সাদা কাঁথায় মোড়ানো দীপিকা-রণবীরের মেয়ে, সামনে এল প্রথম ছবি! - 24 Ghanta Bangla News
Home

সাদা কাঁথায় মোড়ানো দীপিকা-রণবীরের মেয়ে, সামনে এল প্রথম ছবি!

Spread the love

সাদা কাঁথায় মোড়ানো দীপিকা-রণবীরের মেয়ে, সামনে এল প্রথম ছবি!

চোখে কালো ফ্রেমের চশমা। পরনে সাদা রঙের জামা। আর মুখে একগাল হাসি। হাসপাতাল থেকে মেয়েকে নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে ফ্রেমবন্দি দীপিকা পাড়ুকোন এবং রণবীর সিং। বাড়ির দুই লক্ষ্মীকে নিয়ে বাড়ি ফিরলেন নায়ক। সকাল থেকে হাসপাতালের দিকেই ক্যামেরা তাক করে বসেছিলেন ছবি শিকারিরা। তারকা দম্পতির গাড়ি বেরোতেই সঙ্গে সঙ্গে ঝলকে উঠল ফ্ল্যাশ লাইট। মেয়ে হওয়ার পর প্রথমবার ক্যামেরার সামনে দেখা গেল নায়িকা।

আবছা ছবি দেখে স্পষ্ট যে নায়িকার কোলেই ছিল তাঁর সদ্যোজাত। আর এক দৃষ্টে মেয়ের দিকে তাকিয়ে ছিলেন বাবা রণবীর। সন্তান হওয়ার পর সব মায়েরই জীবন পাল্টে যায়। এ কথা সকলের জানা। বলিপাড়ার নায়িকার ক্ষেত্রেও যে বিষয়টা অন্যরকম নয় সেটা আরও বোঝা গেল দীপিকার ইনস্টাগ্রামের পাতায় চোখ পড়তেই। মেয়ে হওয়ার পর তাঁর সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ঠিক কী ভাবে কাটছে কয়েকটা মাত্র শব্দের মাধ্যমেই বুঝিয়ে দিলেন অভিনেত্রী। নিজের ইনস্টাগ্রামের বায়োতে লেখেন, “ফিড, বার্প, স্লিপ, রিপিট।” যা বাংলায় করলে মানে দাঁড়ায় খাওয়াও, ঢেঁকুর তোলাও , ঘুম পাড়াও আবার সেই কাজটাই করো।

উল্লেখ্য, শোনা যাচ্ছে অনুষ্কা-ঐশ্বর্যর পথেই হাঁটবেন দীপিকা-রণবীরও। বিরাট কোহলি এবং অনুষ্কার দুই সন্তাকেই এখনও দেখা যায়নি ক্যামেরার সামনে। এমনকি সোনম কাপুরও ছেলের ছবি পোস্ট করেননি নিজের সমাজমাধ্যমের পাতায়। শুধু তাই নয় অভিনেত্রী রানি মুখোপাধ্যায় এবং তাঁর স্বামী আদিত্য চোপড়াও এই একই পথের পথিক। প্রায় পাঁচ বছরের বেশি বয়স রানি, আদিত্যর মেয়ে আদিরার। কিন্তু এখনও কেউ দেখেনি তাকে। সেই একই পথে নাকি হাঁটবেন তাঁরা।

তবে একেবারেই কি ক্যামেরার সামনে দেখা যাবে না এই তারকা কন্যাকে? তা অবশ্য নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। কারণ, জন্মের পর মেয়ে রাহাকেও ক্যামেরার সামনে আনেননি রণবীর কাপুর এবং আলিয়া ভাট। কিন্তু এখন আর তেমন কোনও বাধা নেই। রবিবার বাড়ি যাওয়ার পথে কি দেখতে পাওয়া যাবে একরত্তিকে? সেটা নিশ্চিত করা যাচ্ছে না। সন্তানের ক্ষেত্রে কোন বলিউড তারকা জুটির পথে এগোবেন দীপিক-রণবীর? সবটাই ক্রমশ প্রকাশ্য।

 

 

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *