুক্তের)

প্রসঙ্গত, গত ১৭ জুলাই সকালে পাটনার হাসপাতালে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ভেঙে ঢুকে পড়ে একাধিক দুষ্কৃতী। সরাসরি আইসিইউতে গিয়ে গুলি চালায় তারা। নিহত হয় চন্দন মিশ্র নামের এক অপরাধী। তার বিরুদ্ধে খুন-সহ প্রায় ২৪টি ফৌজদারি মামলা ছিল। কিছুদিন আগেই প্যারোলে ছাড়া পেয়ে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল সে। ঘটনার সময় হাসপাতালের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, ৬ জনের একটি দল বাইকে এসে হাসপাতাল চত্বরে নামে। তার মধ্যে পাঁচ জন সরাসরি ভিতরে ঢুকে পড়ে, আর একজন বাইরে অপেক্ষা করে। গুলি চালিয়ে চন্দনকে খুন করার পর দুষ্কৃতীরা আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে রোগীদের মধ্যে। সেই ছুটোছুটির মাঝে দুষ্কৃতীরা পালায় সেখান থেকে।

পটনা হত্যাকাণ্ডের তদন্ত করতে গিয়ে বিহার এসটিএফ জানতে পারে, আনন্দপুরে সন্দেহভাজনদের গাড়ি একটি ওষুধের দোকানের সামনে দাঁড়িয়েছিল। সেই গাড়িতে ছিল পাঁচ অভিযুক্ত। পরে গাড়িটি সেখান থেকে আর নড়েনি। সেই ওষুধের দোকানের বিপরীতেই একটি গেস্টহাউজ ছিল। এই আবহে পুলিশের সন্দেহ হয়, সেই গেস্টহাউজেই হয়ত গা ঢাকা দিয়েছে অভিযুক্তরা। এরপর আনন্দপুর থানার সঙ্গে যোগাযোগ করে এসটিএফ। থানা থেকে গেস্টহাউজের মালিকের কাছে খবর যায়। তিনি সন্ধ্যা নাগাদ থানায় পৌঁছে যান। তাঁর থেকে গেস্টহাউজের অতিথিদের তথ্য নেয় পুলিশ। পরে রাতে অভিযান চালিয়ে ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়। জানা গিয়েছে, গত ১৮ জুলাই থেকে সেই গেস্টহাউজের চারতলার একটি রুম ভাড়া করে ছিল দুষ্কৃতীরা।

এর আগে ১৯ জুলাই নিউটাউনের এক আবাসন থেকে পাঁচজন দুষ্কৃতীকে গ্রেফতার করেছিল এসটিএফ। পুরুলিয়া জেলে বন্দি থাকা শেরুর থেকে খবর পেয়েই এই অভিযুক্তদের ধরেছিল পুলিশ। তদন্তকারীদের দাবি, এই শেরুর দেওয়া সুপারিতেই চন্দনকে খুন করেছিল এই দুষ্কৃতীরা। নিহত চন্দন মেডিক্যাল প্যারোলে জেলের বাইরে ছিল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *