Digha Toto Driver: দিঘায় খেল দেখাচ্ছে টোটোর দল, আপনাকে হোটেল খুঁজে দিলে কত কমিশন পায় জানেন? - Bengali News | How much commission do Toto drivers charge if they find you a hotel in Digha - 24 Ghanta Bangla News
Home

Digha Toto Driver: দিঘায় খেল দেখাচ্ছে টোটোর দল, আপনাকে হোটেল খুঁজে দিলে কত কমিশন পায় জানেন? – Bengali News | How much commission do Toto drivers charge if they find you a hotel in Digha

Spread the love

দিঘা: হাতে আর ক’টা দিন! মন্দির উদ্বোধনের পর প্রথমবারের দিঘায় মতো মহাসমারোহে হতে চলেছে রথযাত্রার উদযাপন। তাও আবার পড়েছে সপ্তাহান্তে। ফলে দিঘায় আগত ভক্তদের সঙ্গে সাধারণ পর্যটকদের ভিড়ও বাড়ছে হু হু করে। প্রশাসনের কর্তাদের বড় অংশ মনে করছেন, রথাযাত্রার পুণ্যলগ্নে দিঘায় আগত ভক্তদের সংখ্যা ২ লাখ ছাপিয়ে যেতে পারে। আর এখানেই মাথা ব্যথা বাড়ছে হোটেলে জায়গা নিয়ে। বেশ কিছুদিন ধরেই উঠেছে একাধিক অভিযোগ। পর্যটকদের বড় অংশ দাবি করেছেন, সুযোগ পেয়ে চড়া দাম হাঁকাচ্ছে একশ্রেণির হোটেল। আগাম বুকিং করলেও বাড়তি টাকা না দেওয়ায় তাঁদের ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। রথের সময়েও একই ছবি দেখা যাবে না তো? এই অবস্থার চিন্তা বাড়াচ্ছে ব্রোকার দৌরাত্ম্য। 

দিঘা স্টেশনে নামলেই টোটোর ভিড়টা কমবেশি সকলেরই চেনা। ট্রেন ঢুকলেই এক্কেবারে পুরীর পান্ডাদের মতো দৌড়াদৌড়ি করতে দেখা যায় টোটো চালকদের। একটাই কথা, ‘দাদা আমার টায় আসুন, ৫টা হোটেল ঘুরিয়ে দেখাব।’ কেউ আবার বলছেন, ৫টা নয়, ১০টা হোটেল ঘুরিয়ে দেখাব। আর এখানেই লুকিয়ে আসল রহস্য। স্থানীয় সূত্রে খবর, এই টোটো চালকদের সঙ্গেই ‘বোঝাপড়া’ রয়েছে নামী-বেনামী একাধিক হোটেলের। কমিশনের অঙ্কটা ১০ শতাংশ থেকে আবার ৩০ শতাংশের মধ্যে। ভিড়ে ঠাসা দিঘায় এখন তাঁদেরই যেন রমরমা বাজার। 

হোটেল মালিকদের একাংশ বলছেন, ভাড়া পেতে ওরা ছাড়া আমাদের তো উপায়ও নেই। পকেট থেকে টাকা গেলেও ওরাই ভরসা। কিন্তু কেন? সিংহভাগ পর্যটকই দিঘায় বেড়াতে গেলে মূলত সৈকতের কাছাকাছি হোটেলেই থাকতে পছন্দ করেন। আর তারফলে আক্ষেপ বাড়তে থাকে তুলনামূলকভাবে পিছনের দিকে হোটেলগুলির। সে কারণেই ভরসা টোটো চালকের দল। 

সূত্রের খবর, সদ্য ৩০ থেকে ৪০টি হোটেলের বিরুদ্ধে উঠেছে বাড়তি ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ। অভিযোগ এসেছে দিঘা-শঙ্করপুর উন্নয়ন পর্ষদ ও দিঘা মোহনা থানায়। তারপরই তৎপর হয়েছে প্রশাসন। কোনওভাবে এটা বরদাস্ত করা যাবে না, তা জানিয়ে দেওয়া হয়েছে হোটেল মালিকদের সংগঠনগুলিকে। যদিও তারপরেও উদ্বেগ কাটছে না পর্যটকদের। এক পর্যটক তো বলছেন, আগাম বুকিং করে রেখেছি। যাব রথযাত্রার দিন দেখি কী হয়। আর একজন বলছেন, অনলাইনে বুকিং করতে গিয়েও ঘর পাইনি। গিয়ে যা ভাগ্যে আছে দেখা যাবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *