Mahua Moitra: লোকসভা ভোটের আগেই বিপাকে মহুয়া মৈত্র, পড়তে হবে CBI-র চোখা প্রশ্নের মুখে – Bengali News | Lokpal Directs CBI to Investigate Cash for Query Case Against Expelled TMC MP Mahua Moitra
নয়া দিল্লি: লোকসভা নির্বাচনের মুখেই বিপাকে বহিষ্কৃত তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র। ভোটের আগেই ঘুষকাণ্ড বাড়াল অস্বস্তি। এবার সিবিআই-র প্রশ্নের মুখে পড়তে হবে তৃণমূল নেত্রীকে। মঙ্গলবার দুর্নীতি দমন শাখা লোকপাল মহুয়া মৈত্রের ঘুষের বিনিময়ে সংসদে প্রশ্ন করার মামলার তদন্ত সিবিআই-কে করার নির্দেশ দেয়। আগামী ছয় মাসের মধ্যে সিবিআই-কে তদন্তের রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে।
ঘুষের বিনিময়ে সংসদে প্রশ্ন করার মারাত্মক অভিযোগ রয়েছে মহুয়া মৈত্রের বিরুদ্ধে। বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবেই প্রথম অভিযোগ এনেছিলেন যে তৃণমূল সাংসদ ঘুষের বিনিময়ে সংসদে প্রশ্ন করেন। উঠে আসে দুবাইয়ের ব্যবসায়ী দর্শন হিরানন্দানির নাম। মহুয়া মৈত্রের প্রাক্তন সঙ্গী তথা সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী জয় অনন্ত দেহদ্রাই-ও এই অভিযোগ সমর্থন করেন এবং প্রমাণ পেশ করেন। সংসদে অভিযোগ ওঠার পর এথিক্স কমিটি গঠন করা হয়।
গত বছরের ডিসেম্বর মাসে এথিক্স কমিটির তদন্তের পর সংসদে “অনৈতিক কার্যকলাপের” অভিযোগে সাংসদ পদ থেকে বহিষ্কার করা হয় তৃণমূল নেত্রীকে। এবার সেই মামলার তদন্তভার সিবিআই-র হাতে তুলে দিল লোকপাল।
মঙ্গলবার লোকপাল-র রিপোর্টে বলা হয়েছে, “সমস্ত রেকর্ড ও প্রমাণ বিচার-বিশ্লেষণ করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে জনপ্রতিনিধি (মহুয়া মৈত্র)-র বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অত্যন্ত গুরুতর। সত্য সামনে আনার জন্য আরও গভীরে তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। জনপ্রতিনিধির বর্তমানে যে অবস্থান ও স্টেটাস রয়েছে, তা অনুযায়ী এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”
রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, “দুর্নীতি এমন একটি সমস্যা যা গণতান্ত্রিক দেশে আইন, প্রসাশনিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক কার্যক্রমকে প্রভাবিত করছে। লোকপালের আইন অনুযায়ী আমাদের দায়িত্ব দুর্নীতিকে গোড়া থেকে উপড়ে ফেলা। আমরা সিবিআই-কে এই অভিযোগের তদন্ত করার নির্দেশ দিচ্ছি এবং ছয় মাসের মধ্য়ে তদন্তের রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিচ্ছি। প্রতি মাসে সিবিআই-কে তদন্তের অগ্রগতির রিপোর্ট জমা দিতে হবে।”
প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালে কৃষ্ণনগর লোকসভা কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের প্রার্থী হিসাবে জয়ী হয়েছিলেন মহুয়া মৈত্র। এবারও দলের তরফে তাঁকে কৃষ্ণনগর থেকেই প্রার্থী করা হয়েছে। তবে লোকসভা নির্বাচনের আগে ঘুষকাণ্ডে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ বহিষ্কৃত সাংসদের অস্বস্তি বাড়াতে পারে।