'সেজে বসেছিলাম, লোকজন আসছে...', কিন্তু বর এল না দেবলীনার - Bengali News | When debolina dutta wedding memory get worst story of her life - 24 Ghanta Bangla News
Home

‘সেজে বসেছিলাম, লোকজন আসছে…’, কিন্তু বর এল না দেবলীনার – Bengali News | When debolina dutta wedding memory get worst story of her life

Spread the love

দেবলীনা দত্ত,  বরাবরই তিনি অন্যস্বাদের সম্পর্কে বিশ্বাসী। যেখানে কাদা ছিটিয়ে সম্পর্ককে ছোট করা নয়, বরং ভাল স্মৃতি আগলে রাখায় বিশ্বাসী তিনি। ‘জোশ টক’-ইউটিউব চ্যানেলে নিজের জীবনের গোপন কথা শেয়ার করতেও তাই ভীত হননি নায়িকা। জীবনে নেওয়া নানা সিদ্ধান্ত নিয়েও আপসোস নেই তাঁর। ন’ বছর বয়সে বাবাকে হারানো থেকে বিয়ের মন্ডপে বর না আসা— দেবলীনার জার্নি যেন টলিউডের চিত্রনাট্য।

কঠিন চোয়াল, চোখ বলে দেয় অনেক কিছু… দেবলীনা বলতে শুরু করেছিলেন, “… বিয়ের পিঁড়িতে বউ সেজে বসেছিলাম। লোকজন আসছেন। খাচ্ছেন… চলে যাচ্ছেন। বর এল না…”। বারবার হবু স্বামীর ফোনে ফোন করতেও সাড়া মেলেনি। ফোন বন্ধ, পরিবারেরও ফোন বন্ধ। দেবলীনা সেদিন চাইলেই ভেঙে পড়তে পারতেন, অথবা প্রতিহিংসার খেলায় মেতে উঠতে পারতেন হয়তো। কোনওটিই তিনি করেননি। সেই সময় যে গুটিকয়েক বন্ধুকে পাশে পেয়েছিলেন অভিনেত্রী, তথাগত তাঁদের মধ্যে একজন। সেই তথাগতের সঙ্গে আজ তাঁর বৈবাহিক সম্পর্ক নেই। এক ছাদের তলায় থাকেনও না তাঁরা। পরিচালক-অভিনেতার নাম জড়িয়েছে অন্য এক অভিনেত্রীর সঙ্গে। না, তথাগতকেও দোষারোপ করতে চাননি দেবলীনা। চান না তাঁকে নিয়ে খারাপ কথা বলতেও। বরং যে নয় বছর একসঙ্গে কাটিয়েছেন তাঁরা তা দেবলীনার জীবনে সেরা ৯ বছর বলেই ভাবতে চান তিনি। বলেছিলেন, “আমাদের জুটিটাকে দর্শক যতটা পছন্দ করতেন আমিও ঠিক ততটাই পছন্দ করতাম। ওই ৯ বছর আমার জীবনে কাটান শ্রেষ্ঠ ন’টা বছর বলে আমি মনে করি।”

পুজোর স্মৃতি উস্কে কণ্ঠে ভারী হয়েছিল দেবলীনার। প্রতি বছর পুজো এলেই ঘুরতে যেতেন দেবলীনা-তথাগত। এবার তথাগত নেই। তাঁর স্মৃতি রয়েছে দেবলীনার কাছে। আর সেই স্মৃতি আঁকড়ে ধরেই নতুন স্মৃতির অন্বেষণে মা’কে নিয়েই পুজোর ছুটিতে চলে যাচ্ছেন বাইরে। যোগ করেছিলেন, “এরপর থেকে যখনই অক্টোবর আসবে তখনই এ বছর যে স্মৃতি তৈরি করব, সেটাই ভাবতে থাকব।” দেবলীনা কি এতটা প্র্যাকটিক্যাল? আবেগ-ভালবাসা থেকে বহু হাত দূরে? জবাব দিয়েছেন তিনি। তাঁর কথায়, “আপনি যে মানুষটাকে ভালবাস তাঁকে বোঝানোর দায়ই নেই আপনার। আপনার ভালবাসা তো শুধুই আপনার। অন্য মানুষটা যদি নাও বোঝে কি যায় আসে তাতে?” বললেন ঠিকই, তবু বলতে গিয়েও গলা কি হাল্কা কেঁপে গেল তাঁর?

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *