বোর্ড পরীক্ষার খাতা দেখার সময় কলকাতায় মৃত্যু বাংলা শিক্ষিকার! সম্ভবত হৃদরোগ হয়, বাংলার মুখ - 24 Ghanta Bangla News
Home

বোর্ড পরীক্ষার খাতা দেখার সময় কলকাতায় মৃত্যু বাংলা শিক্ষিকার! সম্ভবত হৃদরোগ হয়, বাংলার মুখ

Spread the love

বোর্ড পরীক্ষার উত্তরপত্র দেখার সময় কলকাতায় মৃত্যু হল বাংলার শিক্ষিকার। সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, সোমবার ভবানীপুর গুজরাটি স্কুলে বসে সম্ভবত হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়ান সার্টিফিকেট এগজামিনেশনের (CISCE) দশম শ্রেণির বোর্ড পরীক্ষা আইসিএসইয়ের বাংলার উত্তরপত্র দেখছিলেন ৫৯ বছরের শিক্ষিকা মুনমুন লাহা। সেইসময় সম্ভবত হৃদরোগে আক্রান্ত হন। তারপর তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও শেষরক্ষা হয়নি। চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। পরিবারের তরফে দাবি করা হয়েছে, হৃদরোগের সমস্যা ছিল শিক্ষিকার। কয়েকদিন ধরে শরীরটাও ভালো যাচ্ছিল না। কিন্তু তারপরও নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে উত্তরপত্র মূল্যায়নের কাজ শেষ করার জন্য ছুটি না নিয়ে শিক্ষিকা স্কুলে গিয়েছিলেন বলে পরিবারের তরফে জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন: Job in WB:প্রাথমিকে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য শিক্ষক নিয়োগের বিধি কী? প্রকাশ্যে বিজ্ঞপ্তি,আবেদন করতে পারবেন কারা!

সকালে আসেন শিক্ষিকা, পরে অস্বস্তি বোধ করতে থাকেন

আর যে ভবানীপুর গুজরাটি স্কুলে শিক্ষিকা উত্তরপত্র মূল্যায়নের কাজে গিয়েছিলেন, সেটা আইসিএসইয়ের পরীক্ষাকেন্দ্র হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। তাই উত্তরপত্র মূল্যায়নের জন্য প্রতিদিন অনেক শিক্ষক-শিক্ষিকা আসেন। তেমনইভাবে সোমবার আসেন বাংলার শিক্ষিকা। কিন্তু সকাল ১০ টা নাগাদ অস্বস্তিবোধ করতে থাকেন। সেই পরিস্থিতিতে তাঁকে আলাদা ঘরে রাখা হয়। নিজের সঙ্গে থাকা ওষুধ খান শিক্ষিকা।

আরও পড়ুন: Career Tips: কাজের সুযোগ প্রচুর! উচ্চমাধ্যমিকের পরে বেছে নিতে পারেন এই ফিল্ড, টিপস শিক্ষকদের

হাসপাতালে যাওয়ার পরে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়

কিন্তু তাতেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়ায় বেলা ১২ টা নাগাদ শিক্ষিকাকে এলগিন রোডের শম্ভুনাথ পণ্ডিত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, শিক্ষিকার সঙ্গে স্কুলের দুই কর্মীকেও পাঠানো হয়। সঙ্গে ছিলেন আরও দুই শিক্ষক। যাঁরা সেইসময় স্কুলে উত্তরপত্র দেখার কাজ করছিলেন। তবে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরে চিকিৎসকরা শিক্ষিকাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

আরও পড়ুন: Partha Chatterjee: অক্সিজেন সাপোর্টে রয়েছেন তাঁর মক্কেল, এবার অন্তত তাঁকে জামিন দিন! আদালতে আর্জি পার্থর আইনজীবীর

শিক্ষিকা জানাতে পারতেন, আক্ষেপ বোর্ড কর্তার

এমনিতে নিয়ম অনুযায়ী, প্রত্যেক শিক্ষককে বাংলার ১৫২-২০০টি উত্তরপত্র মূল্যায়ন করতে হয়। ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, নির্দিষ্ট পরীক্ষাকেন্দ্রে বসেই তাঁদের উত্তরপত্র মূল্যায়ন করতে হয়। আপলোড করতে হয় নম্বর। উত্তরপত্র প্যাক করতে হয়। আর ১২ দিনের মধ্যে তা পাঠিয়ে দিতে হয় নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে। তবে বোর্ডের এক কর্তা জানিয়েছেন, শিক্ষিকা জানাতে পারতেন যে তাঁর অসুস্থতা আছে। তাহলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হত বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন বোর্ড আধিকারিক। শিক্ষিকার মৃত্যুর ঘটনাকে দুর্ভাগ্যজনক বলেছেন। তবে সেই ঘটনার পরে কোনও পদক্ষেপ করা হবে, সে বিষয়েও কিছু জানানি।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *