রিটার্ন পাবেন অনেক বেশি, Investment করবেন কোথায়? সোনা, শেয়ার বাজার নাকি পাবলিক প্রভিডেন্ট ফান্ডে! – Bengali News | Gold, Share Market of Public Provident Fund: Which is Best Investment Option
ভারতের বাজার বিশাল। আর সেই বাজারে বিনিয়োগের জন্য রয়েছে বিভিন্ন ধরণের বিনিয়োগের ক্ষেত্র। যার মধ্যে কোনও বিনিয়োগে ঝুঁকি অত্যন্ত বেশি আবার কোনও বিনিয়োগে ঝুঁকি প্রায় নেই বললেই চলে। মানুষ সাধারণত কোনও লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে বিনিয়োগ করা শুরু করে। কারও লক্ষ্য থাকে অবসরের পরের জীবন। আবার কেউ গাড়ি বা বাড়ি বা অন্য কিছু কেনার জন্য টাকা জমাতে চান। আর সেই কারণেই তাঁরা বিনিয়োগ করেন। বিনিয়োগ করার যে কয়েকটি সহজ উপায় রয়েছে তার মধ্যে প্রথম ৩-এ আসে শেয়ার বাজার বা মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ, সোনায় বিনিয়োগ ও পাবলিক প্রভিডেন্ট ফান্ডে বিনিয়োগ।
শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ দু’ভাবে করা যেতে পারে। বিনিয়োগকারী সরাসরি শেয়ার কিনতে পারে বা কোনও মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগের মাধ্যমে একাধিক শেয়ারে একসঙ্গে বিনিয়োগ করতে পারে। সরাসরি শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ করতে চাইলে বিনিয়োগকারীকে অনেক পড়াশোনা করতে হয়। অন্যদিকে, মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগের জন্য অতটাও পড়াশোনা করতে হয় না। আর সঠিক শেয়ারে বিনিয়োগ করলে কেউ যেমন প্রচুর লাভ করে, তেমনই ভুল শেয়ারে বিনিয়োগ করলে তার সব টাকা জলেও যেতে পারে। ফলে শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। তবে তার তুলনায় মিউচুয়াল ফান্ডে ঝুঁকি বেশ কম, কারণ মিউচুয়াল ফান্ড পরিচালনা করেন বিভিন্ন ফান্ড ম্যানেজাররা।
আমাদের দেশের মানুষের কাছে সোনায় বিনিয়োগ অতি প্রাচীন একটা পন্থা। বাড়িতে মা-ঠাকুমারা সোনার গয়না যেমন কেনে, কারও বিয়ে হলে সেখানেও উপহার হিসাবে সোনা দেওয়ার চল বহু পুরনো। আর বর্তমানে সোনার দাম বাড়ছে হুড়মুড়িয়ে। তবে এখন সোনা শুধুমাত্র গয়না কিনে যে কিনতে হবে এমন ব্যাপার নেই। যাঁরা বিনিয়োগ করেন, তাঁরা সোভেরেইন গোল্ড বন্ডে বিনিয়োগ করেন বা গোল্ড ইটিএফ কেনে। সোভেরেইন গোল্ড বন্ডের ক্ষেত্রে সরকার বছরে ২.৫ শতাংশ হিসাবে বিনিয়োগকারীকে সুদ দেয়। আর সেই বন্ড যখন বিনিয়োগকারী বিক্রি করে তখন সে সোনার বাজারমূল্য হিসাবে দাম পায়। সোনার দাম বেশ কিছু জিনিসে উপর নির্ভর করে, যার মধ্যে অবশ্যই রয়েছে পৃথিবীর ভূরাজনৈতিক সমস্যা। তবে, বিশেষজ্ঞরা সোনায় স্বল্পমেয়াদের বিনিয়োগ করতে নিষেধ করেন।
পিপিএফে বিনিয়োগ
পাবলিক প্রভিডেন্ট ফান্ড বা পিপিএফ এমন একটি সরকারি প্রকল্প যা বিনিয়োগকারীকে সেকশন ৮০সি-এর অধীনে কর ছাড় পেতে সাহায্য করে। বছরে সর্বনিম্ন ৫০০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ১.৫ লক্ষ টাকা পিপিএফে বিনিয়োগ করা যায়। পিপিএফে সরকার একটি নির্দিষ্ট হারে সুদ দেয়। কেউ যদি বিনিয়োগে স্থিতিশীলতা ও নিশ্চিন্ত রিটার্ন পেতে চায় তবে সে পাবলিক প্রভিডেন্ট ফান্ডে বিনিয়োগ করতেই পারে।
শেয়ারে বিনিয়োগ করতে চাইলে সেই শেয়ারের বিষয়ে যথাযথ তথ্যানুসন্ধান ও অ্যানালিসিস করুন। এই লেখা শুধুমাত্র শিক্ষাগত উদ্দেশ্যে। TV9 বাংলা বিনিয়োগের কোনও উপদেশ দেয় না।
বিশেষ দ্রষ্টব্য: যে কোনও বিনিয়োগে বাজারগত ঝুঁকি রয়েছে। ফলে, আগে বিনিয়োগ সংক্রান্ত সমস্ত নথি সাবধানে পড়ে নেবেন। তারপর বিনিয়োগ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন।