করিশ্মাকে কোণঠাসা করা হয়, কাঁদতেন রাতভর, বোন করিনা ছিলেন নিরুপায়, কিন্তু কেন? - Bengali News | This was why karishma kapoor cried and kareena Kapoor khan felt helpless - 24 Ghanta Bangla News
Home

করিশ্মাকে কোণঠাসা করা হয়, কাঁদতেন রাতভর, বোন করিনা ছিলেন নিরুপায়, কিন্তু কেন? – Bengali News | This was why karishma kapoor cried and kareena Kapoor khan felt helpless

Spread the love

কাপুর পরিবারের ছক ভেঙেছিলেন বড় মেয়ে করিশ্মা কাপুর। এই পরিবারের কোনও মেয়ে কিংবা বউ অভিনয় পেশায় থাকেননি। বাড়ির বউরা, যাঁরা এক সময় ছিলেন বলিউডের প্রতিষ্ঠিত অভিনেত্রী, তাঁরা প্রত্যেকেই কাপুর পরিবারে বিয়ে করে এসে অভিনয় ত্যাগ করেছিলেন। সেটাই ছিল এই পরিবারের অলিখিত নিয়ম। সেই প্রথাকে ভেঙে খান খান করে দিয়েছিলেন করিশ্মা। তিনি ছিলেন কাপুর পরিবারের সেই মেয়ে, যিনি বাড়ির অমতে গিয়েও অভিনয়কেই পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন। অভিনেতা রণধীর কাপুর এবং অভিনেত্রী ববিতা কাপুরের জ্যেষ্ঠ কন্যার কেরিয়ার গড়ার পথ মসৃণ হয়নি। শুরুতে কাজই পাচ্ছিলেন না তিনি। তারকা সন্তান হওয়া সত্ত্বেও তাঁকে কোণঠাসা করা হয়েছিল বলিউডে।

এ সবই প্রত্যক্ষ করেছিলেন করিশ্মার ছোট বোন করিনা কাপুর খান। তিনি তখন খুব ছোট। করিনা দেখতেন, সারা রাত জেগে কাঁদতেন তাঁর আদরের দিদি। মা ববিতার কাছে গিয়ে কান্নাকাটি করতেন করিশ্মা। কাঁদতে-কাঁদতে বলতেন, তাকে কেউ অভিনয়ের সুযোগ করে দিচ্ছেন না। সকলে তাঁকে কোণঠাসা করার চেষ্টা করছে ইন্ডাস্ট্রিতে। ছোট থাকার কারণে করিনা তখন দিদির পাশে গিয়ে দাঁড়াতে পারেননি। দরজার বাইরে দাঁড়িয়ে শুনতেন দিদির কান্নাকাটি।

পরবর্তীকালে করিশ্মার সবচেয়ে বড় বন্ধু হয়ে ওঠেন তাঁর ছোট বোন করিনাই। করিশ্মার যখন বিবাহবিচ্ছেদ ঘটে, গোটা সময়টা দিদিকে কাছছাড়া করেননি করিনা। আগলে রেখেছিলেন নিজের কাছে। কেরিয়ার গোছানোর এই কঠিন সময়ে করিশ্মাকে কেবলই কাঁদতে দেখেছিলেন তিনি। নিজের মুখেই করিনা বলেছিলেন, “দিদিকে দেখতাম খালি কাঁদছে। তখন আমি কিছু করতে পারিনি। খুব খারাপ লাগত আমার।”

এই খবরটিও পড়ুন

করিশ্মাকে কোণঠাসা করার চেষ্টা করা হলেও, তাঁকে দমিয়ে রাখতে পারেনি বলিউড। এক দশক ধরে বলিউডে রাজ করেছিলেন তিনি। পৌঁছেছিলেন জনপ্রিয়তার শীর্ষে। তাঁর ঝুলিতে রয়েছে বহু বাণিজ্যিক ছবি। যেমন ‘রাজাবাবু’, ‘জিগর’, ‘কুলি নাম্বার ওয়ান’, ‘রাজা হিন্দুস্তানি’। সম্প্রতি ৫০ বছর বয়সে পা দিয়েছেন করিশ্মা।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *