Nitish Kumar Reddy Explained: বাহুবলী! সেঞ্চুরি সেলিব্রেশনের রহস্য খোলসা করলেন নীতীশ কুমার রেড্ডি - Bengali News | IND vs AUS Melbourne: Nitish Reddy reveals reason behind his hundred celebration, Was saluting Indian flag - 24 Ghanta Bangla News
Home

Nitish Kumar Reddy Explained: বাহুবলী! সেঞ্চুরি সেলিব্রেশনের রহস্য খোলসা করলেন নীতীশ কুমার রেড্ডি – Bengali News | IND vs AUS Melbourne: Nitish Reddy reveals reason behind his hundred celebration, Was saluting Indian flag

Spread the love

মেলবোর্ন টেস্টে নায়ক হয়ে উঠেছেন নীতীশ কুমার রেড্ডি। শুধু ভারতীয় ক্রিকেট প্রেমীরাই নন, অস্ট্রেলিয়াও মজে নীতীশের ব্যাটিংয়ে। কেরিয়ারের অভিষেক টেস্ট সিরিজ। তাও আবার অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে। এখনও অবধি পরিণত মানসিকতা দেখিয়ে আসছিলেন। অবশেষে কেরিয়ারের চতুর্থ টেস্টেই সেঞ্চুরি। চূড়ান্ত টেনশনের মুহূর্তও ছিল। সঙ্গীর অভাবে ভুগছিলেন। অবশেষে শেষ উইকেটে সিরাজকে নিয়েই সেঞ্চুরি। তাঁর বিশেষ সেলিব্রেশনও দেখা যায়। দু’টি ভিন্ন সেলিব্রেশন। তবে সেঞ্চুরির পর যা করলেন, তা নিয়েই রহস্য। যা নিজেই খোলসা করেছেন নীতীশ।

হাফসেঞ্চুরির পর আল্লু অর্জুনের পুষ্পা স্টাইল সেলিব্রেশন করেন নীতীশ। সেঞ্চুরির পর দেখা যায় বাহুবলীর প্রভাসের মতো। হাঁটু মুড়ে বসে, ব্যাটকে মাঠে দাঁড় করিয়ে, তার উপর হেলমেট রাখেন। এরপর আকাশের দিকে তাকিয়ে। সকলেই বাহুবলী সেলিব্রেশনই ধরে নিয়েছিলেন। খুব একটা ভুলও বলা যায় না। তবে এই সেলিব্রেশনে আরও একটা কারণ রয়েছে। সেটাই বলেছেন ভারতের তরুণ অলরাউন্ডার।

নীতীশ এক্সপ্লেইন করেন, ‘সেঞ্চুরির পর ব্যাটকে মাটিতে রেখেছিলাম, তার উপর হেলমেট। তার মধ্য ভারতের পতাকাও রয়েছে। সেই জাতীয় পতাকাকে স্যালুট করছিলাম। দেশের হয়ে খেলাটাই সবচেয়ে বড় প্রেরণা। সেঞ্চুরিটা স্মরণীয় মুহূর্ত।’ স্ট্যান্ডে ছিলেন নীতীশের বাবা। ছেলের সেঞ্চুরির পর আনন্দে চোখে জল। নীতীশ আরও যোগ করেন, ‘বাবা কাঁদছিল, সেটা দেখেছি। আমার স্বপ্ন ছিল, বাবাকে গর্বিত করব।’

এই খবরটিও পড়ুন

সেটা যে নীতীশ পেরেছেন, এ বিষয়ে সন্দেহ নেই। পরে বিরাট কোহলির সঙ্গেও দেখা করার সুযোগ পায় নীতীশের পরিবার। নীতীশ কুমার বিরাট ভক্ত। এ কথা তিনি বারবার বলেছেন। সেই কোহলির সঙ্গে দেশের হয়ে খেলার সুযোগ। নীতীশের পরিবারের সঙ্গে সুন্দর মুহূর্ত ভাগ করে নেন বিরাটও।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *