Rani Birla Girls College: গভর্নিং বডির ভোট বিজ্ঞপ্তি ঘিরে তুমুল ঝামেলা! শাসক নেতার হুমকির 'চোটে' হাসপাতালে অধ্যক্ষ - Bengali News | Huge uproar over governing body's vote notification, Rani Birla Girls College principal admitted to hospital - 24 Ghanta Bangla News
Home

Rani Birla Girls College: গভর্নিং বডির ভোট বিজ্ঞপ্তি ঘিরে তুমুল ঝামেলা! শাসক নেতার হুমকির ‘চোটে’ হাসপাতালে অধ্যক্ষ – Bengali News | Huge uproar over governing body’s vote notification, Rani Birla Girls College principal admitted to hospital

Spread the love

বামদিকে অধ্যক্ষ শ্রাবন্তী ভট্টাচার্য, ডান দিকে অধ্যাপক মানস কবীর Image Credit source: TV 9 Bangla

কলকাতা: শাসক নেতার হুমকির ‘চোটে’ হাসপাতালে অধ্যক্ষ! তা ঘিরেই তুমুল ঝামেলা রানি বিড়লা গার্লস কলেজে। পরিচালন সমিতির ভোট ঘিরে চরম নৈরাজ্য ক্যাম্পাসে। গভর্নিং বডির ভোট বিজ্ঞপ্তি জারি নিয়ে বুধবার কলেজে তুমুল ঝামেলা শুরু হয়ে যায়। ভোট বিজ্ঞপ্তি প্রত্যাহারে অধ্যক্ষা শ্রাবন্তী ভট্টাচার্যের উপরে ‘মানসিক চাপ’ তৈরির অভিযোগ তৃণমূল প্রভাবিত কলেজ অধ্যক্ষদের সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মানস কবীরের বিরুদ্ধে। 

অধ্যক্ষ শ্রাবন্তী ভট্টাচার্যের দাবি, মানস কবির বাক্যবাণের জেরে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। এই মুহূর্তে পঞ্চসায়রের বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অধ্যক্ষা। অধ্যক্ষা শিবিরের বক্তব্য, রানি বিড়লা গার্লস কলেজের হিন্দির অধ্যাপক মন্টু দাসকে পরিচালন সমিতির সদস্য করা নিয়েই গণ্ডগোলের সূত্রপাত। শ্রাবন্তী ভট্টাচার্য বলছেন, “ওনাকে ঢোকানোর জন্য আমাকে চাপ দেওয়া হয়েছিল। মানসিকভাবে চাপ তৈরি করা হয়েছিল। খুবই উত্তেজিত করা হয়েছিল। তারপরই আমি অসুস্থ হয়ে পড়ি। হাসপাতালেও ভর্তি করতে হয়।” 

অধ্যক্ষা শিবির জানিয়েছেন, মন্টু দাসের বিরুদ্ধে ভুয়ো এসসি সার্টিফিকেট দাখিল করে চাকরি হাতানোর অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগের নিষ্পত্তি হ‌ওয়ার আগেই মন্টু দাসকে জিবি’র সদস্য করার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছিল। আর সেই কারণেই পরিচালন সমিতির ইলেকশন না করে সিলেকশনের জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছিল বলে অভিযোগ। তাতে রাজি না হয়ে অধ্যক্ষা বুধবার পরিচালন সমিতির ভোট বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করার পর‌ই বুধবার কলেজের পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরিস্থিতি এমন জায়গায় যায় যে অধ্যক্ষকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়।  

ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন কলেজের অধ্যাপিকা শর্মিলা পাল। তিনি বলছেন, “আগেও প্রিন্সিপাল ম্য়াডামকে এই ধরনের চাপ দেওয়া হয়েছিল। কাল পরিস্থিতি বেশ উত্তপ্ত হয়ে পড়ে। তবে বন্ধ ঘরের ভিতর কী কথা হয়েছে আমরা শুনতে পাইনি। কিন্তু খুবই চিৎকার-চেঁচামেঁচি হয়েছিল। তারপরই উনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। কিন্তু, আমরা সবাই চাই ইলেকশনটা হোক।”  

অন্যদিকে ধ্যক্ষদের সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মানস কবীর বলছেন, “উনি দীর্ঘদিন ধরে অনেক কিছুই বলে যাচ্ছেন। উনি এই কলেজে জিবি চান না। উনি টিচারদের হুমকি দিয়েছেন। মন্টু দাসের সার্টিফিকেট কী হয়েছে সেটা মন্টু দাস বুঝবেন। তার দায় আমার নয়। এ ঘটনায় আমরা অত্যন্ত হতাশ। এটা সমাজের লজ্জা।”  

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *