Sandeshkhali: বেছে বেছে নিরাপরাধ মানুষদের গ্রেফতার করেছিল পুলিশ? CBI তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য – Bengali News | As per CBI Investigation police arrested innocent people selectively in Sandeshkhali attack on ED
কাদের গ্রেফতার করেছিল সেদিন পুলিশImage Credit source: Tv9 Bangla
কলকাতা: সন্দেশখালিতে ইস্যুতে এবার রাজ্য পুলিশের ভূমিকা নিয়ে উঠল বড় প্রশ্ন। দলবল জুটিয়ে ইডি আধিকারিকদের উপর হামলায় ঘটনায় পুলিশের হাতে যে সাতজন গ্রেফতার হয়েছিলেন তাঁরা নিরাপরাধ? কেন্দ্রীয় এজেন্সির তদন্তে উঠে এল সেই রকমই একাধিক তথ্য বলে সূত্রের খবর।
গত বৃহস্পতিবার বসিরহাট আদালতে আবেদন জানিয়ে রাজ্য পুলিশের হাতে ধৃত সাতজনকে নিজেদের হেফাজতে নেয় কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। সিবিআই সূত্রে খবর, ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন তাঁরা। খতিয়ে দেখা হয় তাঁদের মোবাইল ফোনের টাওয়ার লোকেশন। ঘাটাঘাটি করা হয় পারিপার্শ্বিক তথ্যও। তখনই তদন্তকারীরা বোঝেন এই হামলার ঘটনায় পর্যাপ্ত প্রমাণ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে নেই।
অন্যদিকে ধৃতদেরও দাবি, তারা ওই ঘটনার সঙ্গে যুক্তই নন। শাহজাহান ঘনিষ্ট এক পঞ্চায়েত প্রধান তাঁদের থানায় যেতে নাকি নির্দেশ দিয়েছিল। আর যেই মুহূর্তে তাঁরা থানায় পৌঁছয়, পুলিশ তাঁদের গ্রেফতার করে। ধৃতদের বয়ান কতটা সঠিক তা খতিয়ে দেখতে শনিবার রাজ্য পুলিশের হতে ধৃত সুকোমল সর্দার এবং মেহবুব মোল্লার পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন সিবিআই আধিকারিকরা। সিবিআই সূত্রে খবর, অভিযুক্তদের বয়ান রেকর্ড করা হয়েছে। রবিবার রামপুরের বাসিন্দা সঞ্জয় মণ্ডল নামে আরও এক অভিযুক্তের পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন গোয়েন্দারা।
সূত্রের খবর, যদি ধৃতদের দাবি সঠিক প্রমাণিত হয় তাহলে এটাই পরিষ্কার হবে,আসল অপরাধীদের আড়াল করতে শাহজাহান ও তাঁর শাগরেদরা ন্যাজাট থানার আধিকারিক এবং জেলা পুলিশকে প্রভাবিত করেছিল। শুধু তাই নয়, নিরাপরাধ মানুষদের গ্রেফতার করা হয়েছিল যারা এই ঘটনায় যুক্ত ছিলেনই না। অর্থাৎ, প্রশ্নের মুখে পুলিশের ভূমিকাও। শুধু তাই নয়, সেই সঙ্গে মূল অভিযুক্তদের গ্রেফতার না করে শাজাহান এবং তাঁর অনুগামীদের তথ্য প্রমাণ লোপাট করতে পরোক্ষ ভাবে কি সাহায্য করেছে পুলিশ? উঠছে সেই প্রশ্নও।