TMC MLA: হঠাৎ খিচুনি, মুখ দিয়ে গ্যাজলা! তৃণমূল বিধায়কের কী হল মাঝ রাস্তায়? - Bengali News | TMC MLA of murshidabad nabagram kanaichandra mondal feel ill admitted at hospital - 24 Ghanta Bangla News
Home

TMC MLA: হঠাৎ খিচুনি, মুখ দিয়ে গ্যাজলা! তৃণমূল বিধায়কের কী হল মাঝ রাস্তায়? – Bengali News | TMC MLA of murshidabad nabagram kanaichandra mondal feel ill admitted at hospital

Spread the love

খবর পেয়ে হাসপাতালে আসেন বিধায়ক খোকন দাস।Image Credit source: TV9 Bangla

পূর্ব বর্ধমান: হঠাৎই অসুস্থ হয়ে পড়লেন মুর্শিদাবাদের নবগ্রামের তৃণমূল বিধায়ক কানাইচন্দ্র মণ্ডল। বর্ধমান যাওয়ার পথে ১৯ নম্বর জাতীয় সড়কে গাড়ির মধ্যে অসুস্থ হয়ে পড়েন বিধানসভার শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান কানাইচন্দ্র মণ্ডল। তড়িঘড়ি তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে।

এই কমিটিতে রয়েছেন তৃণমূলের পাশাপাশি বিজেপির বিধায়কও। কোচবিহার দক্ষিণের বিধায়ক নিখিলরঞ্জন দে, রানাঘাটের বিধায়ক অসীম সরকারও। তাঁরাও কানাই মণ্ডলের গাড়ির পিছনে গাড়িতে ছিলেন। নিখিলরঞ্জন দে বলেন, “আজ লাঞ্চের সময়ই মনে হচ্ছিল ওনার শরীরটা একটু খারাপ। এরপর আরেকটা মিটিং ছিল। আমি ওনার পরের গাড়িতেই ছিলাম। মিটিং নিয়েই ফোন করি। ফোনটা রিসিভ করেন, তবে আর কোনও কথা বলছিলেন না। ভাবলাম ফোনের কোনও সমস্যা। তারপরই দেখি ওনার গাড়িটা দাঁড়িয়ে পড়ল। আমরা নেমে এসে দেখি ওনার খিচুনি হচ্ছে, মুখ দিয়ে গ্যাজলা বেরোচ্ছে।”

এরপরই তড়িঘড়ি কমিটির অন্য সদস্যরা তাঁকে পুরষা ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যান। প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। পূর্ব বর্ধমানের তৃণমূল বিধায়ক খোকন দাস বলেন, “স্ট্যান্ডিং কমিটির ভিজিট ছিল। আমাদের মুর্শিদাবাদের নবগ্রামের বিধায়ক কানাইচন্দ্র মণ্ডল টিমে ছিলেন। ফেরার পথে অসুস্থ হয়ে পড়েন। বর্ধমান হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। এখন ভাল আছেন।”

গত তিন দিন ধরে বিধানসভার শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্যরা রাজ্যের বিভিন্ন কারখানা পরিদর্শনে বেরিয়েছেন। বৃহস্পতিবার পশ্চিম বর্ধমানের পানাগড় শিল্প তালুকের ম্যাটিক্স পরিদর্শনে যান কমিটির সদস্যরা। তারপর পূর্ব বর্ধমান যাওয়ার পথে অসুস্থ হয়ে পড়েন বিধায়ক। মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক জয়রাম হেমব্রম বলেন, “এখন স্থিতিশীল। চিকিৎসকরা দেখেছেন। কার্ডিওলজিস্ট, নিউরোলজিস্ট দেখেছেন। একটু খিচুনির মতো হয়েছিল।”

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *