Purbasthali: ছেলে তাড়ানো, মেয়ে খ্যাঁদানো! পথেই আছেন এ যুগের ‘ইন্দিরা ঠাকুরণ’ - Bengali News | Driven away by the family, old women living on the streets, finally they got back home with the intervention of the police - 24 Ghanta Bangla News
Home

Purbasthali: ছেলে তাড়ানো, মেয়ে খ্যাঁদানো! পথেই আছেন এ যুগের ‘ইন্দিরা ঠাকুরণ’ – Bengali News | Driven away by the family, old women living on the streets, finally they got back home with the intervention of the police

Spread the love

পূর্বস্থলী: তাড়িয়ে দিয়েছে মেয়ে। একরাশ কান্না বুকে চেপে এসেছিলেন ছেলের কাছে। কিন্তু সেখানেও হয়নি ঠাঁই। শেষে বাধ্য হয়ে চোখের কোণে জল নিয়ে রাস্তাতেই বসে করলেন দিন পার। এদিন দিনভর এ ছবিই দেখা গেল পূর্বস্থলী ১ নম্বর ব্লকের নসরতপুর পঞ্চায়েতের অন্তর্গত নতুন পাড়া এলাকায়। সারাদিন রাস্তার পাশে অসহায়ভাবে বসে রইলেন ভবানী চৌধুরী নামে ৭৩ বছরের ওই বৃদ্ধ। দৃশ্য দেখে কেউ কেউ একেবারে যেন ফিরে গেলেন পথের পাঁচালির পাতায়। মনে পড়ে গেল সর্বজয়া-ইন্দিরা ঠাকুরণের সম্পর্কের টানাপোড়েনের কথা।

এদিকে ভবানী দেবীর করুণ অবস্থা নাড়া দেয় এলাকার লোকজনের মনেও। খবর পৌঁছায় পুলিশের কানে। পুলিশের হস্তক্ষেপেই শেষ পর্যন্ত ছেলের বাড়িতে ঠাঁই হয় বৃদ্ধার। স্থানীয় সূত্রে খবর, পূর্বস্থলীর নসরতপুর এলাকায় নতুন পাড়ায় বৃদ্ধার বাড়ি। তিনি বিগত কয়েক বছর ধরেই থাকতেন মেয়ের বাড়িতে। কিন্তু, মেয়ে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দিতে ছুটে এসেছিলেন ছেলের কাছে। কিন্তু সেখানেও অপদস্ত হতে হয় তাঁকে। 

নিজের জীবন-যন্ত্রণার কথা বলতে গিয়ে বারবার চোখে এল জল। বিষণ্ণ মুখে বৃদ্ধা বললেন, “নানা জায়গায় ঘুরেছি। কোথাও ঠাঁই হয়নি। ছেলের কাছে গিয়েছিলাম। কিন্তু ঠাঁই হয়নি। ও দেখবে না বলেছ। বৌমাও দেখে না। মরেই যাব হয়তো। মেয়ের বাড়িতে গেলেও সেখান থেকে তাড়িয়ে দেয়। তাই কোনও উপায় না পেয়ে বাধ্য হয়ে রাস্তাতেই দিন কাটানোর সিদ্ধান্ত নিই। সারারাত এখানেই ছিলাম। আমার কাছের লোকেরা আমাকে ফাঁকি দিয়ে সব নিয়ে নিয়েছে।” এদিকে মাকে বাড়িতে থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে তা কার্যত স্বীকার করছেন ছেলে জয়দেব চৌধুরী। তিনি আবার ঘুরিয়ে দোষ ঠেলছেন বোনের দিকে। বলছেন, “আমার বড় বোন, ভগ্নিপতি মায়ের টাকা পয়সা হাতিয়ে নিয়েছে। সম্পত্তি লিখে নিয়ে মারধর করে তাড়িয়ে দিয়েছে। তারপর আমাদের এখানে আসে। কয়েকদিন ছিল। কিন্তু আমার এখানে তো জায়গা নেই। তাই চলে যেতে বলেছিলাম। তারপর থেকে পাশে একটা বাড়িতে বারান্দায় ছিল। ওরা আবার ওখান থেকে সরিয়ে দিয়েছে।”  

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *