Sovan Chatterjee: শোভনের জন্মদিনে ছেলে-মেয়ে কেক নিয়ে গিয়েছিল, যা হয়েছিল তারপর... ফাঁস করলেন রত্না - Bengali News | Shovon Chatterjee and Ratna Chatterjee's son, Saptarshi Chatterjee has decided to testify against his father in court - 24 Ghanta Bangla News
Home

Sovan Chatterjee: শোভনের জন্মদিনে ছেলে-মেয়ে কেক নিয়ে গিয়েছিল, যা হয়েছিল তারপর… ফাঁস করলেন রত্না – Bengali News | Shovon Chatterjee and Ratna Chatterjee’s son, Saptarshi Chatterjee has decided to testify against his father in court

Spread the love

কলকাতা: প্রায় সাত বছর ধরে শোভন চট্টোপাধ্যায় ও রত্না চট্টোপাধ্যায়ের বিবাহবিচ্ছেদর মামলা চলছে। এবার সেই মামলায় বাবার বিরুদ্ধে সাক্ষী দিচ্ছেন ছেলে সপ্তর্ষি চট্টোপাধ্যায়। আগামী ১৬ জুলাই আদালতে সাক্ষী দেবেন বলে নিজেই জানালেন রত্না। রত্না জানান, সপ্তর্ষি স্বতঃপ্রণোদিত হয়েই বাবার বিরুদ্ধে সাক্ষী দিতে চেয়েছেন।

শোভন চট্টোপাধ্য়ায় দীর্ঘদিন ধরেই বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সম্পর্কে রয়েছেন। শোভন চান বৈশাখীর মেয়ে মহুলের নামের পাশেও চট্টোপাধ্যায় থাকুক। কিন্তু তাঁর নিজের দুই সন্তান সপ্তর্ষি ও সুহানির খোঁজ রাখেন? রত্নার দাবি, একেবারেই না। মেয়ের ফোন নম্বর ব্লক করে দিয়েছেন বাবা। মেয়েকে আদালতে নিয়ে গিয়েছিলেন, সেখানেও শোভন মেয়েকে এড়িয়ে গিয়েছেন।

রত্না চট্টোপাধ্যায় বলেন, “আমার তো প্রায় সাত বছর হয়ে গেল কোর্টে মামলা চলছে। আমার সাক্ষীপর্ব শেষ হয়ে গিয়েছে। এখন আমার ছেলে বাবার বিরুদ্ধে সাক্ষী দিচ্ছে। উনি অনেক মিডিয়াতে ছেলে মেয়ে সম্পর্কে বলেন। বলেন ওরা অবহেলা করেছে। কিন্তু প্রথমদিন থেকেই ছেলে মেয়ের ফোন নম্বর যে উনি ব্লক করেছেন, আমার মেয়ের অনুরোধ সত্বেও তা খোলেননি।”

রত্না জানান, বাবার জন্মদিনে ছেলে মেয়ে কেক নিয়ে গিয়েছিল। সেই কেকে বিষ মেশানো বলে দাবি করা হয়েছিল। রত্না বলেন, “শোভনবাবু বাড়ি ছেড়ে চলে যাওয়ার পর প্রথম জন্মদিনে কেক নিয়ে গিয়েছিল সন্তানরা। শোভনবাবু বলেছিলেন কেকে বিষ মিশিয়ে নিয়ে এসেছে। ওদের সঙ্গে দেখা করেনি। ওখানেই গাড়ির বনেটে কেক রেখে কেক কাটে, বাবা হ্যাপি বার্থ ডে বলে নিজেরাই সেই কেক খেয়েছিল। বহুবার ছেলে মেয়ে বাবার সঙ্গে যোগাযোগ করতে চেয়েছে। এমনকী মেয়েকে কোর্টেও নিয়ে গিয়েছিলাম বাবার সঙ্গে দেখা করানোর জন্য। কিন্তু শোভনবাবুর পক্ষ থেকে কোনও সাড়া পাওয়া যায়নি। উনি চানইনি। আমাকে যেমন সরিয়ে দিয়েছেন, ছেলে মেয়েকেও সরিয়ে দিয়েছেন।”

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *