মধ্য রাতে লং ড্রাইভে কাঞ্চন-শ্রীময়ী, মদ্যপান করে গাড়ি চালানো নিয়ে বিস্ফোরক জুটি – Bengali News | Kanchan mallick and sreemoyee chattoraj reaction on thakurpukur case know all details
প্রেম হোক কিংবা অন্য কোনও কারণে সেলিব্রেশন, তা যেন অপর মানুষের শাস্তি না হয়ে ওঠে, এবার সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিয়ো শেয়ার করে এমনই বার্তা দিলেন অভিনেত্রী শ্রীময়ী চট্টোরাজ ও কাঞ্চন মল্লিক। সম্প্রতি ঠাকুরপুকুর কাণ্ডে তোলপাড় গোটা কলকাতা। বেলাগাম রাতপার্টি, মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোর কোপে বলি এক, আহত আরও পাঁচ। এমনই পরিস্থিতিতে সাধারণের কটাক্ষের শিকার ইন্ডাস্ট্রি। আর সেই সিনেপাড়ার একাংশ তাই প্রতিবাদে সামিল। কখনও-ই এটা ইন্ডাস্ট্রির স্বরূপ নয়। সেলিব্রেশন যে অন্যভাবেও করা যায় এবার রাত দেড়টার সময় সেই প্রসঙ্গ তুললেন শ্রীময়ী।
হয়েছে বিয়ে, মেয়েও বড় হচ্ছে। এর মাঝে দেখতে দেখতে কেটে গিয়েছে একটা বছর। প্রেম করা হয় না অনেকদিন। তাই মাঝ রাতে লং ড্রাইভে কাঞ্চন শ্রীময়ী। উদ্দেশ্য চা-পান। আর সেই সময়ই একটি ভিডিয়ো করলেন নায়িকা। শ্রীময়ীকে বলতে শোনা গেল– “এত রাতে ভিডিয়ো করছি, বাইরে আছি। লং ড্রাইভে এসেছি, না-না আমি গাড়ি চালাচ্ছি না। আমার বর কাঞ্চনও গাড়ি চালাতে পারেন না। আমি গাড়ি চালাতে জানলেও আমরা কেউ গাড়ি চালাচ্ছি না। আমার চালকও মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালাচ্ছেন না। আমরা ড্রিংক করি, চা। আমরা চা পান করি। বিয়ের এক বছর হয়ে গিয়েছে, বন্ধুত্বের ১৪ বছর হয়ে গিয়েছে, মা হয়ে গিয়েছি, তারপরেও আমরা প্রেম করতে বেড়িয়েছি রাত্রিবেলা। এভাবেও রাতের জীবন উদযাপন করা যায়।”
পাশে বসে থাকা কাঞ্চন বললেন, “চা পান করতে যাচ্ছি। চা-চা-চা। চালকের উপর বিশ্বাস রাখতে হবে, ভরসা রাখতে হবে।” শ্রীময়ী সেই কথার প্রসঙ্গে বলেন, “আনন্দ কীভাবে উদযাপন করবেন সেটা নিজের উপর নির্ভর করে। সিস্টেমটা মানুষকে নিজেকে তৈরি করতে হয়, ইচ্ছেটা নিজের থাকে। আমার তো ভাললাগে বৃষ্টি ভেজা রাতে লং ড্রাইভে যেতে, কোনও ধাবায় দাঁড়িয়ে মাটির ভাঁড়ে চা খেতে। চালকের সঙ্গে গল্প করতে করতে যাই। আমাদের জীবনের উদযাপনগুলো কখনও মাদক খেয়ে হয় নয়।” পাশাপাশি তিনি আরও বলেন, “আর অনধিকার চর্চা করেই বলছি, আপনার জীবন যেমন দামি, অন্যের জীবনও দামি। আমরা কে অভিনেতা, অভিনেত্রী, পরিচালক সেটার বাইরে গিয়ে আমরা সবাই মানুষ। শুনবেন, শুনবেন না সেটা আপনাদের ব্যাপার। মদ্যপান করে গাড়ি চালানোটা আমার মনে হয় না কারও উচিত। অন্যের ক্ষতি করে লাভ নেই।”