Sandeshkhali: ‘সব বিল হত পার্টির নামেই, আর টাকাগুলো যেত…’, সন্দেশখালির টাকার লেনদেনের আসল ‘কর্তা’ কারা, ফাঁস করলেন শাহজাহানেরই অ্যাকাউন্ট্যান্ট – Bengali News | Sandeshkhali: Seikh Sahajahan’s Accountant told every thing on transaction of Sahajahan’s company Sandeshkhali
সন্দেশখালি: বৃহস্পতিবার একদম কাকভোরে উত্তর ২৪ পরগনার সন্দেশখালির ধামাখালিতে হানা দেন ইডি আধিকারিকরা। সেখানে শেখ শাহাজাহান ঘনিষ্ঠ রিন্টু মোল্লা, আইনুর মোল্লা ও জামালউদ্দিন মোল্লার বাড়িতে হানা দেন তাঁরা। মাছের ব্যবসার আড়ালে কি চলত কালো টাকা সাদা করার খেলা? সেই উত্তরের খোঁজেই মুলত শাহজাহান ঘনিষ্ঠ মইদুল মোল্লার শ্যালক রিন্টু মোল্লার বাড়িতে উপস্থিত হন গোয়েন্দারা।
বস্তুত, গোয়েন্দাদের কাছে আগেই খবর ছিল মাছের ব্যবসার আড়ালে নাকি চলছিল বেনিয়মের খেলা। অভিযোগ, মাছের আমদানি-রফতানি করার আড়ালে শেখ শাহজাহানের একাধিক কোম্পানি বিপুল টাকা তছরূপ করছিল। এরপর ফেব্রুয়ারি মাসে ইসিআইআর দায়ের করে তদন্ত শুরু করে ইডি। তল্লাশি চলে হাওড়া, কলকাতা সহ একাধিক এলাকায়। এরপর আজ শেখ শাহাজাহান ঘনিষ্ঠ মাছ ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত এই সকলের বাড়িতে হানা দেন গোয়েন্দারা।
কে এই মইদুল মোল্লা?
টিভি৯ বাংলাকে মইদুলকে নিয়ে পর্দাফাঁস করলেন শাহজাহানের আরও এক হিসাব রক্ষক বিজয় সাহা। তিনি জানান, এই মইদুলই মূল হিসাব দেখাশোনা করতেন। শাহজাহানের ক’টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট, কোন কোন অ্যাকাউন্টে মাছের ব্যবসার লেনদেন, সবই জানতেন মইদুল।
কী ভাবে চলত শাহজাহানের মাছের ব্যবসা?
বিজয় সাহা বলেন, “ধামাখালি মার্কেট, সরবেড়িয়া মার্কেট, থেকে পার্টিরা মাছ দেয়। আমাদের ছেলেরা সেইগুলো কেনেন। তারপর মাছ কোম্পানিতে যায়, এরপর প্রতিটি পার্টির নামে বিল করে দেয়। প্রায় কয়েকশো কোটি টাকার ব্যবসা রয়েছে। ৭০-৮০ জন ব্যাপারী রয়েছে। ওরাই মার্কেট থেকে মাছ কিনে দিত। আর টাকা গুলো যেত শেখ সাবিনা ব্যাঙ্ক অ্যাকউন্ট থেকে। মূলত এই টাকা পয়সারই হিসাব দেখতেন মইদুল।”
উল্লেখ্য, এ দিনের এই ইডি অভিযান ঘিরে সরগরম হয়ে ওঠে ধামাখালি। ধামাখালির কাছে একটি মাছের পাইকারি বাজার ঘিরে রেখে চলে তল্লাশি। প্রশ্ন ওঠে, তাহলে কি শ্যালক রিন্টু মোল্লার বাড়িতে নথি পাচার করতেন মইদুল?