Rinku Singh, KKR: GG-এর ব্রেন ‘চুরি’ করতে চান রিঙ্কু সিং!

গৌতম গম্ভীরকে কি প্লেয়াররা ভয় পান? হতে পারে। নিজের নামের মতোই গম্ভীর গৌতম। টিমের জন্য সর্বস্ব দেওয়াই লক্ষ্য থাকে। খেলোয়াড় জীবনে হোক বা পরবর্তীতে মেন্টর হিসেবে, টিমের জন্য লড়াই করেন। এর জন্য বিতর্কেও জড়িয়েছেন। কলকাতা নাইট রাইডার্সের ক্যাপ্টেন থাকাকালীন বিরাট কোহলির সঙ্গে বিতর্কে জড়িয়েছিলেন। তেমনই গত মরসুমে লখনউ সুপার জায়ান্টসের মেন্টর থাকাকালীনও এমন ঘটনা হয়েছে। ক্রিকেটীয় মস্তিষ্কের দিক থেকে গৌতম গম্ভীর লা জবাব।
ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে দু-বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে কলকাতা নাইট রাইডার্স। দু-বার ক্যাপ্টেন ছিলেন গৌতম গম্ভীর। তেমনই ২০১১ সালে ভারতের বিশ্বকাপ জয়েও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে গম্ভীরের। বিশেষ করে বলতে হয় ফাইনালে তাঁর অনবদ্য ইনিংসের কথা। টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে একবারই বিশ্বকাপ জিতেছে ভারত। ২০০৭ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের উদ্বোধনী সংস্করণের ফাইনালে পাকিস্তানকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন। ফাইনালের মঞ্চে ৭৫ রানের ইনিংস খেলেছিলেন গম্ভীর।
কলকাতা নাইট রাইডার্সে এ বার মেন্টর হয়ে ফিরেছেন গৌতম গম্ভীর। স্বাভাবিক ভাবেই সকলেই মুখিয়ে কেকেআরের পারফরম্যান্সের দিকে। সমর্থকরা যেমন উত্তেজনায় ফুটছেন, একই পরিস্থিতি কেকেআর প্লেয়ারদেরও। রিঙ্কু সিংয়ের মতো তরুণ ক্রিকেটারই যেমন। গত বছর কেকেআর জার্সিতে দুর্দান্ত পারফর্ম করেছিলেন। এ বার গম্ভীরের থেকে শেখার সুযোগ পাচ্ছেন।
কেকেআরকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রিঙ্কু বলেন, ‘গত বছর কেকেআর জার্সিতে ভালো পারফর্ম করেছি। যদিও আমরা প্লে-অফে কোয়ালিফাই করতে পারিনি। টিম হিসেবে ভালো খেলেছি। এরপর জাতীয় দলেও খেলেছি। ওখানে রাহুল স্যার (রাহুল দ্রাবিড়), বিক্রম স্যারের (বিক্রম রাঠোর) থেকে অনেক কিছু শেখার সুযোগ হয়েছে। এ বার GG স্যারের (গৌতম গম্ভীর) থেকে শেখার সুযোগ। যত কথা বলব, বোঝাপড়া বাড়বে। আমি একটা জিনিস আলাদা করে শিখতে চাই। জিজি স্যার যখন খেলতেন, তখন তাঁর মস্তিষ্কে কী চলত। এই বিষয়টা নিয়ে আগ্রহ রয়েছে।’