Ram-Sita: রাম-সীতা ভারতের নয়, প্রতিবেশী এই দেশের রাজা-রাণী! – Bengali News | Know About truth of birth place of sita from ramayana
রাম মন্দির নির্মাণ ও রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার আগে থেকেই ভারতে প্রায় যুদ্ধকালীন প্রস্তুতিতে চলছে তোরজোড়। এর মধ্যেই পুরোদমে চর্চা চলছে রাম কাহিনি, রামের জন্মস্থান ও রাম মন্দির নিয়ে নানা কথা। রামকে ঘিরে উন্মাদনার মাঝেই এক এক করে সিনেমা ও সিরিজ চালু হয়েছে। ছোট থেকে রামায়ণ-মহাভারত পড়ে বড় হওয়া ভারতীয়রা এককথায় বিশ্বাস করেন, রাম-সীতা হলেন মানুষের ভগবান। তাই তাঁকে ভগবানের আসনে বসিয়ে পুজো করা হলে মঙ্গল হয় সংসারের। রামের জন্মতারিখ কবে, কোথায় শ্রীরামচন্দ্রের জন্ম, সীতার জন্মভূমি কোথায়, তা সকলের কাছে পরিষ্কার থাকা উচিত।
রামচন্দ্রের জন্মস্থান ভারতের অযোধ্যায়। তা রামায়ণে উল্লিখিত। শুধু তাই নয়, রামরাজ্যে থাকা মানুষজনও বিশ্বাস করেন যুগের এক অবতার রূপে জনতার মাঝে অবতীর্ণ হয়েছিলেন তিনি। নেপালের জনকপুরে জন্মহয়েছিল সীতার। সেখানে রয়েছে জানকী মন্দিরও। তবে এনিয়েও রয়েছে ধন্দ। কারণ নেপাল মনে করে, রামের সঙ্গে প্রতিবেশী এই দেশের যোগ রয়েছে অযোধ্যা ও শ্রীলঙ্কার। ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যায়, জনকপুর বলে নেপালে কোনও জায়গা আগে ছিল না। মিথিলার রাজ্যের রাজার নাম ছিল জনক। সেখান থেকেই পরবর্তীকালে জনকপুর নামকরণ করা হয়। এবার মিথিলা কিন্তু নেপালের কোনও অংশের মধ্যে পড়ে না। বিহারের উত্তরভাগের সীতামাড়ি নামে একটি জায়গা রয়েছে। সেখানে রয়েছে সীতার জন্মস্থান হিসেবে একটি জানকী মন্দির। আর এই ম্যাপ ছিল অখণ্ড একটি ভারতের। তার বিস্তার ছিল অনেকটাই। ফলে বর্তমান যুগে বিভিন্ন জায়গার অধিকার নিয়ে এখনও চলে দ্বন্দ্ব। বিশেষ করে ধর্মীয় স্থান হিসেবে।
এই খবরটিও পড়ুন
অন্যদিকে রামায়ণের তথ্য অনুযায়ী, সীতা হলেন জনকের পালিতা কন্যা। মাঠে চাষ করার সময় লাঙলের ফলার নীচে খুঁজে পেয়েছিলেন সীতাকে। সীতা অর্থ হল, লাঙলের ফলা। মন্দিরের তথ্য অনুসারে, এই মন্দিরেই লাঙলের তলায় সীতাকে খুঁজে পেয়েছিলেন জনকরাজা। আবার অনেকে বলেন, এই মন্দিরেই রাম ও সীতার বিবাহ হয়েছিল। এখানে হয়েছিল সীতার স্বয়ংবর সভা। যেখানে পরশুরামের হরধনু ভঙ্গ করে সীতাকে বিবাহ করতে সক্ষম হয়েছিলেন রামচন্দ্র। কিন্তু রামায়ণে উল্লেখ রয়েছে, জনকরাজার রাজপ্রাসাদেই ঘটেছিল এই ঘটনা, সেখানেই বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন রাম-সীতা।