সন্দেশখালিতে নাবালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগ বান্ধবীর বাবার বিরুদ্ধে, পলাতক ISF কর্মী - 24 Ghanta Bangla News
Home

সন্দেশখালিতে নাবালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগ বান্ধবীর বাবার বিরুদ্ধে, পলাতক ISF কর্মী

Spread the love

কসবা গণধর্ষণ-কাণ্ডে উত্তাল রাজ্য। সেই আবহে এবার নাবালিকা ধর্ষণের অভিযোগ উঠল। আর ঘটনাস্থল হল উত্তর ২৪ পরগনার সন্দেশখালি। বান্ধবীর বাবার হাতে যৌন নির্যাতনের শিকার হতে হল এক নাবালিকাকে। বর্তমানে মেয়েটি গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।

আরও পড়ুন: এরা পেশাদারি ধর্ষক, কসবা গণধর্ষণ স্টেট স্পনসর্ড, বললেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, নির্যাতিতা ন্যাজাট থানার অন্তর্গত আগারআটি গ্রামে মামার বাড়িতে থাকে। তার বাবা-মা কর্মসূত্রে বাইরে থাকেন। অভিযোগ, রবিবার দুপুরে মেয়েটিকে এলাকার এক নির্জন জায়গায় ডেকে নিয়ে যায় তার বান্ধবীর বাবা। সেখানেই নাবালিকাকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ। পাশ দিয়ে যাওয়া কয়েকজন মহিলা মেয়েটির আর্তনাদ শুনতে পেয়ে ছুটে আসেন। তাঁরা মেয়েটিকে উদ্ধার করেন। যদিও অভিযুক্ত বুঝতে পেরে চম্পট দেয়। তাকে এখনও ধরতে পারেনি পুলিশ।

জানা যাচ্ছে, স্থানীয়রাই মেয়েটিকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তার চিকিৎসা চলছে। পরিবারের তরফে জানানো হয়েছে, অভিযুক্ত ব্যক্তি এর আগেও এমন ঘটনার সঙ্গে যুক্ত ছিল। কিন্তু ভয় দেখিয়ে বারবার মেয়েটিকে চুপ করিয়ে রাখা হয়েছিল। পরিবারের তরফে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে ন্যাজাট থানায়। থানার ওসি ভরত প্রসূন পুরকাইত জানান, অভিযোগ পাওয়ার পরই তদন্ত শুরু হয়েছে। অভিযুক্তের খোঁজে তল্লাশি চলছে। ছবি ও পরিচয় বিভিন্ন জায়গায় পাঠানো হয়েছে। খুব শিগগিরই তাকে গ্রেফতার করা হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।

এদিকে ঘটনায় রাজনৈতিক তরজাও শুরু হয়েছে। স্থানীয়দের একাংশের দাবি, অভিযুক্ত ব্যক্তি আইএসএফ-এর সমর্থক। এই প্রসঙ্গে তৃণমূলের স্থানীয় নেতৃত্বের বক্তব্য, ঘটনাটি ভীষণ লজ্জাজনক। দোষীর কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। মেয়েটি দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠুক। অন্যদিকে, আইএসএফ-এর বসিরহাট জেলার যুগ্ম সম্পাদক মুসা করিম এই অভিযোগ মানতে নারাজ। তাঁর কথায়, তৃণমূল এখানে মাটির তলায়। আইএসএফের নাম বদনাম করার চেষ্টা চলছে। এই ঘটনার সঙ্গে আইএসএফের কোনও যোগ নেই। পুলিশ এখন অভিযুক্তের খোঁজে তৎপর। পাশাপাশি, এই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও দোষীর দ্রুত শাস্তির দাবি তুলছে এলাকাবাসী।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *