নদীর পাড়ে বৃদ্ধের মুণ্ডহীন দেহ উদ্ধারে আলোড়ন, উত্তরবঙ্গের খড়িবাড়ির ঘটনায় তদন্তে পুলিশ - 24 Ghanta Bangla News
Home

নদীর পাড়ে বৃদ্ধের মুণ্ডহীন দেহ উদ্ধারে আলোড়ন, উত্তরবঙ্গের খড়িবাড়ির ঘটনায় তদন্তে পুলিশ

Spread the love

দত্তপুকুরের ঘটনার রেশ এখনও কমেনি। আর তার মধ্যেই এবার উত্তরবঙ্গের খড়িবাড়ি এলাকায় একইরকম ঘটনা ঘটল। আজ, শনিবার সকালে ডুমুরিয়া নদীর ধারে মিলল বৃদ্ধের মুণ্ডহীন দেহ। এই মুণ্ডহীন দেহ দেখে ব্যাপক আলোড়ন ছড়িয়ে পড়েছে ওই এলাকায়। কেন এমন হত্যাকাণ্ড?‌ নেপথ্যে কে বা কারা রয়েছে?‌ এই বৃদ্ধের পরিচয় কী?‌ এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে পুলিশ। ওই মুণ্ডহীন দেহ দেখতে স্থানীয় মানুষজন নদীর পাড়ে ভিড় জমান। পুলিশ এসে সেই ভিড় সরিয়ে দেন। তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের নানা প্রশ্ন করেছে পুলিশ।

এই ঘটনাকে ছোট করে দেখতে নারাজ পুলিশ। তাই বৃদ্ধের পরিচয় জানতে পারলেই গোটা বিষয়টি সামনে আসবে। তবে বৃদ্ধ খড়িবাড়ি এলাকার কেউ নয় বলেই স্থানীয় বাসিন্দারা পুলিশকে জানিয়েছেন। সুতরাং খুন এক জায়গায় করা হয়েছে আর দেহ অপর জায়গায় ফেলা হয়েছে বলে পুলিশ মনে করছে। আর তাই ইতিমধ্যেই ওই বৃদ্ধের দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে পুলিশ। কিন্তু ওই বৃদ্ধের মাথা কোথায়?‌ এটাও এখন বড় প্রশ্ন হয়ে দেখা দিয়েছে পুলিশের সামনে। এই নারকীয় ঘটনার নেপথ্যে অন্য কোনও কারণ আছে বলে পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে অনুমান।

আরও পড়ুন:‌ ডিএমকে সমর্থন করতেই রাজ্যসভায় কমল হাসান, এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করলেন স্ট্যালিন

পুলিশ সূত্রে খবর, ওই মুণ্ডহীন দেহের বৃদ্ধের মৃত্যু দেখে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে এই ঘটনার সঙ্গে নিকট আত্মীয়স্বজন বা বাড়ির লোকজন জড়িত থাকতে পারে। আবার বৃদ্ধের কাছ থেকে কিছু পাবার আশায় এই খুন করা হয়েছে। পরিচিত কেউ ছাড়া এভাবে খুন করা কঠিন। আজ, শনিবার সকালে শিলিগুড়ির খড়িবাড়ির ডুমুরিয়া নদীর পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় এলাকার বাসিন্দারা এই ভয়ংকর দৃশ্য দেখতে পান। আর মুণ্ডহীন দেহ এবং পাশে রক্তমাখা ধারালো অস্ত্র দেখেই খবর দেওয়া হয় থানায়। পুলিশ গিয়ে দেহটি উদ্ধার করেছে। মুণ্ডহীন দেহ পাঠানো হয়েছে ময়নাতদন্তের জন্য। সেই রিপোর্ট এলেই সবটা পরিষ্কার হয়ে যাবে।

সম্পত্তির লোভে বৃদ্ধকে খুন করা হয়ে থাকতে পারে বলে পুলিশ মনে করছে। এখন অন্যান্য থানাতেও খোঁজ করা শুরু হয়েছে কোনও নিখোঁজের অভিযোগ দায়ের হয়েছে কিনা। যদিও পুলিশ সূত্রে খবর, মৃত মুণ্ডহীন দেহ বৃদ্ধের পরিচয় এখনও মেলেনি। তবে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে এই বৃদ্ধের বয়স ষাটোর্ধ্ব। অন্যত্র খুন এবং মুণ্ডচ্ছেদের পর প্রমাণ লোপাট করতেই দেহ এখানে এনে ফেলা হয়েছে। নদীর পাড়ে তবুও খোঁজ চালানো হচ্ছে। এখনও সম্পূর্ণ ধোঁয়াশা রয়েছে মৃত্যু নিয়ে। তবে শীঘ্রই রহস্যভেদ হবে। কারণ কাজ শুরু হয়েছে।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *