South 24 Parganas: লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ঙ্গীয় গ্রামীণ বিকাশ ব্যাঙ্কের পরিচালকের বিরুদ্ধে – Bengali News | South 24 parganas Allegations of embezzlement of lakhs of rupees against the director of Ngiya Grameen Bikas Bank
দক্ষিণ ২৪ পরগনা: ভোটের মুখে বঙ্গীয় গ্রামীণ বিকাশ ব্যাঙ্কের এক গ্রাহক পরিষেবা কেন্দ্রের পরিচালকের বিরুদ্ধে মহিলা স্বনির্ভর দলের লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠল। দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার ঢোলাহাট থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সভানেত্রী সহ দলের সদস্যরা। ফেরার অভিযুক্ত জহর মান্না। তদন্তে পুলিশ এবং ব্যাঙ্ক। এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই শাসক বিরোধী তরজায় সরগরম মথুরাপুর লোকসভা কেন্দ্র।
কুলপি ব্লকের ঢোলাহাট গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় একাধিক স্বনির্ভর গোষ্ঠী রয়েছে। এই গোষ্ঠীর মহিলা সদস্যরা ব্যাঙ্কের মাধ্যমে ঋণ নিয়ে ছোটখাট ব্যবসা করেন। টাকা পরিশোধ করা হয়ে গেলে নতুন করে আবার ঋণ নেন। এই পঞ্চায়েতের নাকালি গ্রামের সীমা মহিলা স্বনির্ভর গোষ্ঠীর অভিযোগ, গত ১৪ ফেব্রুয়ারি বঙ্গীয় গ্রামীণ বিকাশ ব্যাঙ্কের ঢোলাহাট শাখা থেকে ৬ লক্ষ টাকা ঋণ অনুমোদন হয়। সেই টাকা গোষ্ঠীর অ্যাকাউন্টেও ঢোকে। এরপর সেই টাকা মহিলা সদস্যরা নিজেদের ব্যবসার কাজে লাগানোর জন্য তুলতে যান। এই ব্যাঙ্কের পক্ষ থেকে নাকালি গ্রামের গ্রাহক পরিষেবা কেন্দ্র থেকে তুলতে বলা হয়। এই পরিষেবা কেন্দ্রটি চালান জহর মান্না।
অভিযোগ, ৭ জন মহিলাকে টিপ ছাপ নিয়ে সাড়ে ৩ লক্ষ টাকা জহর আত্মসাৎ করেন। টাকা চাইতে গেলে বারে বারে ঘোরানো হয়। এরমধ্যে পরিষেবা কেন্দ্র বন্ধ করে অভিযুক্ত জহর মান্না পালিয়ে যায়। অসহায় মহিলারা জহরের বাড়িতে গেলে পরিবারের লোকজন অপমান করে বের করে দেয়। এরপরেই ঢোলাহাট থানায় গোষ্ঠীর সভানেত্রী সহ সদস্যরা লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এই গোষ্ঠী ছাড়াও একাধিক গোষ্ঠীর ৩২ লক্ষ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে এই জহর মান্নার বিরুদ্ধে।
এই ঘটনার পর থেকে পলাতক জহর মান্না। তাঁর বাড়িতে গিয়ে খোঁজ মেলেনি। জহরের দাদা গৌতম মান্না ভাইয়ের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ এক প্রকার স্বীকার করে নিয়ে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। তবে বঙ্গীয় গ্রামীণ বিকাশ ব্যাঙ্কের ঢোলাহাট শাখার সহকারি ম্যানেজার সঞ্জয় ঘোড়াই ঘটনার কথা স্বীকার করে নিয়েছেন। তদন্ত শুরু হয়েছে। ব্যাঙ্ক এই দুর্নীতির সঙ্গে কোনভাবে জড়িত নয় বলে তিনি জানান।