'আমি তখন ক্লাস সেভেন...', কোন দুঃখ ভাগ করে নিলেন ঐশ্বর্য? - Bengali News | This is what Aishwarya sharma shared about sister aindrila sharma in her recent post - 24 Ghanta Bangla News
Home

‘আমি তখন ক্লাস সেভেন…’, কোন দুঃখ ভাগ করে নিলেন ঐশ্বর্য? – Bengali News | This is what Aishwarya sharma shared about sister aindrila sharma in her recent post

Spread the love

বোনের কথা বড্ড মনে পড়ে মেয়েটার। তাই মাঝেমধ্যেই বোনের জন্য ছবি পোস্ট করেন ফেসবুকে। আজ যেমন হাসপাতালে রোগী দেখতে যাওয়ার আগে বোনের সঙ্গে ছবি পোস্ট করেছেন ডঃ ঐশ্বর্য শর্মা। বোন খুবই জনপ্রিয় এবং সক্কলের স্নেহধন্যা। তাঁর নাম ঐন্দ্রিলা শর্মা। ২০২২ সালের ২০ নভেম্বর তাঁকে প্রিয় জনের থেকে কেড়ে নিয়েছে ব্রেন স্ট্রোক। বাংলা সিরিয়ালের জনপ্রিয় মুখ ছিলেন ঐন্দ্রিলা। দু’-দু’বার ক্যানসারের আঘাত সহ্য করেছেন। মাত্র ২৪ বছর বয়সেই জীবনের প্রদীপ নিভে গিয়েছে তাঁর। পরিবারকে নিঃস্ব করে চলে গিয়েছেন না-ফেরার দেশে।

ছোটবেলার একটি মিষ্টি ছবি ঐশ্বর্য শেয়ার করেছেন ফেসবুকে। সেই ছবির সঙ্গে তিনি ক্যাপশনে লিখেছেন, “আমি তখন ক্লাস সেভেন, বোনু তখন ক্লাস ফোর।” TV9 বাংলাকে ঐশ্বর্য বলেছেন, “আমার বোনের কথা খুব মনে পড়ে। এরকম ছোটবেলার ছবি আরও পোস্ট করব।”

এই খবরটিও পড়ুন

ঐন্দ্রিলা-ঐশ্বর্যর মা শিখা শর্মাও ক্যানসারে আক্রান্ত। তাঁরও তিনবার ক্যানসার হয়েছে। ওরাল কেমো-থেরাপি করছিলেন। সেই চিকিৎসা শেষ হয়েছে। তা হলে কি তিনি ক্যানসার মুক্ত হয়েছেন। ঐন্দ্রিলা বলেন, “না, ঠিক তা নয়। ওই আর কী, ধামাচাপা দিয়ে রাখা। মা এমনিতে ভাল আছেন।”

২০২২ সাালের ১ নভেম্বর হঠাৎ জানা যায়, ব্রেন স্ট্রোক হয়েছে ঐন্দ্রিলার। কোমায় চলে গিয়েছিলেন অভিনেত্রী। টানা ২০দিনের লড়াই চলেছিল তাঁর। পরপর হার্ট অ্যাটাক হয়েছিল। কখনও হাত নেড়েছিলেন, কখনও পা। কিন্তু চোখ খুলে তাকাননি অভিনেত্রী। তারপর চিরনিন্দ্রায় চলে গেলেন বাড়ির ছোট্ট আদরের মেয়ে। পিছনে রেখে গেলেন বাবা ডঃ উত্তম শর্মা, মা নার্স শিখা শর্মা, দিদি ডঃ ঐশ্বর্য শর্মাকে। আর ফেলে গেলেন তাঁর প্রেমিক অভিনেতা সব্যসাচী চৌধুরীকে। যে সব্যসাচী তাঁকে প্রাণের চেয়েও বেশি ভালবেসেছেন। তিনিও সব্যসাচীকে ততোধিক ভরিয়ে রেখেছিলেন ভালবাসায়। দেড় বছর হতে চলল ঐন্দ্রিলা নেই, কিন্তু তিনি রয়ে গিয়েছেন অগুনতি মানুষের হৃদয়ে।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *