Ayurveda Tips: গুড়-রসুনের এই চাটনি নিয়ম করে খেলে কোলেস্টেরল ধুয়ে মুছে সাফ হয়ে যাবে, সুরক্ষিত থাকবে হৃদয়ও – Bengali News | From reduce bad cholesterol to prevent heart attack know amazing health benefits of garlic and jaggery combination
কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতে যা খাবেন
বর্তমানে হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক, কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট এবং হৃদরোগের মত ঘটনা খুব দ্রুত বাড়ছে। আর হৃদরোগের নেপথ্য কারণ হিসেবে ধরা হয় হাই কোলেস্টেরল এবং উচ্চ রক্তচাপকে। রক্তনালীর মধ্যে খারাপ কোলেস্টেরল জমতে জমতে তা ব্লক করে দেয়, যে কারণে রক্তপ্রবাহ ধীর বা বন্ধ হয়ে যায়। আর তাই পরিস্থিতি বিপদসীমার বাইরে যাওয়ার আগে রক্ত থেকে কোলেস্টেরল বের করে দিতে হবে। কোলেস্টরল জমার প্রধান কারণ হল আমাদের জীবনযাত্রা। অতিরিক্ত পরিমাণ ফাস্টফুড, একটানা বসে কাজ করা, কোনও রকম শরীরচর্চা না করা এসব কারণেই কোলেস্টেরল বাড়তে থাকে। কোলেস্টেরল বাড়তে থাকলে চিকিরসকের পরামর্শ মেনে ওষুধ তো খেতেই হবে পাশাপাশি খেতে পারেন গুড়-রসুন। এই দুই এর মিশ্রণ যেমন আমাদের হার্ট ভাল রাখে তেমনই সামগ্রিক ভাবে সুস্থ থাকতেও সাহায্য করে।
ভাবছেন তো কী ভাবে খাবেন এই দুই উপাদান? এ বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছেন আর্য়ুবেদিক মিহির খাত্রী। আয়ুর্বেদ অনুষ্ঠানে রসুন-গুড়ের চাটনি নিয়মিত ভাবে বানিয়ে খেলে শরীর সুস্থ থাকে, অনেক রকম রোগ সমস্যা থেকেও দূরে থাকা যায়। আর্য়ুবেদ অনুসারে, সকালে ঘুম থেকে উঠে এই মিশ্রণ খেতে পারলে হার্ট সুস্থ থাকে। তবে নতুন গুড় নয়, পুরনো গুড়ের সঙ্গেই মিশিয়ে নিতে হবে কয়েক কোয়া রসুন। এই চাটনি যদি সকালে খালি পেটে না খেতে পারেন তাহলে ব্রেকফাস্ট বা লাঞ্চে খেতেই পারেন।
রসুন গুড় খাওয়ার উপকারিতা
নিয়মিত রসুন-গুড় খেলে গ্যাস-অম্বলের সমস্যা দূর হয়ে যায়। শরীরের যে কোনও ব্যথা-বেদনা থেকে মুক্তি পেতে, রক্ত পাতলা করতে, কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতে, শরীরের তাপমাত্রা বজায় রাখতে সাহায্য করে। তবে রসুন গুড় আমাদের শরীর গরম রাখে তাই গরমকালে রোজ একেবারেই খাবেন না। সপ্তাহে একদিন খেতে পারেন। এছাড়াও যাঁরা গর্ভবতী তাঁদেরও এই মিশ্রণ এড়িয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।
হজমের সমস্যায় উপকারী এই মিশ্রণ
হজমের সমস্যা এখন ঘরে ঘরে লেগেই রয়েছে। আর তাই এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে বানিয়ে নিন এমন চাটনি। এই চাটনি খেলে পেটে কৃমিও হবে না। আয়ুর্বেদ মতে রসুন আর গুড় শরীরের জন্য খুব ভাল। এই দুই এর মিশ্রণ শরীরে রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা বাড়ায়, কোনও রকম জীবানুকে প্রবেশে বাধা দেয়। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে, জয়েন্টের ব্যথা কমাতে, কৃমি দূর করতে, কোলেস্টেরল কমাতে এবং সর্দি-কাশি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। সঙ্গে হজম ক্ষমতা তো বাড়েই।
গুড়ে রয়েছে জিঙ্ক, সেলেনিয়াম- যা লিভার ডিটক্সিফাই করতে সাহায্য করে। সঙ্গে রক্তও শুদ্ধ করে। শ্বাসকষ্ট থেকে মুক্তি, হজম ক্ষমতা বাড়াতে এবং শরীরে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বাড়াতে এই গুড়-রসুনের কোনও তুলনা নেই।