Car Tax: গাড়ির কর আদায়ে বড় সুযোগ দিচ্ছে সরকার, ছাড় পেতে পারেন আপনিও – Bengali News | Car tax penalty waive decision taken by transport department balurghat
কর আদায়ে একাধিক সুযোগ দিচ্ছে সরকার। Image Credit source: TV9 Bangla
দক্ষিণ দিনাজপুর: ফি-বছর গাড়ির কর হিসাবে সরকারি কোষাগারে কোটি কোটি টাকা জমা হয়। তবে কর বাকিও থাকে প্রচুর। যা পেতে কম কাঠখড় পোড়াতে হয় না সংশ্লিষ্ট দফতরকে। জানা গিয়েছে, দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় ১৮ হাজার গাড়ির বকেয়া কর প্রায় ৫ কোটি টাকা। এর মধ্যে ফিটনেস ফেল রয়েছে প্রায় ৮০০টির বেশি গাড়ির। বকেয়া কর তুলতে রাজ্য সরকার এবার তৎপর। লাগাতার প্রচার তো চলছেই। বকেয়া কর তুলতে গাড়ি মালিকদের নোটিসও দেওয়া শুরু করেছে বালুরঘাট আঞ্চলিক পরিবহণ দফতর।
পাশাপাশি জেলাজুড়ে বিশেষ সচেতনতা শিবির শুরু হয়েছে আরটিওর তরফে। সূত্রের খবর, গত ১৫ দিন ধরে প্রচার চালিয়ে প্রায় ২৫ লক্ষ টাকা বকেয়া আদায় করতে পেরেছে প্রশাসন। বকেয়া তুলতে আগামিদিনে আরও বেশি জোর দিচ্ছে আঞ্চলিক পরিবহণ দফতর। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় সব মিলিয়ে প্রায় ৫০ হাজার গাড়ি রয়েছে। যার মধ্যে প্রায় ১৮ হাজার গাড়ির ট্যাক্স বকেয়া রয়েছে। শুধুমাত্র দক্ষিণ দিনাজপুর নয়, গোটা রাজ্যজুড়ে বকেয়া করের পরিমাণ কয়েকশো কোটি টাকা। সব থেকে বেশি লরির কর বাকি রয়েছে।
রাজ্যজুড়ে যাদের বকেয়া রয়েছে, আগামী ২৯ ফেব্রুয়ারির মধ্যে তা দিয়ে দিলে কোনও জরিমানা দিতে হবে না বলে প্রশাসনের তরফে ঘোষণা করা হয়েছে। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলাজুড়ে আঞ্চলিক পরিবহণ দফতরের তরফে লাগাতার প্রচার করা হচ্ছে। জেলার আটটি ব্লকে এই প্রচার চালানো হচ্ছে। যাদের বকেয়া রয়েছে, তারা যাতে অতি দ্রুত সেই টাকা প্রদান করেন। পাশাপাশি যাদের টাকা বাকি রয়েছে তাদেরকে নোটিশ করা হচ্ছে। কারণ নির্দিষ্ট সময় পেরিয়ে গেলে পরে বকেয়া কর প্রদান করার ক্ষেত্রে কিন্তু জরিমানা প্রদান করতে হবে গাড়ি মালিকদের।
এই খবরটিও পড়ুন
আরটিও সুজয় সাধু বলেন, “ট্রান্সপোর্ট ও ননট্রান্সপোর্ট মিলিয়ে ২০ হাজার এমন গাড়ি এই জেলায় আছে যাদের ৩১ ডিসেম্বর অবধি গাড়ির কর দেওয়া নেই। ৩০০-এর বেশি গাড়ির পারমিট ফেল আছে। ওয়েভার স্কিমের আওতায় এনে কর তোলার চেষ্টা চলছে।” এ ব্যাপারে বালুরঘাট মোটর ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক মানস চৌধুরী বলেন, “গাড়ি বসে গেলে কর দেওয়া চাপ। তেলের দাম বেড়েছে ধাপে ধাপে। ভাড়া কিন্তু পুরনো হারেই চলছে। প্রতিদিন ক্ষতির মুখে পড়ছি। টোটোর অত্যাচার আছে। প্রশাসনের কাছে বারবার বলেও কিছু করা যায়নি। অনেক গাড়ি তাই সারেন্ডার করে দিয়েছে, স্ক্র্যাপ করে দিয়েছে।”