বরযাত্রী বোঝাই একটি বাসে সর্বস্ব লুঠ করে গা–ঢাকা ভিন রাজ্যে, ধরল বিষ্ণুপুর থানার পুলিশ - 24 Ghanta Bangla News
Home

বরযাত্রী বোঝাই একটি বাসে সর্বস্ব লুঠ করে গা–ঢাকা ভিন রাজ্যে, ধরল বিষ্ণুপুর থানার পুলিশ

Spread the love

তারিখ—৩০ নভেম্বর ২০২৪। বরযাত্রী বোঝাই বাস জঙ্গলের রাস্তায় দাঁড় করিয়ে সর্বস্ব লুঠ করে নেওয়া হয়। এই ঘটনায় আলোড়ন পড়ে গিয়েছিল। এমন ডাকাতি বাংলায় খুব একটা শোনা যায় না। সেখানে কেমন করে ঘটল এই ঘটনা?‌ ভাবিয়ে তুলেছিল পুলিশকে। তারপর থেকে তদন্ত চলছিল। এবার পুলিশের জালে ধরা পড়ল ওই ঘটনায় যুক্ত চক্রের দুই মাস্টারমাইন্ড। বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুর থানার ঢেঙাশোলের জঙ্গলে বরযাত্রী বাস থামিয়ে সর্বস্ব লুঠপাট করা হয়েছিল। সেই ঘটনা ঘটিয়ে তেলাঙ্গানায় গা–ঢাকা দিয়েছিল দুই মাস্টারমাইন্ড। এবার বিষ্ণুপুর থানার পুলিশ আইসুর মল্লিক ওরফে এডাম এবং জহুর মণ্ডল ওরফে জলিলকে গ্রেফতার করেছে। তেলাঙ্গানা থেকে ওই দুজনকে গ্রেফতার করে ট্রানজিট রিমান্ডে বিষ্ণুপুরে নিয়ে আসা হয়েছে।

২০২৪ সালের ৩০ নভেম্বর রাতে বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুর থানার ঢেঙাশোলের জঙ্গলের রাস্তায় গাছ ফেলে দেওয়া হয়। তারপর বরযাত্রী বোঝাই বাসে উঠে আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে সর্বস্ব করে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ। বরযাত্রী বাসে থাকা মানুষজন রাতের অন্ধকারে ওই আগ্নেয়াস্ত্রের সামনে ভয় পেয়ে যান। আর তখন লুঠপাট করে সর্বস্ব নিয়ে যায় পাঁচজনের ওই ডাকাতদল। বরযাত্রীদের যাবতীয় অলঙ্কার এবং নগদ টাকা লুঠ করে গা–ঢাকা দেয় জঙ্গলে। এরপর কোনওরকমে ওখান থেকে প্রাণ হাতে করে নিয়ে বেরিয়ে পুলিশের দ্বারস্থ হন তাঁরা। আর সমস্ত ঘটনা লিখিত আকারে অভিযোগ করেন। তখন তদন্তে নামে পুলিশ।

আরও পড়ুন:‌ সরকারি হস্টেলে থেকে অন্তঃসত্ত্বা কিশোরী, পুত্রসন্তানের জন্ম, আলিপুরদুয়ারে আলোড়ন

তদন্ত করে পুলিশের হাতে কোনও সূত্র মিলছিল না। কারা এই ডাকাত দল?‌ সেটার তদন্ত করতে গিয়ে ঘটনাস্থলের আশপাশের মোবাইল টাওয়ার লোকেশন পরীক্ষা করা হয়। তার জেরে কয়েকটি নম্বর হাতে আসে। এরপর সেই নম্বর ট্র‌্যাক পুলিশ পৌঁছে যায় বাঁকুড়া এবং পশ্চিম মেদিনীপুরের গড়বেতা থানা এলাকায়। সেখান থেকে একটি সূত্রের উপর ভর করে সাদেক আলি খান ওরফে পিচি, মজিবুর খান এবং সামসুদ্দিন মণ্ডল নামের তিন ডাকাতকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

এই তিন ডাকাতকে দফায় দফায় জেরা করা হয়। সেখান থেকে দু’‌জন মাস্টারমাইন্ডের নাম হাতে আসে। গড়বেতা থানার ছোট আঙারিয়া গ্রামের বাসিন্দা আইসুর মণ্ডল ওরফে এডাম এবং জহুর মণ্ডল ওরফে জলিল। কিন্তু তাদের পাকড়াও করা যাচ্ছিল না। এরপর তদন্তকারীরা প্রযুক্তির সহায়তা নেয়। আর জানতে পারে ওই দুই মাস্টারমাইন্ড তেলাঙ্গানায় গা–ঢাকা দিয়ে আছে। তখনই তদন্তকারীদের একটি দল তেলাঙ্গানার রঙ্গারেড্ডি জেলার কোকাপেট এলাকায় হানা দেয়। ওই দুই মাস্টারমাইন্ডকে গ্রেফতার করে।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *