Hooghly: রোজার মাঝে গলা ভিজোতে ফ্রুটি জুসে চুমুক দিতেই রক্তে ভিজল মাটি! হাহাকার পড়ল এলাকায় – Bengali News | Hooghly allegation of kepmari outside chandannagar hospital after taking drugs with fruit
হাসপাতালের বাইরে হাহাকারImage Credit source: TV9 Bangla
হুগলি: রমজান মাস! রোজা করছেন ওঁরা। এদিকে, আত্মীয়রা আবার ভর্তি হাসপাতালে। দিনরাত হাসপাতালের বাইরে পড়ে থাকছেন তাঁরা। হাসপাতালের বাইরে এরকমই তিন জনের সঙ্গে ভাব জমান এক ব্যক্তি। কথাবার্তা জমে ওঠে। তারপর রোজার মধ্যে গলা ভেজানোর জন্য জুস খাওয়ার অফার করেন তিনি। সেই ফ্রুটি খেতেই বেহুঁশ তিন জন। খোয়া গেল সর্বস্ব। পানীয়ের সঙ্গে মাদক পান করিয়ে কেপমারির ঘটনা ঘটল চন্দননগর হাসপাতাল চত্বর এলাকায়!
হরিপালের বাসিন্দা শেখ মহম্মদ ওলিউল্লা, শ্রীমন্ত সিং, ডানকুনির আজিজুল মল্লিক-তিন জনেরই নিকট আত্মীয় ভর্তি চন্দননগর হাসপাতালে।অ্যানেক্স বিল্ডিয়ের সামনে আরও অনেকের সঙ্গে তাঁরা রাত জাগছিলেন। তাঁদের দাবি, এক মধ্য বয়সী ব্যক্তি গিয়ে তাঁদের সঙ্গে ভাব জমান। এরপর ফ্রুটি খেতে দেন। তিনজনেই অল্প করে পানীয়তে চুমুক দেন।
তাঁদের দাবি, কয়েক মুহুর্তে প্রায় অচৈতন্য হয়ে পড়েন তিন জনই। সকালে ঘুম ভাঙলে দেখেন মোবাইল টাকা গায়েব। মহম্মদ ওলিউল্লা উঠে শৌচালয়ে গিয়ে মাথা ঘুরে পড়ে যান। মাথা ফেটে যান। তাঁর প্রাথমিক চিকিৎসা করানো হয় হাসপাতালেই। মাদকের প্রভাব এতটাই উঠে দাঁড়াতে পারছেন না তিনজনই।
মহম্মদ ওলিউল্লা বলেন, “আমি রোজা করি। রাতে একজন বলল একটু জুস খান।খাওয়ার পর আর হুঁশ ছিল না। সকালে উঠে মুখ ধুতে গিয়ে পড়ে যাই। মাথা ফেটে যায়।হাসপাতালে অনেক ধরনের মানুষ আসেন। কর্তৃপক্ষের নিরাপত্তা নিয়ে ভাবা দরকার।”
হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, হাসপাতালের জরুরি বিভাগ সহ বিভিন্ন ওয়ার্ডে সিসি ক্যামেরা থাকলেও অ্যানেক্স বিল্ডিং নতুন হওয়ায় সেখানে সিসি ক্যামেরা বসানো হয়নি। হাসপাতালের প্রবেশদ্বারেও নেই সিসি ক্যামেরা, নিরাপত্তারক্ষী। রোগীর পরিজন যাঁরা রাতে থাকেন, তাঁদের বার বার বলা হয়েছে অপরিচিত কারোর থেকে কিছু না খেতে, রোগীর পরিজনদেরও একটু বেশিই সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।