Bus Fare: ইচ্ছেমতো বাসের ভাড়াবৃদ্ধি! কী বলছেন পরিবহন মন্ত্রী? - Bengali News | Bus fare Bus fare increase as desired! What is the Minister of Transport saying? - 24 Ghanta Bangla News
Home

Bus Fare: ইচ্ছেমতো বাসের ভাড়াবৃদ্ধি! কী বলছেন পরিবহন মন্ত্রী? – Bengali News | Bus fare Bus fare increase as desired! What is the Minister of Transport saying?

Spread the love

কলকাতা: যেন মগের মুলুক! যেমন খুশি, তেমন ভাড়া! যত খুশি তত! কলকাতার রাস্তায় বাস নেই বললেই চলে। আর যেগুলো চলছে, সেগুলোতে আবার ভাড়ার ঠিক নেই। অন্তত তেমনটাই বলছেন যাত্রীরা। সরকার বলছে এক, নেওয়া হচ্ছে আর এক। নিট ফল, পথে বেরিয়ে নাভিঃশ্বাস সাধারণ মানুষের। উপরন্তু বাসের জায়গা নিচ্ছে ক্যাব। প্রশ্ন উঠছে বাস বা ক্যাব, কোথাও কি সরকারের নিয়ন্ত্রণ নেই? বাড়তি ভাড়ার নামে পরিবহনে স্বেচ্ছাচার চলছে? ভাড়া নিয়ন্ত্রণে কোথায় প্রশাসনের নজরদারি? তার উপর কমিশনের গেঁরো। তার জেরেই কি প্রাণ হাতে পথে মানুষ? কিন্তু কেন এই পরিস্থিতি?

গত বছর একটি মামলার ভিত্তিতে কলকাতা হাইকোর্ট নির্দেশ দেয় বেসরকারি বাসে ভাড়ার তালিকা হবে। যাত্রীদের অভিযোগ, কলকাতা ও শহরতলির কোনও বেসরকারি বাস, মিনিবাসে ভাড়ার তালিকা তো নেইই। উল্টে কনডাক্টরদের মর্জি মাফিক ভাড়া দিতে হয়। বিস্তর অভিযোগ যাত্রীদের।

অভিযোগ এমনও উঠছে, সরকার নয়, ভাড়া বাড়ানোর মালিক আসলে বাস মালিক কিংবা ইউনিয়নের নেতা। তেমনই তো বলছেন কন্ডাক্টর থেকে ড্রাইভাররা।

লকডাউনের আগে বেসরকারি বাস, মিনিবাসে সর্বনিম্ন ভাড়া ৭ টাকা ছিল। আর লকডাউনের পর বাসে উঠলেই অন্তত ১০ টাকা ভাড়া।

৬ বছর আগে ভাড়া খাতায় কলমে বাড়ানো হলেও, নিঃশব্দে বেড়ে গিয়েছে বাস ভাড়া।  বাসের কোথাও রেট চার্ট নেই। বাস চালক থেকে কনডাক্টর, সবাই মানছেন, সরকার ভাড়া না বাড়ালেও বেসরকারি বাস মালিকদের সংগঠন ইচ্ছেমতো ভাড়া বাড়িয়েছে। যাত্রীরাও বলছেন, উঠলেই দিতে হয় ১০ টাকা। অথচ কোনও চার্ট দেখাতে পারছেন না বাসকর্মীরা।

বাস ভাড়া নিয়ে মালিকদের সঙ্গে সরকারের একটার পর বৈঠক হয়, আর সমাধানসূত্র মেলে না! জয়েন্ট কাউন্সিলর অব বাস সিন্ডিকেটের নেতা তপন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ” ডিজেল তো এখন ১০০ টাকা লিটার। চলবে কী করে! সরকার ভাড়া বৃদ্ধি করে দিক। সরকারের তো গাড়ি রয়েছে। সে তো ভর্তুকি দিয়ে গাড়ি চালায়। আমাদের তো তা নেই। আমরা পরিষেবা দেব, ঘর থেকে টাকা এনে গাড়ি চালাব, তা তো হতে পারে না।”

অন্যদিকে, সিটি সাবার্বান বাস সার্ভিসেসের সাধারণ সম্পাদক টিটো সাহা বলেন, “একটা বাস চালাতে গিয়ে অপারেশনাল কস্ট বেড়ে যাচ্ছে দু থেকে আড়াই হাজার টাকা। এই টাকা কোথা থেকে আসবে? রাজ্য সরকার ভাড়া বৃদ্ধির ব্যাপারটাকে উপেক্ষিত করে রেখেছে। বাসকে রাস্তায় রাখতে গিয়ে আমাদের অনুদানের সুযোগ নিতে হয়েছে। মানুষ তা মেনে নিয়েছে বলেই শেষ ২-৩ বছর ধরে রাস্তায় বাস চলছে।”

পরিবহণ মন্ত্রী স্নেহাশিস চক্রবর্তী বলেন, “বারবার বলা হয়েছে রেট চার্ট ঝোলানোর জন্য। বারবার সরকার নির্ধারিত ভাড়াতেই চলতে বলা হয়। অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার বিষয়ে অভিযোগ আসে সামনে। আমাদের কাছে খবর এলে ব্যবস্থা নেব।”

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *