Supreme Court: উধাও চন্দননগরের রুশ-পুত্রবধূ! ভিক্টোরিয়ার খোঁজে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রককে বড় নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের – Bengali News | Supreme court asks home ministry and MEA to release lookout notice for Russian woman victoria who married in a family of Chandannagar
নয়া দিল্লি: চন্দননগরের পুত্রবধূ ভিক্টোরিয়ার খোঁজে এবার কড়া নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের। সন্তানকে নিয়ে রাশিয়ায় চলে যাওয়ার চেষ্টা করছেন, এমনই অভিযোগ উঠেছে ওই রুশ মহিলার বিরুদ্ধে। তাঁর স্বামী সৈকত বসুর দাবি, চরবৃত্তি করে বা অন্য কোনও উদ্দেশ্য নিয়ে ভারতে এসেছিলেন ভিক্টোরিয়া। ছেলেকে চূড়ান্ত অত্যাচার ও অবহেলা করতেন বলেও অভিযোগ ওঠে। নতুন করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে বসু পরিবার।
বৃহস্পতিবার অভিযুক্ত ভিক্টোরিয়া ঝিঙ্গালিনা (বসু)-র বিরুদ্ধে লুক আউট নোটিস জারি করার নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। অবিলম্বে রাশিয়ান নাগরিক ভিক্টোরিয়া ও পাঁচ বছরের শিশুকে খুঁজে বের করতে হবে বলে নির্দেশ দেওয়া হল দিল্লির পুলিশ কমিশনারকে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক ও বিদেশমন্ত্রককেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে অভিযুক্ত দেশ ছেড়ে পালাতে না পারে, তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করতে হবে।
শিশুকে খুঁজে বের করে তার বাবা সৈকত বসুর কাছে হস্তান্তর করার নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত। এছাড়াও, অবিলম্বে রাশিয়ান নাগরিক ভিক্টোরিয়া বসুর পাসপোর্ট বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রককে। একইসঙ্গে রাশিয়ান দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করা নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বিদেশ মন্ত্রককে। সৈকতের আইনজীবী সৌম্য চক্রবর্তী বলেন, ‘এটা একটা নজিরবিহীন নির্দেশ।’
সৈকত বসুর দাবি, গত ৪ জুলাই শেষবার ভিক্টোরিয়াকে রাশিয়ান দূতাবাসের এক আধিকারিকের সঙ্গে দিল্লির রাশিয়ান দূতাবাসে প্রবেশ করতে দেখা গিয়েছিল।
সেই দূতাবাস আধিকারিকের বাড়ির ভিতরে ঢুকে যাতে তল্লাশি করা হয়, বিদেশ মন্ত্রককে সেই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আইনজীবী আরও জানান, রাশিয়ান দূতাবাস ভারতীয় আইনের প্রতি সম্মান জানিয়ে যাতে সবরকম সহযোগিতা করে, সে কথাও বলেছে সুপ্রিম কোর্ট।
একইসঙ্গে দেশের সমস্ত আন্তর্জাতিক এয়ারপোর্টে ইমিগ্রেশন বিভাগে অভিযুক্তের নামে লুক আউট নোটিশ জারি করা নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কোনওভাবেই যাতে ভিক্টোরিয়া দেশের বাইরে চলে যেতে পারে, তেমনটাই নির্দেশ শীর্ষ আদালতের।
উল্লেখ্য, ২০২০ সালে ভিক্টোরিয়ার সঙ্গে বিয়ে হয় চন্দননগরের বাসিন্দা সৈকত বসুর। তাঁর বাবা একজন অবসরপ্রাপ্ত নেভি অফিসার। অন্যদিকে, সৈকতের দাবি, তিনি বিয়ের পর জানতে পারেন ভিক্টোরিয়ার বাবা রাশিয়ার গুপ্তচর সংস্থার প্রাক্তন কর্মী। শুধু তাই নয়, ভিক্টোরিয়া চন্দননগরে আসার পর থেকে বারবার ফোর্ট উইলিয়ামে নিয়ে যাওয়ার জন্য চাপ দিতেন বলে অভিযোগ। ছেলের উপর অত্যাচার করার অভিযোগও উঠেছে, তাঁর বিরুদ্ধে।