South Dinajpur: আসেনি OTP, আসেনি কোনও ডেবিট মেসেজ, তারপরেও কীভাবে ব্যাঙ্ক থেকে উধাও সব টাকা? বিক্ষোভ বংশিহারিতে - Bengali News | Customers' money disappeared from banks in Dakshin Dinajpur, protests by common people - 24 Ghanta Bangla News
Home

South Dinajpur: আসেনি OTP, আসেনি কোনও ডেবিট মেসেজ, তারপরেও কীভাবে ব্যাঙ্ক থেকে উধাও সব টাকা? বিক্ষোভ বংশিহারিতে – Bengali News | Customers’ money disappeared from banks in Dakshin Dinajpur, protests by common people

Spread the love

তুমুল বিক্ষোভ এলাকায় Image Credit source: TV-9 Bangla

বংশিহারি: রাষ্ট্রায়ত্ত্ব ব্যাঙ্কে সিএসপি থেকে উধাও একাধিক গ্রাহকের জমানো টাকা। মঙ্গলবার এমন ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই চাঞ্চল্য ছড়ায় দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বংশিহারির ব্লকের মহাবাড়ির পাথরঘাটা এলাকায়। অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা উধায়ের খবর ছড়াতেই ব্যাঙ্কে গিয়ে বিক্ষোভ প্রতারিত গ্রাহকদের। বিক্ষোভের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় বংশীহারী থানার পুলিশ। পরে পুলিশ ও ব্যাঙ্কের হস্তক্ষেপে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয় পরিস্থিতি। তদন্ত করে যথোপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাসও দেওয়া হয়েছে।

কিন্তু, কীভাবে অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা উধাও হয়ে গেল তা ভেবে কূলকিনারা পাচ্ছেন না গ্রাহকরা। সকলেই বলছেন, মোবাইলে আসেনি টাকা লেনদেনের কোনও মেসেজ। এমনকি গ্রাহকরা শেয়ার করেননি কোনও ওটিপি। তারপরেও কী করে অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা গায়েব হল তা নিয়ে ধন্দে পড়েছেন গ্রাহকরা। ব্যাঙ্কে টাকা তুলতে এসে জানতে পারছেন অ্যাকাউন্ট শূন্য। ঘটনার নেপথ্যে সাইবার জালিয়াতদের হাত রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।  

এই খবরটিও পড়ুন

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বংশীহারীর মহাবাড়ি, পাথরঘাটা এলাকার কল্পনা বেসরা, সপ্তমী মন্ডল, সনতি টুডু, কার্তিক মাহাতো, সনমুনি কিষ্কু, পূর্ণিমা রায় এদের প্রত্যেকের  অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা উধাও হয়েছে। কারও অ্যাকাউন্ট থেকে ৪০ হাজার, আবার কারও অ্যাকাউন্ট থেকে ৭০ হাজার টাকা গায়েব হয়ে গিয়েছে। সবমিলিয়ে প্রায় ৪-৫ লক্ষ টাকা গায়েব হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। যদিও ব্যাঙ্কের তরফে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে কোথায় টাকা গিয়েছে তা খতিয়ে দেখা হবে। প্রয়োজনে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যদিও এ বিষয়ে ব্যাঙ্কের ম্যানেজার নীরব বর্মন এনিয়ে সংবাদমাধ্যমের ক্যামেরার সামনে কিছু বলতে চাননি। 

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *