‘প্রথম বলে ছয় না মারলেই…’, ‘বহিরাগত’ হওয়ার কারণে চরম সিদ্ধান্ত আয়ুষ্মানের – Bengali News | Ayushmann Khurrana opens up on his debut film why she left 6 film
সাল ২০১২, বলিউডের পাতে এসে পড়েছিল এক নতুন স্বাদের অভিনেতা। ছক ভাঙা চরিত্রই যাঁর অভিনয়ের চারিত্রিক বৈশিষ্ট হয়ে দাঁড়ায়। তারপর থেকে আর ফিরে তাকানো হয়। কখনও বাধাই হো, কখনও আন্ধাদুন, কখনও ড্রিমগার্ল, একের পর এক ছবি দর্শক মনে ঝড় তুলেছে। নেই বিপুল বাজেটের ঘনঘটা, নেই মেগা স্টারদের উপচে পড়া ভিড়, যা আছে তা কেবলই এক সহজ, সরল উপস্থাপনায় সামাজিক সচেতনা মূলক গল্প। এবার সেই জাতীয় পুরস্কার জয়ী আয়ুষ্মান খুরানা TV9 নেটওয়ার্ক আয়োজিত গ্লোবাল সামিটের মঞ্চে। নতুন ভারতের জন্য সিনেমা প্রসঙ্গে শেয়ার করলেন নিজের মতামত।
বড়পর্দার কেরিয়ারে ১২ বছর পার, আজ আয়ুষ্মান চণ্ডিগড় থেকে বলিপাড়ার অন্দরমহলে, স্মৃতিতে ফিরে আবেগঘন আয়ুষ্মান খুরানা। বললেন, ”আমার এই সফর সত্যি সুন্দর। এই সফরে আমি খুব ভাল ভাল মানুষের সংস্পর্শে এসেছি। রেডিও সঞ্চালক হিসেবে কেরিয়ার শুরু, সাক্ষাৎকারে নেওয়া থেকে শুরু করে সাক্ষাৎকার দেওয়া, অভিনেতাদের চেনা শুরু একজন সাংবাদিক হিসেবে, আবার অভিনেতা হিসেবে সাক্ষাৎকার দেওয়া। অনেকেই হয়তো জানেন না, যে আমি ‘ভিকি ডোনার’-এর আগে ছ’টা ছবির প্রস্তাব ছেড়েছিলাম। কারণ আমি জানতাম, আমি একজন বহিরাগত, প্রথম বলে ছয় মারাটা জরুরী। নয়তো আমার হাতে আর কোনও বিকল্প নেই।”
‘ভিকি ডোনার’ থেকে ‘বাধাই হো’, ‘আন্ধাদুন’ যে ছবি তাঁকে জাতীয় পুরস্কার এনে দিয়েছে, আয়ুষ্মান খুরানাকে বলিউডে এক অন্যমাত্রায় পৌঁছে দিয়েছে, সেই সুপারস্টারডার্ম কখনই রাতারাতি আসে না। নিজেকে প্রতিটা মুহূর্তে ভেঙে গড়তে হয়। ছবি ভাষাকে প্রাণ দিতে আয়ুষ্মান তা প্রমাণ করেছেন বারেবারে। তিনি বললেন, ” আমার মনে আছে আমার বাবা বলতেন, ‘যদি সুপারস্টার নাও হও, সুপার স্ক্রিপ্ট সব সময় বেছে নিও। সেই চিত্রনাট্যই বেছে নিও যা বাস্তব।’ যা উপন্যাস থেকে নেওয়া হতে পারে, তাতে সমাজ পরিবর্তনের বার্তা থাকতে পারে, আর এটা বছরের পর বছর চলে আমার ক্ষেত্রে। আমি মনে করি এই সকল স্ক্রিপ্ট, এই সকল গল্পগুলোই আমায় এই জায়গায় পৌঁছে দিয়েছে। ভবিষ্যতেও আমি এমনই চরিত্র করতে চাই। সাধারণ ঘরের ছেলে, যে গল্পের সঙ্গে দর্শক মিল খুঁজে পাবেন।”