রূপঙ্কর হাটে হাঁড়ি ভেঙেছেন, বাড়িতে ধুন্ধুমার বাবা-মায়ের, ‘অনির্বাণের কথাটা বলে দিলে তুমি…’ – Bengali News | How did singer rupankar bagchis daughter mehul react to her fathers act of disclosing her liking for actor anirban Bhattacharya
মেয়ে মহুলের সঙ্গে বাড়িতে দিনরাত ঝামেলা চলছে গায়ক রূপঙ্কর বাগচীর।
‘বাবা তুমি কম কথা বলো!’, কেকে-কাণ্ডের পর বাবা গায়ক রূপঙ্কর বাগচীকে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন কন্যা মহুল। কিন্তু বাবা শোনার পাত্র নন। মেয়ের জীবনের চরমতম সিক্রেট ফাঁস করে দিলেন খোলা হাটে। হাঁড়ি ভেঙে দিলেন। মেয়ে মহুল যে অভিনেতা অনির্বাণ ভট্টাচার্যর জন্য ব্যাকুল, তা জানিয়ে দিলেন সোশ্যাল মিডিয়া (ফেসবুক)-এ লম্বা পোস্ট করে। তারপর থেকে বাড়ির কার্নিশে কাকপক্ষী বসতে পারছে না। বাবাকে উত্তম-মধ্যম কথা শোনাচ্ছেন কন্যা। বলছেন, “আমার ভালবাসার কথাটা তুমি সবাইকে এইভাবে বলে দিলে বাবা! এটা পারলে তুমি করতে। তোমার খারাপ লাগল না।” কাঁচুমাচু মুখ করে TV9 বাংলাকে সেই কথা জানিয়েছেন রূপঙ্কর। বললেন, “আর বলবেন না। মেয়ের কাছে উঠতে-বসতে ঝাড় খাচ্ছি।”
কিছুদিন আগেই একটি পোস্ট করেছিলেন গায়ক রূপঙ্কর বাগচী। অভিনেতা অনির্বাণ ভট্টাচার্যের সঙ্গে একটি শুটিং সেরেছেন তিনি। প্রতিভাবান অভিনেতার আন্তরিকতা তাঁর মন ছুঁয়ে গেছে। অনির্বাণ ভট্টাচার্যের মহিলা ভক্ত সংখ্যা নিছক কম নয়। রূপঙ্করের কন্যা মহুলও তাঁকে বড্ড ভালবাসেন। সম্মান করেন। ফেসবুকে পোস্ট করে অনির্বাণের প্রতি মেয়ের ভালবাসা খোলসা করেছেন রূপঙ্কর। যাকে বলে হাটে হাঁড়ি ভেঙে দিয়েছেন। আর তারপর থেকেই অশান্তির বেগ গায়কের পরিবারে।
কিছুদিন আগেই এক একান্ত সাক্ষাৎকারে রূপঙ্কর TV9 বাংলাকে বলেছিলেন, “আমার মেয়ে আমার মায়ের মতো। আমি ওকে শাসন করি না। বরং ও আমাকে শাসন করে। আমি কিন্তু ওকে ভীষণ ভয় পাই। আমার মেয়ে আমাকে বলেছে বেশি কথা বলতে না।” এই সাক্ষাৎকার প্রকাশিত হওয়ার ঠিক কয়েকদিনের মধ্যেই ‘বেশি-বেশি কথা’ বলে ফেলেছেন রূপঙ্কর। অভিনেতা অনির্বাণ ভট্টাচার্যকে যে মহুল পছন্দ করেন, সেই কথা সকলের সামনে তুলে ধরে এক লম্বা ফেসবুক পোস্টে রূপঙ্কর লিখেছেন, “মহুল বড় হয়ে গিয়েছে, সেটাই স্বাভাবিক! মেয়ের থেকে এখন মায়ের ভূমিকাতেই ও সাবলীল। এদিক থেকে ওদিক হলেই ওর শাসনের ভয় থাকে। আমি মোটামুটি আমার ছোটবেলাতেই আবার ফিরে গিয়েছি। গতকাল এই ভদ্রলোকের সঙ্গে একটি শুটিং ছিল। এবং তারপর থেকেই বাড়ি আসা ইস্তক মহুলের যে কী আদর আমাকে, কী বলব। কী যে যত্ন করছে কী বলব। ভাই অনির্বাণ, তোমার আরও উন্নতি হোক! আমার মতো বাবাদের কাছে তুমি ত্রাতা মধুসূদন!”
এই খবরটিও পড়ুন
আর তারপর থেকেই বাগচী পরিবারে অশান্তির ঝড়। রূপঙ্কর বলেছেন, “আর বলবেন না, অনির্বাণের কথাটা ফেসবুকে লেখার পর থেকে আমার মেয়ে যা শুরু করেছে। প্রচণ্ড অশান্তি করছে। বলছে, বাবা তুমি এত কথা কেন বলো। আমি না তোমাকে চুপ করে থাকতে বলেছিলাম। জানেন, পারলে আমাকে বাড়ি থেকে বের করে দেয় আমার মেয়ে।”