Operation Sindoor: এখানেই নাকি মাসুদ-হাফিজদের বাস! আর কোন ফ্যাক্টরে বাহওয়ালপুর ও কোটলিকে ‘নিশানায়’ আনল সেনা? – Bengali News | Why was Bahawalpur and Kotli targeted in Wednesday India Strike on PoK
বাঁদিকে মাসুদ আজহার, ডান দিকে হাফিজ সইদImage Credit source: X
নয়াদিল্লি: বুধবার মধ্য়রাতে মোট দু’টি জায়গায় প্রত্যাঘাত করেছে ভারত। একটি পাক নিয়ন্ত্রণাধীন আজ়াদ কাশ্মীরের কোটলি, অন্যটি পাকিস্তানের পঞ্জাব প্রদেশের বাহওয়ালপুর।
কিন্তু বেছে এই দু’টি জায়গাতেই কেন আঘাত আনল নয়াদিল্লি। কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে হওয়া জঙ্গি হামলার সঙ্গে কী যোগ রয়েছে এই দুই এলাকার? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কাশ্মীরে যে জঙ্গি নাশকতা সূত্রপাত, তা এই এলাকা থেকেই। ভারতের সীমানা সংলগ্ন হওয়ায় প্রতি মুহূর্তে এই এলাকাগুলিকেই ব্যবহার অনুপ্রবেশ চালিয়েছে জঙ্গিরা। তবে সীমানার থেকে এই অঞ্চলের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে আরও বড় ইতিহাস।
বাহওয়ালপুর
পাকিস্তানের দক্ষিণ পঞ্জাবের এই এলাকা বুধের প্রত্যাঘাতের অন্যতম ‘টার্গেট’। বলা হয়, এখানেই নাকি রয়েছে জঙ্গি গোষ্ঠী জইশ-ই-মহম্মদের মূল ডেরা। যারা ২০০১ সালে ভারতের সংসদে আক্রমণ ও ২০১৯ সালে পুলওয়ামা হামলার মূল চক্রী। এই গোষ্ঠীর মাথায় রয়েছে মাসুদ আজহার। বিশ্বের মোস্ট ওয়াটেড অপরাধীদের মধ্যে তিনি অন্যতম। মাঝে মধ্যেই বাহওয়ালপুরের সদর দফতরে আসতেন তিনি। এমনকি, এই বাহওয়ালপুরেই জন্ম মাসুদের। তবে কি মাসুদকে শেষ করতেই বুধের রাতে হামলা চালাল সেনা? উত্তর এখনও অধরা। তবে ইতিমধ্যে সমাজমাধ্য়মে পাকিস্তানি এক যুবকের ভিডিয়ো ভাইরাল হয়েছে, যেখানে তিনি দাবি করছেন, ‘মাসুদ আজহারের মাদ্রাসায় ভয়াবহ হামলা হয়েছে। পরপর চারটি মিসাইল ফেলা হয়েছে।’
জানা গিয়েছে, বাহওয়ালপুরের জইশ-ই-মহম্মদের সদর দফতরে অদূরেই রয়েছে পাক সেনার ঘাঁটি। কিন্তু তাতে কিছুই যেন যায় আসে না। নিরাপত্তারক্ষীদের নাকের ডগায় জঙ্গি বসে, তারপরেও কোনও ‘অ্যাকশন’ নেয় পাকিস্তান। এরপরেও তারা জাহির করে সন্ত্রাসবাদে তাদের কোনও হাত নেই। সূত্রের খবর, এই বাহওয়ালপুরেই রয়েছে একটি গোপন পারমাণবিক কেন্দ্র।
BIG BREAKING 🇮🇳🇵🇰🚨 Dear world Pakistan’s lies exposed.
Jaish-e-Mohammed founder Maulana Masood Azhar’s ‘madarsa’ was the target of 4 missiles.
Thanks for the confirmation, the missiles were bang on target. 🎯
Don’t get carried away by Pakistani propaganda India hasn’t… pic.twitter.com/7kGttdw6hJ
— Shruti Dhore (@ShrutiDhore) May 7, 2025
কোটলি
সেখানে আবার বাস অন্য জঙ্গি গোষ্ঠীর। নাম লস্কর-ই-তৈবা। যারা আজও বুকে আর্দশ নিয়ে হাফিজ সৈইদের। এই ব্যক্তির ধরেই লস্কর-ই-তৈবার যাত্রা শুরু। ২০০৮ সালের মুম্বই হামলা, সীমান্তে নানা সময় জঙ্গিদের অনুপ্রবেশ। কাশ্মীরকে সন্ত্রাসে ভরিয়ে তোলার নেপথ্যে অন্যতম কারিগর এরা। কিন্তু এই হাফিজ সৈইদ আজ বেঁচে আছেন না মারা গিয়েছেন এটাই একটা বড় রহস্য। ২০২০ সালে তার সাড়ে পাঁচ বছরের জেল হয়েছিল। কিন্তু সূত্রের খবর, সেই কারাবাসে তাকে যেতে হয়নি। তবে সমস্ত তথ্যটাই পেন্ডুলামের মতো পাক খাচ্ছে কল্পনা ও বাস্তবের মাঝে। এবার সেই হাফিজের ডেরাতেই পড়ল ভারতের বাণ। বলে রাখা ভাল, এই দু’টি জায়গা ছাড়াও মাঝ রাস্তায় থাকা আরও কয়েকটি জঙ্গি ঘাঁটি উড়িয়েছে ভারতীয় সেনা। যার মধ্যে একটি ছিল হিজবুল-মুজাহিদিনদের।
