মুনমুনের জন্মের আগে আরও এক সন্তানের জন্ম দেন সুচিত্রা সেন, কীভাবে মৃত্যু হয় তাঁর? - Bengali News | Did you know suchitra sen's first child died and here is the sad story - 24 Ghanta Bangla News
Home

মুনমুনের জন্মের আগে আরও এক সন্তানের জন্ম দেন সুচিত্রা সেন, কীভাবে মৃত্যু হয় তাঁর? – Bengali News | Did you know suchitra sen’s first child died and here is the sad story

Spread the love

জানেন কি, টলিউডের মহানায়িকা সুচিত্রা সেনের অভিনেত্রী হওয়ার ইচ্ছা ছিল না একদমই। বিয়ের পরই জীবনটা পাল্টে গিয়েছিল সুচিত্রার। কলকাতার বড়লোক বনেদি পরিবারের বউ সুচিত্রা। নামকরা আইনজীবী আদিনাথ সেনের পুত্র দিবানাথ সেনের সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল তাঁর। প্রথম সন্তানের জন্মের পর কিছুদিনের মধ্যেই সেই সন্তানের মৃত্যু হয়। তারপরই সুচিত্রার জীবন পাল্টাতে শুরু করে ভীষণরকম।

সুচিত্রা সেনের বিয়ের আগের নাম ছিল রমা দাশগুপ্ত। জন্ম হয় বাংলাদেশে। পিতার নাম করুণাময় দাশগুপ্ত, মা ইন্দিরা দাশগুপ্ত। রমা ছিলেন তিন বোন এবং দুই ভাই। রমা, হেনা, লীনা, রুনা নিমাই, গৌতম। এই বিরাট পরিবারের সঙ্গে পুরীতে বেড়াতে গিয়েছিলেন রমা। সেখানে গিয়ে দিবানাথের ঠাকুরমার সঙ্গে দাশগুপ্ত পরিবারের পরিচয়। সুন্দরী রমাকে তিনি নাতবউ করতে ব্যস্ত হয়ে ওঠেন। বেয়াদপ মেরিন ইঞ্জিনিয়ার দিবানাথের সঙ্গে নিজের নাতির বিয়ে দিয়ে তাঁকে ঘরমুখী করতে চেয়েছিলেন বৃদ্ধা। মাত্র ১৬ বছর বয়সে রমার বিয়ে হয় দিবানাথের সঙ্গে। ৩৬ নম্বর বালিগঞ্জ প্লেসের প্রাসাদোপম বাড়িতে বধূবরণ হল রমার। বিয়ের পর নাম পাল্টে হল সুচিত্রা।

এই খবরটিও পড়ুন

সারাটা জীবন ভাই-বোনদের সঙ্গে বড় হওয়া সুচিত্রার দম আটকে যেত বিরাট বাড়িটায়। বিয়ের এক বছরের মধ্যে ফুটফুটে পুত্র সন্তানের জন্ম হল তাঁর। কিন্তু সেই সন্তানের মৃত্যুও হল কিছুদিন পরই। অপয়া তকমা জুটল সুচিত্রার কপালে। তাঁকে দিনরাত কথা শোনাতেন দিবানাথ। সুচিত্রাকে বসে-বসে খাওয়াতে নারাজ ছিলেন তিনি। ফন্দি আঁটলেন, সুচিত্রাকে দিয়ে সিনেমায় অভিনয় করাবেন। তাঁকে নিয়ে গেলেন স্টুডিয়ো পাড়ায়। রোজগেরে করে তুললেন সুচিত্রাকে। একটা সময় উপার্জনের সব টাকা সুচিত্রা নিয়ে এসে তুলে দিলেন দিবানাথের হাতেই! মুনমুন সেনের জন্মের পরও সেই চিত্রটা পাল্টায়নি মহানায়িকার জীবনে। একাধিক সাক্ষাৎকারে বলেও গিয়েছিলেন, তিনি সিনেমায় অভিনয়টাই করতে চাননি।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *